× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

হামে আক্রান্ত শিশুরা কী খাবে

নাবিলা বুশরা

প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:০২ পিএম

হামে আক্রান্ত শিশুর খাবার

হামে আক্রান্ত শিশুর খাবার

গত কয়েক দিনে দেশে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। মৃত্যু হয়েছে দুইশর বেশি শিশুর। সংক্রামক ভাইরাসজনিত এই রোগটি শিশুদের বেশি আক্রান্ত করে। হামের ভাইরাস শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়ায়। শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দিলে বুঝতে হবে শিশু ইতো্মধ্যে কঠিন এই রোগের শিকার হয়েছে। হাম হলে প্রচণ্ড জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া, কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া ও চোখ দিয়ে পানি পড়া এবং চ্যাপ্টা লাল দাগের মতো ফুসকুড়ি দেখা দেয়, যা পরে একত্রে উঁচু হয়ে উঠতে পারে। 

হামে আক্রান্ত শিশুর খাবার 

এই অসুখে জ্বর ও সংক্রমণের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে প্রবলভাবে। তাই ঘন ঘন বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। পাশাপাশি তরল খাবার, যেমন ডাবের পানি, ফলের রস (সরাসরি ঘরে বানানো), ভেজিটেবল ও চিকেন স্যুপ খাওয়াতে হবে। শরীর যেন পানি ধরে রাখতে পারে, সেজন্য ফাইবার–সমৃদ্ধ খাবার দিতে হবে শিশুকে। যেসব শিশু মায়ের বুকের দুধ পান করে, তাদের বেশি বেশি করে মায়ের বুকের দুধ পান করাতে হবে। 

ভাইরাসজনিত যেকোনো রোগের প্রকোপ কমাতে কার্যকর হচ্ছে ভিটামিস সি সমৃদ্ধ খাবার। এই ভিটামিন রয়েছে কমলা, মাল্টা, পেয়ারা, লেবুতে। ফলের রস করে, লেবুর শরবত বানিয়ে এগুলো খেলে দ্রুত মুখের রুচি ফিরে। 

হামের তীব্রতা কমাতে ভিটামিন ‘এ’ বেশ কার্যকর। এই ভিটামিন পেতে হলে খেতে হবে গাজর, মিষ্টি আলু, পালংশাক ও ব্রকলি। দুর্বল শরীরে শক্তি ফেরায় চর্বিহীন মাংস, মুরগি, মাছ, ডিম, দুগ্ধজাত খাবার, ডাল ও বাদামের মতো প্রোটিন জাতীয় খাবার। 

হামে আক্রান্ত শিশুদের কী ধরনের খাবার খাওয়ানো উচিত এ বিষয়ে ধানমন্ডির ইবনেসিনা হাসপাতালের নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ইসরাত ইমরোজ জানান, হামে আক্রান্ত শিশুরা জ্বর ও ফুসকুড়ির কারণে বেশ দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সময় তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো ভীষণ জরুরি। শরীরকে দ্রুত সারিয়ে তুলতে শিশুর জন্য কয়েক ধরনের খাবার তৈরি করা জরুরি। যেমনÑ ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার (গাজর, মিষ্টি কুমড়া, পাকা পেঁপে, মিষ্টি আলু ও পালংশাক), প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার (মাছ, মুরগির মাংসÑ হালকা মসলা, ডিম ও ডাল), নরম ও সহজপাচ্য জাতীয় খাবার- (সুজি, ওটস, নরম ভাত ও সবজি বা মুরগির স্যুপ), তরল ও পানীয় (ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ফলের রস (কমলা, মাল্টা) এবং পর্যাপ্ত খাবার পানি)। 

হাম হলে পরিপাকতন্ত্রের ক্ষমতা কমে যায় বলে ডায়রিয়া হতে পারে। তাই এ সময় নরম পাতলা সবজি খিচুড়ি, সুজি, জাউভাত, পাতলা ডাল, স্যুপ, কম মসলায় সেদ্ধ করা সবজি, টক দই খাওয়াতে হবে। এই খাবারগুলো হজমশক্তি বাড়ায়। 

এড়িয়ে চলতে হবে যেসব খাবার

চিনিযুক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খেলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়, যার কারণে সেরে উঠতে সময় লাগে। চর্বিযুক্ত ও ভাজা খাবার এই অসুস্থতায় হজম করা কঠিন এবং পরিপাকতন্ত্রের উপসর্গ বাড়িয়ে তুলতে পারে। ঝাল খাবার খেলে গলা ও মুখে জ্বলুনি অনুভূত হতে পারে, সেই সঙ্গে কাশি ও গলাব্যথা বেড়ে যেতে পারে, যা এই অসুস্থতায় আরও দুর্ভোগ তৈরি করে। 


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা