জারাদ ত্রিস্তান
প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:১২ পিএম
প্রচ্ছদ : সিম্মল ধূলি
নতুনের গান গেয়ে চলে এসেছে আনকোড়া আরও একটি বছর। নতুন বছর মানেই ভালো কিছু, নতুন নতুন আশা ও প্রত্যাশা। নতুন বছর মানেই নতুনের আগমন। ২০২৫ কে পেরিয়ে চলে এসেছে ২০২৬।
রবিঠাকুর বলেন, ‘নিশি অবসান প্রায়, ওই পুরাতন বর্ষ হয় গত!...’
৩৬৫ দিন পর রাত অবসান হলেই পুরাতন বছর বিদায় নিয়ে নতুন বছর আসে। নতুন বছর প্রত্যেকের জীবন বয়ে আনে আশা ও আকাঙ্ক্ষা।
একজন কৃষকের মনে আশা থাকে গত বছরের চেয়ে বেশি পরিশ্রম করে বেশি ফসল উৎপাদন করা। নতুন বছরে যেন কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাধা না দেয়, জলবায়ু যেন অনুকূলে থাকে।
একজন ছাত্রের ইচ্ছা থাকে গত বছরের চেয়ে ভালো পড়ালেখা করা। নতুন বছরে ফলাফল যেন আগের চেয়ে ভালো হয়।
একজন সাহিত্যিক কিংবা শিল্পীর মনোবাসনা থাকে আগের চেয়ে ভালো কিছু করার। কালজয়ী কোনো রচনা রচিত করার বা চিত্র, ভাস্কর্য, সুরের মাধ্যমে মানুষের অনুভূতি ফুটিয়ে তোলার।
একজন বৈজ্ঞানিক বা আবিষ্কারকের আকাঙ্ক্ষাকে নতুন কিছু আবিষ্কার করার। যা মানুষের কল্যাণ সাধন করে।
কবিগুরু থেকে জানি, ‘বন্ধু হও, শত্রু হও, যেখানে যে কেহ রও, ক্ষমা করো আজিকার মতো
পুরাতন বরষের সাথে পুরাতন অপরাধ যত...।’
পুরাতন বছরের সকল শত্রুতা ভুলে গিয়ে বিগত বছরের মতো সকল পুরাতন অপরাধও বর্জন করতে হয়। নতুন বছর কি আর হিংসা-বিদ্বেষ থাকলে চলে!
মনে হয় যেন নিমিষেই চোখের পলকে ২০২৫ সাল চলে গেল।
কিন্তু না,
সারা বিশ্বেই ২০২৫ সাল অনেক প্রভাব ফেলেছে। বাংলাদেশেও হয়েছে বন্যা ও ভূমিকম্প। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বের ৯০ কোটি মানুষ পড়েছে ঝুঁকিতে।
বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি সৌরজগতের বাইরে প্রায় ৬ হাজার গ্রহ আবিষ্কার করেছেন, আবিষ্কৃত হয়েছে সবচেয়ে দূরবর্তী এবং প্রাচীন ছায়াপথ।
কথায় বলে, ‘রাত যত ঘনায় ভোর ততই নিকটবর্তী হয়।’
২০২৫-কে ফেলে আমরা এগিয়ে চলেছি ২০২৬-এর পথে। পুরাতন বছরকে এক হাতে রেখে আরেক হাত বাড়িয়ে দিচ্ছি নতুনের উদ্দেশ্যে।
নতুন বছর সকলের জন্য শুভ হোক।
ষষ্ঠ শ্রেণি, উইলস লিটল ফ্লাওয়ার
স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা