× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

গহনা কিনব কোথা থেকে

আফসানা জামান

প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৫ ১৩:২৫ পিএম

গহনা কিনব কোথা থেকে

বর্তমানে চলতি ফ্যাশনের তালিকায় রয়েছে নানা প্রাচীন উপকরণের পাশাপাশি আধুনিক উপকরণের গয়না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফ্যাশনের ধারা পুরোপুরি লুপ্ত হয়ে যায় না বরং নতুনের সঙ্গে পুরোনো উপকরণের মিশেল এনে দেয় নতুন মাত্রা। সোনা-রুপার পাশাপাশি নানা রকমের পুঁতি, পাথর, মুক্তা, কাঠ, কাপড়, ক্লের গয়নাও বর্তমানে দারুণ জনপ্রিয়। এ ছাড়া বিভিন্ন ধাতু যেমন ব্রাস ও পিতলের গয়নাও দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

গয়নার জগতে মুক্তার আভিজাত্যের কোনো তুলনা হয় না। আর মুক্তা কখনোই পুরোনো হয় না। মুক্তার দাম নির্ভর করে এর উৎস, রঙ, আকার-আকৃতির ওপর। আভিজাত্য ও প্রশান্তি ফুটিয়ে তুলতে মুক্তার জুড়ি নেই। এক লহরের মুক্তার মালাই স্নিগ্ধতা ফুটিয়ে তুলতে যথেষ্ট।

তবে মুক্তার গয়না উৎসবের ধরন ও পোশাক অনুযায়ী বাছাই করা উচিত। মুক্তার সঙ্গে স্বর্ণ বা প্লাটিনামের মতো দামি ধাতব উপকরণ যেমন মানানসই, তেমন রুপা, তামা, পিতলের সঙ্গেও সহজে মানিয়ে যায়। মুক্তার গয়না হতে পারে হাতের আংটি, ব্রেসলেট বা কানের ছোট টপ, অথবা সরু চেইনের সঙ্গে ছোট লকেট। এর আবেদন সব সময়ই অত্যন্ত মার্জিত ও রুচিশীল। ধাতুর সঙ্গে নানা রকম পাথর, মুক্তা, কাচ, মিনাকারি কাজের সমন্বয় গয়নার নকশায় আনে দারুণ ভিন্নতা।

ধাতব গয়নার ক্ষেত্রে আজকাল সাবেকি ধাঁচের নকশার প্রতি আগ্রহ আবার ফিরে এসেছে। পাতলা ধাতব পাত হাতে কেটে ফুল, পাখি, লতাপাতার নকশা করা হয়। একে বলা হয় ‘কাটাই’। ধাতব কাটাই গয়নায় রুপালি বা সোনালি প্রলেপের গয়না জনপ্রিয়। সোনালি, রুপালি ছাড়াও কপার, অক্সিডাইজ, অ্যানটিক কালারও বেশ চলছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে নকশার ফাঁকে ফাঁকে বসানো হয় ছোট পুঁতি বা মুক্তা, আবার কোনোটায় বসে ছোট সাদা পাথর। বিভিন্ন ধরনের গয়নার মধ্যে চোকার, সীতাহার, তিন চার লেয়ার নেকলেস, লম্বা চেইনের নেকলেস, ঝুমকা, কানবালি, চাঁদবালি, টিকলি, ঝাপটা, হাতের বালা বেশ চলছে। মীনাকারি ও কুন্দন বসানো নকশা ধাতব গয়নার বৈচিত্র্য বাড়িয়ে তোলে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রথাগত অনুষঙ্গ পলার ব্যবহার এখন সর্বজনীন। পলা এখন পরিণত হয়েছে গয়না তৈরির অসামান্য এক উপকরণে। ডিজাইনাররা দারুণ দক্ষতায় পলা এখন শুধু চুড়িতেই নয়, ব্যবহার করছেন আংটি, মালা এবং দুলেও। অতীতে যে লাল প্রবাল থেকে পলা তৈরি হতো তার জায়গা এখন দখল করেছে উন্নতমানের প্লাস্টিক। বদল এসেছে তার রঙেও। শুধু লাল নয়, বরং নীল, হলুদ, সবুজ, সাদা, গোলাপি ও অন্যান্য রঙের পলাও এখন পছন্দের তালিকায়। পলার ওপর সিলভার ও গোল্ডেন প্লেটিং করে এতে দেওয়া হচ্ছে ধাতব লুক। বানানো হচ্ছে হাঁসুলি, কানের দুল, চুড়িসহ আরও নানা ডিজাইনের গয়না, যা সহজেই মানিয়ে যায় দেশি বা বিদেশি আউটফিটের সঙ্গে।

হাল ফ্যাশনের আরেক ট্রেন্ড ব্ল্যাক পলিশ গয়না। সোনা বা রুপার বদলে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছে ব্ল্যাক পলিশড গয়নার প্রতি। ট্রাডিশনাল বা ওয়েস্টার্ন সব ধরনের লুকের সঙ্গেই বেশ মানিয়ে যায় এ ধরনের জুয়েলারি। ব্ল্যাক পলিশের হাঁসুলি, চোকার, লম্বা হার, ব্রেসলেট, বালা খুবই জনপ্রিয়। এ ধরনের গয়নায় মিরর ও মিনাকারি ওয়ার্ক দেখা যায়। গলার হারে টারসেল হিসেবে থাকে কালো সুতা বা চেইন। পাথর/মুক্তা বসানো বড় ঝুমকা শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে দারুণ মানায়। সেই সঙ্গে ছোট ঝুমকা বা কানের টপ/দুল রোজ ব্যবহারের জন্যও চলনসই। এসব ছাড়াও নেপালি পুঁতির গয়না, কাঠের গহনায় হ্যান্ডপেইন্ট ও সিড বিডসের গাঁথুনি, রেজিনের গয়নাও আজকাল সমান জনপ্রিয়।

কোথায় পাবেন পছন্দসই গয়না

আড়ং, ক্যাটস আই, আরবানট্রুথ, রঙ বাংলাদেশ, বিবিআনা, মায়াসির ব্র্যান্ডগুলোতে পছন্দের গয়না পেয়ে যাবেন সহজেই। এ ছাড়া নিউমার্কেট, পিংক সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, বসুন্ধরা সিটি, উত্তরার রাজলক্ষ্মী মার্কেট, মৌচাক মার্কেট প্রভৃতি জায়গায়ও খুঁজে পাওয়া যাবে নানা ধরনের গয়না। যারা বাইরে ঘুরে কিনতে চান না তাদের জন্য বেস্ট অপশন অনলাইনভিত্তিক দোকানগুলো। গয়নার জন্য জনপ্রিয় কয়েকটি অনলাইন শপ হচ্ছে রঙধনু ক্রিয়েশন, সিক্স ইয়ার্ড স্টোরি, কাদম্বরী, আট কুঠুরি নয় দরজা, ধ্রুবিকা, ত্রিনিত্রি, আরুণিকা, আর্টোপলিস, টেন্টারালি, ব্যাড হ্যাবিট, পিয়াস ইত্যাদি।


ছবি : ধ্রুবিকা, রঙধনু ক্রিয়েশন


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা