প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২৩ ১৫:২৬ পিএম
আপডেট : ২৪ জুন ২০২৩ ১৬:৩৫ পিএম
ছোট পর্দার নবাগত অভিনেত্রী জেবা জান্নাতকে নিয়ে কিছুদিন আগে গুরুতর অভিযোগ এনেছিলেন নির্মাতা রাশেদা আক্তার লাজুক। এরপর টেলিভিশন নাটক নির্মাতাদের সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ড তাকে নাটকে অভিনয় থেকে সাময়িকভাবে বিরত থাকার পরামর্শ দেয়। সেইসঙ্গে নির্মাতাদেরও বলা হয় বিষয়টির মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত জেবাকে নিয়ে কোনো নাটকের কাজ না করতে। অঘোষিত এই ‘সাময়িক নিষিদ্ধ’কালীনও দমে নেই অভিনেত্রী।
তিনি নাটকে কাজ করে যাচ্ছেন। বরং এখন আরও আগের চেয়ে বেশি নাটকের প্রস্তাব পাচ্ছেন বলে সম্প্রতি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এমনটাই জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
জেবা বলেন, আমাকে নিষিদ্ধ করার পর এখন আরও বেশি নাটকের প্রস্তাব পাচ্ছি। কিন্তু সব প্রস্তাব গ্রহণ করতে পারছি না। কারণ, বর্তমানে আমার এত সময় নেই। আমি ফার্মেসিতে পড়াশোনা করি, ইউনিভার্সিটিতে ক্লাস থাকে।
অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘আমি কাজ করব। আর যদি আমাকে একেবারে নিষিদ্ধ করা হয়, তাহলে ফার্মেসি বিষয়ের ওপর ক্যারিয়ার গড়ব। বিষয়টা এমন নয় যে আমাকে মিডিয়াতেই প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। তবে যারা অভিনয়ের জন্য প্রস্তাব দিচ্ছেন তারাও কিন্তু পরিচালক।’
গেল কয়েক দিন ধরে অসহযোগিতা ও অসদাচরণের কারণে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন জেবা। গেল ২০ জুন থেকে জেবা জান্নাতকে নাটকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করে ডিরেক্টরস গিল্ড। তাদের এক বিবৃতি মারফত জানা যায়, এ নিষেধাজ্ঞার ফলে তাকে নিয়ে আর কাজ করবে না কোনো নির্মাতা। এরপরই খবরের শিরোনামে রয়েছেন তিনি। অভিযোগের জবাবে নির্মাতা রাশেদা আক্তার লাজুক ও তার স্বামী সাজ্জাদ হোসেন দোদুলের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তোলেন জেবা।
এদিকে ডিরেক্টের’স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক এস এম কামরুজ্জামান সাগর বলেন, ‘যে সাক্ষাৎকারটি দিয়েছেন জেবা সেখানে তিনি মিথ্যাচার করেছেন। তাকে নিষিদ্ধ করা হয়নি। তার বিরুদ্ধে পুরনো একটি অভিযোগ এসেছে আমাদের কাছে। আমরা এর সমাধানের জন্য আলোচনা করেছি, বসেছি। কিন্তু সমাধান এখনো আসেনি। তাই সেই সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জেবাকে নিয়ে যেন কাজ না করা হয় সে নির্দেশ দেয়া হয়েছে নির্মাতাদের। পাশাপাশি জেবাকে বলা হয়েছে আলোচনায় বসতে। তিনি বসেননি।
এসবের মধ্যেই একজন নির্মাতার নাটকে অভিনয় করেন তিনি। সেটার শুটিং বন্ধ হয়ে যায় শুটিংয়ের অনুমতি না থাকায়। পুলিশ এসে শুটিং বন্ধ করেছে। আমাদের কোনো বিষয় এখানে নেই। আমরা চাই একটি সুন্দর সমাধান আসুক। দিনশেষে আমরা সবাই এক হয়ে কাজ করব। এগুলো সহজভাবে বুঝতে হবে। জটিলতা বাড়ালে সেটা বাড়তেই থাকবে এবং অনেক সমালোচনার জন্ম দেবে যা আমাদের কারোর জন্যই ভালো কিছু নয়।’