× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ঠাকুরগাঁও পরিণত হচ্ছে ব্যবসায়িক কেন্দ্রে

দুধ থেকে চিজ ও পনির

রহিম শুভ, ঠাকুরগাঁও

প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:০৬ পিএম

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:২৯ পিএম

কারখানায় নারীদের দুধ থেকে চিজ ও পনির তৈরির দৃশ্য

কারখানায় নারীদের দুধ থেকে চিজ ও পনির তৈরির দৃশ্য

পনির ও চিজ উৎপাদন সাধারণত ঠান্ডা এলাকায় ভালো হয়। উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁও হিমালয় পর্বতমালার নিকটবর্তী হওয়ায় পনির উৎপাদন এই অঞ্চলের আবহাওয়ার সঙ্গে খুব মানানসই। একই সঙ্গে উদ্যোক্তারা কোনো ছাড় দেয় না। আরেকটি বড় কারণ হলো– খামারিদের থেকে সংগ্রহ করা দুধের গুণগত উচ্চ মান, যা উন্নত পনির উৎপাদনে অপরিহার্য।

মোজারেলা চিজ ও পনির শিল্পে ঠাকুরগাঁওয়ের কোনো ঐতিহ্য না থাকলেও বাণিজ্যিক কারণে এ জেলায় মানসম্মত দুগ্ধজাত পণ্যটি তৈরিতে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এর কারখানা। কয়েক বছরের ব্যবধানে জেলাটিতে ৩৩টি চিজ বা পনির কারখানা চালু হয়েছে। এখানকার তৈরিকৃত চিজ বিক্রি হচ্ছে স্থানীয়সহ রাজধানীর বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্টে। এমনকি এসব কারখানার উৎপাদিত চিজ ঢাকা থেকে প্রসেসিং করে রপ্তানি করা হচ্ছে বাইরের দেশেও। চিজ শিল্পের এই উত্থান ঠাকুরগাঁওয়ে উন্মোচন করেছে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের নতুন দিগন্ত।

জেলার বিভিন্ন চিজ উৎপাদন কারখানা ও খামারে গিয়ে দেখা যায়, চিজ উৎপাদন ঘিরে সকাল থেকেই শুরু হয় বিশাল কর্মযজ্ঞ। খামারিরা ও শ্রমিকরা ঘুম থেকে উঠেই গরুকে পানি দিয়ে পরিষ্কার করে দুধ দোহনের কাজে নেমে পড়েন। আগে যেখানে হাত দিয়ে দুধ দোহন করা হতো। এখন আধুনিক প্রযুক্তিতে যান্ত্রিক মেশিনের মাধ্যমে দোহন করা হচ্ছে দুধ। খড় ও ঘাসও কাটা হচ্ছে মেশিনের মাধ্যমে। এতে যেমন জনবল কম লাগছে, তেমনি স্বল্প সময়ে অধিক কাজ করা সম্ভবপর হয়েছে এবং কঠিন পরিশ্রম হয়েছে সহজ।

চিজ ও পনির

আগে একজন প্রান্তিক খামারি বা গিরস্তের দিনে ২০-৩০ লিটার দুধ ক্রেতার অভাবে নষ্ট হওয়ার ভয়সহ নানা ঝামেলা পোহাতে হতো বা হিমশিম খেতে হতো। এখন আরএমটিপি প্রকল্পের ফলে দুধ কালেশন কেন্দ্র গড়ে ওঠায় নিশ্চিতে ও সঠিক দামে দুধ বিক্রয় করতে পারছেন। এতে কেন্দ্রগুলোতে সকাল সকাল কেউ হেঁটে বোতলে করে, কেউ আবার মোটরসাইকেল ও সাইকেলে করে দুধ নিয়ে ছুটে আসেন খামারি ও গোয়ালারা। একেকটি কেন্দ্রে প্রতিদিন প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ লিটার দুধ কালেকশন হয়। আর এসব দুধ চলে যায় চিজ উৎপাদন কারখানায়। কারখানায় সেইসব দুধ প্রসেসিং করে তৈরি করা হচ্ছে প্রোটিন ও পুষ্টিযুক্ত চিজ, পনির, ঘি ও বাটার।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন ও ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচার ডেভেলপমেন্ট (ইফাদ)-এর সহায়তায় রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইস ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট এর (আরএমটিপি) আওতায় ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচটি উপজেলার ৫৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫১টি ইউনিয়নে ‘নিরাপদ মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক ভ্যালু-চেইন উপপ্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)। যার মাধ্যমে জেলার ক্ষুদ্র, প্রান্তিক চাষি ও খামারি পরিবার এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা, পারিবারিক পুষ্টি নিশ্চিতকরণ ও ভ্যালু-চেন উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো হচ্ছে শক্তিশালী।

প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যমতে, মাঝারি আকারের প্রতিটি কারখানায় কাজ করছেন ১০ থেকে ৩৫ জন শ্রমিক। প্রতি মাসে ৩৩টি কারখানায় প্রায় ৯৬ টন চিজ উৎপাদন হচ্ছে। প্রতি কেজি চিজ বা পনির বিক্রি হয় ৫০০-৬৫০ টাকা দরে; যার মাসে স্থানীয় বাজারমূল্য প্রায় ৬০ কোটি টাকা। তা ছাড়াও কারখানাগুলোয় মাসে উৎপাদন করা হচ্ছে ১৬ টন ঘি, ৩ টন পনির এবং দেড় টন বাটার। 

কারখানায় শ্রমিকের  চিজ ও পনির তৈরি

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার তথ্যমতে, ঠাকুরগাঁওয়ে সাড়ে ৬ হাজারেরও বেশি খামারি রয়েছে। এসব খামার থেকে দিনে ৩২ হাজার টন দুধ উৎপাদন হয়। শুধু স্থানীয়ভাবে দুধ সংগ্রহ করে তা সরাসরি হোটেল-রেস্টুরেন্টে সরবরাহ করলে যে লাভ হয় তার থেকে কয়েকগুণ বেশি লাভ হয় মোজারেলা চিজ প্রসেস করে বিক্রি করলে। এ কারণে উদ্যোক্তারাও উৎসাহিত হচ্ছেন এই শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।

ঠাকুরগাঁওয়ের নিশ্চিন্তপুর এলাকার গৃহবধূ মাসুমা খানম। পনির তৈরি করে এখন জেলার সফল উদ্যোক্তাদের মধ্যে অন্যতম তিনি। 

সফল এই নারী উদ্যোক্তা বলেন, ১৯৭৫ সালে এসএসসি পাস মাসুমার জন্ম ঢাকার বিক্রমপুরে। তিনি ১৯৭৭ সালে লৌহজং পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক ইয়ার মাহমুদ খানকে বিয়ে করেন। ১৯৮২ সালে ইয়ার মাহমুদ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার পেটে অস্ত্রোপচার করতে হয়। অসুস্থ হওয়ার পর তিনি আর চাকরি করেননি। দুই সন্তান আর অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে চলে আসেন ঠাকুরগাঁও শহরে ননদের বাসায়। সেই থেকে ননদের স্বামীর সঙ্গে বিভিন্ন ব্যবসা করেছেন। এরই মধ্যে বড় ছেলে তারিকুল ইসলাম ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেয়ে যান। মূলত তার পরামর্শেই ২০১২ সালে মাসুমা পনির উৎপাদনের কারখানা দেন। নিশ্চিন্তপুরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের স্থাপনা ভাড়া নিয়ে পনির কারখানা স্থাপন করেন মাসুমা। 

শুরুতে ২৭ লিটার দুধ দিয়ে কারখানায় পনির উৎপাদনের যাত্রা শুরু করেন। সময়ের ব্যবধানে এই কারখানার পনিরের চাহিদা ঢাকায় বাড়তে থাকে। এখন ওই কারখানায় এক দিনে প্রায় আড়াই হাজার লিটার দুধ থেকে পনির উৎপাদন হয়। মাসে এই কারখানা থেকে তার ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা আয় আসে। তার প্রতিষ্ঠানে ১৩ জন নারী কাজ করেন। পুরুষ শ্রমিক রয়েছেন ২ জন।  মাসুমার সাফল্যে উজ্জীবিত হয়ে তার সন্তানরা পনির উৎপাদনের ব্যবসায় নেমেছেন, তারা পাবনা, বগুড়া ও ঠাকুরগাঁওয়ে পনির কারখানা দিয়েছেন। তার ছোট ছেলের কারখানা আইএসও সনদও পেয়েছে এবং বহুমুখী পণ্য উৎপাদন করছে। 

শুধু পনির কারাখানা থেকে মাসুমা ঠাকুরগাঁও শহরে একাধিক প্লট কিনেছেন। সফল এই নারী উদ্যোক্তা উত্তরবঙ্গের নারীদের ক্ষমতায়নের বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহী।

২০১৭ সালে মাসুমাকে ‘শ্রেষ্ঠ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা’ পুরস্কার দেয় সিটি ফাউন্ডেশন। এ ছাড়া সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন খাতের অনুদানও পেয়েছে আইএসও সনদ পাওয়া তার প্রতিষ্ঠানটি।

পৌর শহরের আরেক উদ্যোক্তা রিফাত উল্লাহ বলেন, আগে গ্যাসের চুলায় ও সনাতন পদ্ধতিতে চিজ তৈরি ছিল অনেক সময়সাপেক্ষ। এখন আধুনিক প্রযুক্তিতে মেশিনের মাধ্যমে সহজেই স্বল্প সময়ে চিজ তৈরি করতে পেরে খুশি আমরা। আমার কারখানায় প্রতিদিন ৮ জন শ্রমিক কাজ করেন। আমার কারখানার তৈরিকৃত চিজ দেশের বিভিন্ন স্থানে যায়। এতে প্রতি মাসে গড়ে আমার ৫০ হাজার টাকা লাভ হয়।

পৌর শহরের তেলিপাড়ার আরেক কারখানার মালিক সেজৃতি আক্তার বলেন, আমি ২ বছর ধরে কারখানা পরিচালনা করছি। ইএসডিও থেকে ট্রেনিং নিয়ে। আমার কারখানায় প্রতিদিন ৫-৭ জন শ্রমিক কাজ করে। চিজ ও পনির দেশের বিভিন্ন জেলায় যায়। এতে আমার মাসে গড়ে ৩০/৪০ হাজার টাকা লাভ হয়।

সদর সালন্দর ইউনিয়নের মেসার্স হাবিব দুগ্ধ খামারের মালিক নাজমুল হক বলেন, প্রথমে আমার খামারে মাত্র একটি গাভি গরু ছিল। গাভিটি দিনে দুধ দিত ২৫-৩০ লিটার। তখন একসঙ্গে  এত দুধ বিক্রয় করতে নানা ঝামেলা হতো। গ্রাহকের অভাবে অনেক সময় দুধ নষ্ট হয়েছে। বাজারে সঠিক দাম পাওয়া যেত না। এমন অবস্থায় দিন দিন আমার গরুর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। হঠাৎ করেই ইএসডির সঙ্গে  যোগাযোগ হয় আমার। গ্রহণ করি প্রশিক্ষণ। তারা নানাভাবে আমাকে সহযোগিতা করেছে। এখন আমার খামারে ১০টি বিদেশি বিভিন্ন জাতের গাভি আছে। প্রতিদিন প্রায় ১৫০/১৬০ লিটার মেশিনের মাধ্যমে দুধ দোহন করি এবং নিজেই চিজ তৈরির কারখানা স্থাপন করেছি। আগে যেখানে আমার দুধ বিক্রি করতে সমস্যা হতো এখন আমাকেই দিনে আরও প্রায় ৫০০-৭০০ লিটার দুধ ক্রয় করে নিতে হচ্ছে চিজ তৈরির জন্য। আমার গরুর খামারে ও চিজ কারখানায় প্রতিদিন প্রায় ১৫-২০ জন মানুষ কাজ করছেন। তাতে মাসে সবকিছু খরচ বাদ দিয়ে আমরা প্রায় লাখ টাকা আয় হয়।

চিজ কারখানা গড়ে ওঠায় দিন দিন গরুর খামারের সংখ্যা বাড়ছে ও দুধ কালেকশন পয়েন্ট হওয়ায় খামারিদের এবং গোয়ালারা কোনো রকম ঝামেলা ও চিন্তা ছাড়াই ভালো দামে দুধ বিক্রয় করতে পারছেন। এতে তারাও বেশ লাভবান হচ্ছেন। 

সদর বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের গরু খামারি বরকত উল্লাহ দুলু বলেন, আমার খামারে বিদেশি গাভি আছে ১৪টা। প্রতিদিন গড়ে আমি ২৩০-২৫০ লিটার দুধ দোয়াই। আগে এত দুধ বিক্রি করতে ঝামেলা পোহাতে হতো। এখন কোনো ঝামেলা নেই। বাড়ি থেকে এসে চিজ কারখানার কর্মচারীরা কিনে নিয়ে যান। এতে দুধের দাম ভালো পাচ্ছি। আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছি। খামারটি আরও বড় করার পরিকল্পনা করছি।

গরুর খড়, ঘাস কাটাসহ দুধ দোহন ও দুধ মেশিনে হিট করে চিজ সহজে তৈরি করতে পারায় পরিশ্রম হচ্ছে কম। এসব কারখানায় ও খামারে কাজ করে ভালোমতো সংসারের খরচসহ সন্তানদের পড়াশোনা চালাচ্ছেন কর্মরত শ্রমিকরা। 

ঠাকুরগাঁও শহরের বাসিন্দা রানী নামে চিজ উৎপাদন কারখানার এক শ্রমিক বলেন, আগে বাসায় বেকার বসে থাকতাম। এখন চিজ কারখানা হওয়ায় বেশ কয়েক বছর থেকে এখানে কাজ করি। কারখানাগুলো হওয়ায় আমরা কাজ করতে পারছি। বাড়িতে বসে না থেকে কারখানায় কাজ করে যা আয় হয় তাতে সংসার ভালোই চলে। পাশাপাশি ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার খরচও দিতে পারছি। 

নারী শ্রমিক নূর নাহার বেগম বলেন, আগে গ্যাসের মাধ্যমে চুলায় দুধ গরম করতে অনেক সময় লাগত। এখন মেশিনের মাধ্যমে একসঙ্গে প্রায় ৮০০ লিটার দুধ গরম করা যায়। এতে আমাদের পরিশ্রম করতে হচ্ছে কম। অল্প সময়ের মধ্যে ভ্যাট করতে ও চিজ তৈরি করতে পারছি। 

সদর আখানগর ইউনিয়নের আমেনা খাতুন বলেন, আগে গ্রামে দুধ নেওয়ার মতো তেমন মানুষ ছিল না। তাই অনেক সময় দুধ বিক্রি করতে পারতাম না। এখন বাড়িতে এসে দুধ কালেকশন করেন গোয়ালরা। প্রতিদিন-১০-১৫ লিটার দুধ বিক্রি করি। তাতে দামও ভালো পাই ও টাকা নিয়ে কোনো চিন্তাও থাকে না।  সদরের মেজর বাবু দুধ কালেকশন পয়েন্টের মালিক বাবু বলেন, দুধের আগে চাহিদা কম ছিল। শুধু হোটেলে দুধ লাগতো। কিন্তু এখন চিজ কারখানাগুলো হয়ে দুধের অনেক চাহিদা বেড়েছে। সঙ্গে  সঙ্গে  অনেক খামারি গাভি পালন শুরু করেছে। আগে দিনে মাত্র ১০০-১৫০ লিটার দুধ পেতাম। এতে সময় ও শ্রম বেশি লাগত। এখন সারা দিনে প্রায় ৬০০-৭০০ লিটার দুধ ক্রয় করতে পারছি। এই দুধগুলো আশপাশের চিজ কারখানায় দিচ্ছি।এদিকে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান ইএসডিওর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান বলেন, চিজ উৎপাদনের ফলে উদ্যোক্তা, খামারি, গোয়ালা, নারী শ্রমিক থেকে শুরু করে ঘাস চাষিদের বৈচিত্র্যময় কার্যকর উন্নয়ন হয়েছে। আগামীতে এই ধরনের কার্যক্রম আরও অন্যত্র ছড়িয়ে যাবে ও ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। তাই এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়ায় তিনি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন ও ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচার ডেভেলপমেন্ট (ইফাদ) কর্তৃপক্ষকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান। 

জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল কবির বলেন, স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ উপায়ে জেলায় চিজ উৎপাদনের ফলে জনবলের কর্মসংস্থান তৈরি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে। তাই উদ্যোক্তাদের নিয়মিত পরামর্শ ও প্রশিক্ষণসহ সার্বিক সহযোগিতা করছি আমরা।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা