প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:০৫ পিএম
আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:২২ পিএম
যেসব খাবারে ওজনও কমবে, ঠিক থাকবে পুষ্টিমানও
ওজন কমানোর জন্য নানা জনে নানা মত দেয়। কোন খাবার খাওয়া উচিত, কোনটি নয়-এগুলো সম্পর্কে সবাই যেন সব জানে, আবার কাজের কাজ সব সময় সঠিকও হয় না। অনেকেই আবার অল্প খাবার খেয়ে ওজন কমাতে চান, যেটা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। সুস্থ থাকার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার খেতেই হবে। চলুন জেনে নেয়া যাক কোন ধরনের খাবারগুলো ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
লাল আটা ও চাল, মোটা চাল
যে খাবারগুলো খেলে হজম হতে সময় বেশি লাগে তার মধ্যে লাল আটা, লাল চাল ও মোটা চাল উল্লেখযোগ্য। এগুলো খেলে সহজে ক্ষুধা লাগে না। বাড়তি খাবার বেশি খাওয়ার প্রয়োজনও পড়ে না।

ওটস, যব, ছাতু
শর্করা জাতীয় খাবার যেমন চাল, গম, আলু থেকে রোজই আমরা বেশি শর্করা গ্রহণ করে ফেলি। এর কারণে ওজন বাড়তে থাকে। এক সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। নিয়ন্ত্রিত ওজনের জন্য ওটস, যব, ছাতু জাতীয় খাবারগুলো হতে পারে শর্করার বিকল্প উৎস।
অলিভ অয়েল
নিয়মিত খাদ্য অভ্যাসের সাথে অলিভ অয়েল যোগ করেও অতিরিক্ত ওজন কমানো সম্ভব। এক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল। এটি শরীরের জন্য বেশ উপকারী। এতে থাকা মনস্যাচুরেটেড ফ্যাট (monounsaturated fat) ক্যালরি বার্ণ করতে খুবই উপকারী। নিয়মিত সালাদের সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে সালাদের গুণাগুণ যেমন বাড়ানো যায়, তেমনই ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে।
ব্রোকলি
প্রোটিন, ফাইবার এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেলসের দারুণ উৎস ব্রোকলি। এতে ক্যালরি অনেক কম থাকে। এই সবজিটি শারীরিক ক্ষুধা কমায় এবং খাওয়ার ইচ্ছাকে দমন করে।
নানা রকম স্যুপ
স্যুপ তরল খাবার হলেও পেট ভরাতে বেশ কার্যকর। সবজি বা মুরগি দিয়ে তৈরি স্যুপ খেলে পরে ভারী খাবার খাওয়ার ক্ষুধা কমে যায়। এক্ষেত্রে কর্নফ্লাওয়ার দেয়া যাবে না। কারণ শর্করার ভালো একটি উৎস এটি।

চিনাবাদাম
দেশি চিনাবাদামও ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ এতে আছে আমিষ ও ফ্যাটি অ্যাসিড। খোসা ছাড়ানোর পর যে লাল আবরণটি দেখা যায় চিনাবাদামের গায়ে, এই আবরণটি ফেলবেন না।
টক দই
ওজন কমাতে টক দই খেলেও উপকার পাওয়া যাবে। শুধু টক দই খেতে পারেন, তবে এতে চিনি দেয়া যাবে না। তাছাড়া সালাদ তৈরিতেও টক দই দিতে পারেন।