বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২২ ১৩:৪১ পিএম
আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২২ ১৩:৫৫ পিএম
পণ্ডিত বারীণ মজুমদারের প্রয়াণ দিবস আজ। ২০০১ সালের আজকের এই দিনে তিনি না ফেরার দেশে চলে যান। ১৯২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জন্ম নেওয়া এই মানুষটি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির (বর্তমান বাংলাদেশ) পাবনা জেলার রাধানগরে এক জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা নিশেন্দ্রনাথ মজুমদার ছিলেন একজন সংগীতশিল্পী ও নাট্যকার এবং মাতা মণিমালা মজুমদার সেতার বাজাতেন।
বারীণ মজুমদারের স্ত্রী ইলা মজুমদার। তিনি একজন উচ্চাঙ্গ সংগীতশিল্পী ছিলেন। তাদের দুই সন্তান। বড় ছেলে পার্থ মজুমদার একজন সংগীত পরিচালক এবং ছোট ছেলে বাপ্পা মজুমদারও একজন সংগীতশিল্পী ও সংগীত পরিচালক।
পণ্ডিত বারীণ মজুমদার একজন বাংলাদেশি সংগীত-অধ্যক্ষ, রাগসংগীত বিশারদ ও উচ্চাঙ্গ সংগীতশিল্পী ছিলেন। তিনি আগ্রা ও রঙ্গিলা ঘরানার যোগ্য উত্তরসাধক।
সংগীতে অবদানের জন্য তমঘা-ই-ইমতিয়ায (১৯৭০), একুশে পদক (১৯৮৩), বরেন্দ্র একাডেমির সংবর্ধনা (১৯৮৩), কাজী মাহবুবউল্লাহ জনকল্যাণ ট্রাস্ট পুরস্কার (১৯৮৮), সিধু ভাই স্মৃতি পুরস্কার (১৯৯০), বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি থেকে গুণিজন সম্মাননা (১৯৯১), জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ থেকে রবীন্দ্র পদক (১৯৯৩), বেতার টেলিভিশন শিল্পী সংসদ থেকে ‘শিল্পী শ্রেষ্ঠ’ খেতাব (১৯৯৫), বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ (১৯৯৭), জনকণ্ঠ গুণিজন সম্মাননা পদক (১৯৯৮), এদেশের সংগীতে অসাধারণ অবদানের জন্য ২০০২ সালে দেশের ‘সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার’, ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ প্রদান করা হয় তাকে।
তিনি ২০০১ সালের ৩ অক্টোবর বাংলাদেশের ঢাকার হলিফ্যামিলি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
প্রবা/টিএম/এমজে/