রওনক জাহান পুষ্প
প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৫ ১৬:৩৫ পিএম
বাথরুম বা টয়লেট আমাদের নিত্যদিনের ব্যবহারের স্থান। কিন্তু প্রতিদিনের ব্যবহারের ভুলেই বাথরুমে হয়ে থাকে দুর্গন্ধ। নিয়মিত ঝকঝকে করে পরিষ্কার করে রাখলেও দুর্গন্ধ দূর করা যেন খানিকটা কঠিনই হয়ে পড়ে। এ ছাড়াও দুর্গন্ধ দূর করার পাশাপাশি জীবাণুমুক্ত রাখাও জরুরি। তাই আজ থাকছে বাথরুম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে জীবাণুমুক্ত রাখারও কিছু টিপস।
১. বাথরুমে যাতে বাতাস চলাচল নিশ্চিত হয় এ বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। একদম বদ্ধ বাথরুমে দুর্গন্ধ হওয়া খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। জানালা বা এগজস্ট ফ্যান অবশ্যই থাকতে হবে আর দেখতে হবে যাতে প্রয়োজনমতো জানালা খোলা যায়, ফ্যান চালাতে সমস্যা না হয়।
২. বাথরুমে কখনোই ভেজা কাপড় রাখা যাবে না। এর ফলে বাথরুম স্যাঁতসেঁতে হয়ে যায়, দুর্গন্ধ হয় এবং জীবাণু বাসা বাঁধে। ভেজা কাপড়-চোপড় ভালোভাবে পানি ঝরিয়ে শুকাতে দিতে হবে। তোয়ালে বা গামছা নিয়মিত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।
৩. সুগন্ধি ছড়াতে ব্যবহার করতে পারেন বাজারের কেনা সুগন্ধির জেল প্যাকেট, এয়ার ফ্রেশনার অথবা সুগন্ধি মোমবাতি। বাথরুমের দুর্গন্ধ কমাতে এগুলো খুবই উপকারী। জেল প্যাকেট এক মাসের মতো স্থায়ী হয়, এয়ার ফ্রেশনার আর সুগন্ধি মোমবাতি একটু করে ব্যবহার করলেও বেশ অনেক দিন চলে যায়।

৪. প্রাকৃতিক সুগন্ধি চাইলে বিভিন্ন সুগন্ধি ফুল, মসলা, লেবু কমলার খোসা এগুলো ঝুলিয়ে বা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে পারেন। এতে এগুলোর প্রাকৃতিক সুগন্ধই বাথরুমকে সুগন্ধি করে রাখবে। তবে এগুলো কয়েক দিন পরপর সরিয়ে ফেলাই ভালো, নাহয় পচে গিয়ে উল্টো দুর্গন্ধ সৃষ্টি করতে পারে।
৫. ঘরোয়া জিনিসপত্র ব্যবহার করতে পারেন বাথরুম পরিষ্কারের ক্ষেত্রে, এতে দুর্গন্ধ ও জীবাণু, দুটোই দূর হবে। লেবু, সোডা, ভিনেগার, লবণ এগুলোকে বলা হয় ন্যাচারাল ক্লিনিং এজেন্ট। এগুলো ব্যবহারে বাথরুমের দুর্গন্ধ দূর হবে, পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত হবে আর কেমিক্যাল ক্লিনারে যেসব ঝুঁকি থাকে, সেগুলো থাকবে না।
৬. চা-পাতা, নিমপাতা, ভিনেগার, নারিকেল তেলÑ এসব ছত্রাক না পড়তে সাহায্য করে। বেসিন, কাউন্টার ইত্যাদি মোছার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন অথবা পানিতে ফুটিয়ে দেয়ালে স্প্রে করতে পারেন। ছত্রাক জন্মানো কমে যাবে ও ছত্রাকের ফলে হওয়া স্যাঁতসেঁতে গন্ধও থাকবে না।
৭. ইনডোর কিছু গাছ রাখা যায় বাথরুমের ভেতর। স্নেক প্লান্ট, মানি প্লান্টÑ এ জাতীয় গাছগুলো বাথরুমের বাতাস পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।