ঘুঙুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৫২ পিএম
আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৫৫ পিএম
ছোট্ট পুতুলের মতো দেখতে আমায়রা। তার ডেরা ভর্তি কত যে পুতুল! সেগুলোর আকারও আবার আমায়রার মতোই। কোনো মেলায় গেলে সেখান থেকে তার একটা পুতুল আনা চাই-ই চাই।
তো পরিবারের সাথে এবারের বৈশাখের এক মেলায় গিয়ে আমায়রা তো বেজায় খুশি। আরে কি দারুণ দারুণ লাল গোলাপি মাটির পুতুল, রাজা-রানির কাঠের পুতুল। এমন পুতুল তো সে এর আগে কখনই দেখেনি। সব চাইতে অবাক হয়েছে কাগজের মুখোশ দেখে। ব্যস! হাতে নিয়েই পিছনে লুকিয়ে রেখেছে আর ফেরত দেবে না। যাক যখন নিয়েই ফেলেছে তাই আমায়রার তো সেটা বাড়িতে আনতেই হবে। তাই বাবা মেয়ে পুরো পুরাটা সময় সেই মুখোশ নিয়ে আনন্দ করতে করতে বাড়ি পৌঁছালো।
বাড়ি ফিরে আমায়রার মা ওকে বলল, ‘আগামীকাল মুখোশ তৈরির এক কর্মশালায় যাব। সেখানে যত খুশি তত মুখোশ বানাস।’ ছোট্ট আমায়রা কি বুঝল কে জানে! কিন্তু মুখোশের কথা শুনে দাঁত বের করে এক চিৎকার দিয়ে বলল, ইয়েয়েয়ে...।

যেই কথা সেই কাজ। তারপর দিনই রঙ, তুলি আর কালার প্লেট নিয়ে আমায়রা তার মাসহ খালামনির কর্মশালায় যোগ দিল। গিয়ে আমায়রা মুখোশ রঙ করতে বসে গেল। শুধু কি সে একা! তার মতো আরও অনেকেই সেখানে উপস্থিত ছিল মুখোশ বানানোর জন্য। বলছি, রাজধানীর পূর্ব নাখালপাড়ার মনসিজ আর্ট একাডেমির কথা। এই একাডেমির শিক্ষার্থীদের কর্মশালা থেকে বাছাই করা কয়েকটি ‘মুখোশ’ আজকে ঘুঙুর বন্ধুদের জন্য ছাপা হলো। প্রিয় ঘুঙুর বন্ধুরা তোমরাও এঁকে মনের কথা পাঠিয়ে দাও আমাদের ঠিকানায়।