আবেদীন জনী
প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০২৪ ১৩:০৫ পিএম
আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২৪ ১৩:০৬ পিএম
বৃষ্টি নামে শ্যামল গ্রামে
সকাল দুপুর জলের নূপুর বাজে-
গাছের পাতায়, মাথার ছাতায়
সুর মেখে যায় মনের খাতায়
টুপটুপাটুপ টাপুরটুপুর
কী জাদু হায় ছন্দ-কারুকাজে!
নদীর বুকে জল করে থই থই
ডোবার জলে ট্যাংরা-পুঁটি-কই।
পদ্ম ফোটে, শাপলা ফোটে,
কদম- কেয়ার গন্ধ হাওয়ায় ভাসে-
বৃক্ষলতা বৃষ্টি ধোয়া
মাটির বুকে জলের ছোঁয়া
সজীবতার নিটোল ছবি
বৃষ্টিভেজা মাঠের ঘাসে ঘাসে।
বৃষ্টিতে ঘাম-ক্লান্তিরা যায় ধুয়ে
সিক্ত হাওয়া যায় দেহ-মন ছুঁয়ে।

কিশোরবেলা
ইমরান পরশ
হারিয়ে যাওয়া কিশোরবেলা
আসত ফিরে যদি
দুরন্ত সেই ডুবসাঁতার আর
সেই বহতা নদী।
জঙ্গলাডোরে উঠোনখানা
আবার যদি পেতাম
ভাতঘুমের এই দুপুরটাতে
কই হারিয়ে যেতাম।
বাবার জামার পকেট থেকে
হারানো দুই টাকা
স্মৃতির ছবি আজও আমার
মনতুলিতে আঁকা।
জোনাকজ্বলা বাঁশ বাগানের
আশায় চেয়ে থাকি
টেবিলখানায় পল্লী কবির
নকশিকাঁথা রাখি।
বনের সবুজ মনে রেখেই
দিন করে দিই পার
মনের ভেতর কিশোরবেলা
ঢেউ খেলে বারবার।