× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সাঙ্গু নদে নতুন প্রজাতির মহাশোলের সন্ধান

ময়মনসিংহ অফিস

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২২ ০৮:১৩ এএম

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২২ ১৩:২৮ পিএম

সাঙ্গুতে সন্ধান পাওয়া মহাশোল। ছবি : প্রবা

সাঙ্গুতে সন্ধান পাওয়া মহাশোল। ছবি : প্রবা

দেশে প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ মহাশোলের নতুন প্রজাতির সন্ধান পাওয়া গেছে। বান্দরবানের সাঙ্গু নদে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) বিজ্ঞানীরা এ প্রজাতিটির সন্ধান পেয়েছেন। এ প্রজাতির সন্ধান পাওয়ায় এখন দেশে মহাশোলের প্রজাতির সংখ্যা বেড়ে তিনটি হয়েছে।

নতুন প্রজাতিটির বৈজ্ঞানিক নাম Tor barakae

বিএফআরআই সূত্র জানায়, দেশে মহাশোলের দুটি প্রজাতি ছিল (Tor tor এবং T. putitora)। এদের আবাসস্থল নেত্রকোনার কংস ও সোমেশ্বরী নদী। এ দুই প্রজাতি মূলত পাহাড়ি ঝরনা প্রবাহিত স্রোতস্বিনী জলাশয়ে বসবাস করে এবং পাথরের গায়ে লেগে থাকা শ্যাওলা-জাতীয় খাবার খেয়ে বেঁচে থাকে।

২০১৫ সালে আইইউসিএনের তথ্যমতে, মহাশোল বিপন্ন প্রজাতির মাছ। বিএফআরআই পরিচালিত সমীক্ষায় বান্দরবানের সাঙ্গু নদে নতুন এ প্রজাতিটির সন্ধান পাওয়ায় এখন দেশে মহাশোলের প্রজাতির সংখ্যা দাঁড়াল তিনটিতে। এতে দেশে মিঠাপানির মাছের সংখ্যা হবে ২৬১টি।

বিএফআরআই সূত্র আর জানায়, এক বছর আগে নতুন প্রজাতির মহাশোলের দেখা পাওয়ার খবর পেয়ে বিএফআরআই রাঙামাটি উপকেন্দ্র থেকে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সহযোগিতায় সমীক্ষা পরিচালনা করা হয়। এরপর সন্ধান মেলে মহাশোল আকৃতির এক প্রজাতির মাছের। ওই মাছ সংগ্রহের পর বাহ্যিক গঠন ও অন্যান্য দিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, এর আঁশ মহাশোলের মতো হলেও পাখনার রং দেশের অন্যান্য প্রজাতির মহাশোলের মতো হলদে নয় এবং মুখটিও অপেক্ষাকৃত সরু। পরে প্রজাতি শনাক্ত করার জন্য ডিএনএ বারকোডিং করা হয়। এরপর কৌলিতাত্ত্বিক গবেষণায় সংগৃহীত নমুনার Tor barakae নামক মহাশোলের রেফারেন্স জিনোমের সঙ্গে শতভাগ সদৃশতা পাওয়া যায়। এভাবে দেশে প্রথমবারের মতো নতুন প্রজাতির মহাশোল শনাক্তকরণ নিশ্চিত হয়।

বান্দরবানের থানচি উপজেলার সাঙ্গু নদের আন্দারমানিক, বোরো মদক ও লিগরি এলাকায় যেখানে পানির গভীরতা এবং তলদেশে পাথরের পরিমাণ বেশি সেখানে নতুন প্রজাতির মহাশোলটি পাওয়া যায়।

স্থানীয়ভাবে এ মাছটি ‘ফড়ং’, ‘মিকিমাউ’ নামে পরিচিত। এটি ওজনে ১০ থেকে ১৫ কেজি পর্যন্ত হয়।

এ প্রসঙ্গে বিএফআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ জানান, মহাশোলের নতুন এ প্রজাতির প্রজনন ও চাষাবাদ নিয়ে শিগগিরই গবেষণা কার্যক্রম শুরু করা হবে। মাছটি দামি ও আকারে বড় হওয়ায় এর বাণিজ্যিক গুরুত্ব রয়েছে। মহাশোলের অন্যান্য প্রজাতি নিয়ে ইনস্টিটিউটের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এ ক্ষেত্রে কাজে লাগানো যাবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা