প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:২১ পিএম
অলংকরণ : মিথিলা ভৌমিক, দশম শ্রেণি, ভিকারুননিসা, নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
ছাব্বিশে মার্চ
জাহাঙ্গীর আলম জাহান
ছাব্বিশে মার্চ মানে হলো
বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো
সামনে থাকা সকল বাধা
পায়ের তলে মাড়ানো
শেখ মুজিবের বজ্র হাঁকে
ছেড়ে আপন মা-বাবাকে
অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার
কঠিন শপথ-বাক্য
স্বাধীনতা লাভের আশায়
জীবনদানের সাক্ষ্য।
ছাব্বিশে মার্চ মানে হলো
হাতের মুঠোয় প্রাণ
জীবন দানের প্রতিজ্ঞাতে
হাজার ফুলের ঘ্রাণ
হাতের মুঠোয় অস্ত্র ধরা
দেশ-মাতাকে মুক্ত করা
সব হানাদার খতম করে
নৃত্য তাধিন তা-ধিন
নির্বিবাদেই বলতে শেখা
আমরা এখন স্বাধীন।
ছাব্বিশে মার্চ মানে হলো
চাই বাঙালির কৃষ্টি
এক ঘোষণায় যুদ্ধ শেষে
বাংলাদেশের সৃষ্টি।
মুক্তিসেনার মুখ
আমির খসরু সেলিম
এই যে তুমি মন চাইলেই যাচ্ছ চলে পাহাড়ে
খাবার ভরা দোকান দেখে যাচ্ছ বসে আহারে,
মন চাইলে মামার বাড়ি যখন-তখন যাচ্ছ বেশ
আনন্দটা মনের ভেতর বেশ করে তার ছড়ায় রেশ।
বাংলা ভাষায় লেখাপড়া আর হবে না, চমকালে?
মন চাইলেও ভ্রমণ নিষেধ, এটাও শুনে থমকালে!
শাসন-শোষণ এমন ছিল দেশ স্বাধীনের আগে
ইতিহাসের এসব জেনে কেমন যেনই লাগে!
শত্রুসেনা হটিয়ে দিতে স্বাধীনতার লড়াই
বুকের তাজা রক্ত ঢেলে আমরা তাতে জড়াই,
কত্তরকম ত্যাগের পরেই স্বাধীনতার সুখে-
মুগ্ধ হয়ে শুনতে থাকি মুক্তিসেনার মুখে...।
কত মায়ের কোল খালি হয় স্বাধীনতার আশায়
টগবগে সব তরুণ গিয়ে শত্রুসেনা শাসায়,
শুনতে পারো সাহস এবং ত্যাগের এসব কথা
যত্নে রেখো তোমার-আমার সবার স্বাধীনতা।
মনের মিল
বাবু হক
এক দুই তিন চার
স্বাধীন দেশে জন্মেছি তাই
জন্ম আমার অহংকার।
পাঁচ ছয় সাত আট
রক্তে ভেজা স্বাধীনতা
বাংলাদেশের উদার মাঠ।
আটের পরে নয় দশ
যুদ্ধে পাওয়া এদেশ আমার
বিশ্বসভায় অনেক যশ।
এগারো আর বারো
ভয় করিনা যোদ্ধা জাতি
রক্তচক্ষু কারো।
তেরো চৌদ্দ পনেরো
নানান ধর্মের মানুষ থাকি
মিল যে সবার মনেরও।