জাহরা সামিহা অহনা
প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৪ ১৩:১৯ পিএম
এই সুন্দর ছবিটি এঁকেছে অর্নিলা ভৌমিক। সে ঢাকার ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী
একটি গ্রাম ছিল, গ্রামের নাম খালদিঘি। সেই গ্রামে বাস করত এক গরিব জেলে, তার নাম মতি। সে থাকত একটা ছোট্ট কুটিরে। মতির ছিল একটা মেয়ে। মেয়ের নাম ঝুমুর। মতি মাছ ধরে অনেক রাতে বাড়ি ফিরত। মতির মেয়ে পড়াশোনার পর মাটির জিনিস বানাত। সে ভাবল, যদি সে মানুষের মতো জিনিস বানায়, তাহলে কেমন হয়! সে বানাল মাটির মানুষ। তারপর বাবাকে দেখাল। মেয়ের বানানো মাটির মানুষ তার বাবা অনেক পছন্দ করল।
কিছুদিন পর গ্রামপ্রধানের মেয়ের বিয়ে ছিল। বিয়েতে কী উপহার দেবে তাই নিয়ে মতি চিন্তিত ছিল। ঝুমুর তার বাবাকে চিন্তিত দেখে জিজ্ঞেস করল, বাবা তুমি এত চিন্তা করছ কেন? বাবা বলল, কাল গ্রামপ্রধানের মেয়ের বিয়ে, সেখানে আমি কী উপহার দেব? ঝুমুর বলল, আমরা যদি আমার বানানো মাটির মানুষটা উপহার দিই, তাহলে কেমন হয়? মতি রাজি হলো এবং বলল, তাহলে তার একটা নাম দিতে হবে। ঝুমুর তার প্রিয় বন্ধুর নাম রাখল মাটির পুতুল। তারপর বিয়েতে তারা মাটির পুতুল উপহার দিল। গ্রামপ্রধান পুতুলটা অনেক পছন্দ করল।
কিছুদিন পর গ্রামপ্রধান মতির বাড়ি এসে বলল, তোমার মেয়ে তো মাটি দিয়ে অনেক সুন্দর পুতুল বানায়। এটা দিয়ে তো তোমরা ব্যবসা করতে পারো। তাহলে তোমার আর কষ্ট করতে হবে না। এরপর মতি আর ঝুমুর মাটির পুতুলের ব্যবসা শুরু করল। সেই থেকে আমরা মাটির পুতুল দিয়ে খেলি।
ষষ্ঠ শ্রেণি, লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সৈয়দপুর, নীলফামারী