প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ মে ২০২৩ ১৫:৫৬ পিএম
আপডেট : ২৯ মে ২০২৩ ১৫:৫৭ পিএম
দেশের আরও অনেক গৌরবগাঁথার মতো ফরীদিও একটি গৌরব। কিন্তু প্রচণ্ড ভালো এই অভিনেতাকে আমরা দুর্দান্ত সব কাজ করার মতো পরিবেশ দিতে পারিনি। হতাশ হওয়ার আগেই সে চলে গেছে। তাই ফরীদির মৃত্যু আমার কাছে বেদনার নয়, দুঃখের। আমি তখন মতিঝিল কলোনিতে থাকতাম। বন্ধুদের মধ্যে তখন শুধু আমিই উপার্জন করতাম। অনেক বন্ধুই এসে তখন আমার বাসায় থাকত।
একদিন রাত করে ফিরছি। দরজার কাছে আসতেই ঘরের ভেতর থেকে কাশির শব্দ পেলাম। বুঝতে পারলাম ফরীদি এসেছে। আমার পায়ের শব্দে ফরীদিও বুঝতে পেরেছে আমি আসছি। ঘরে ঢুকে দেখলাম ফরীদির মুখটা বিষণ্ন। বললাম,‘তোর কি মন খারাপ?’ ফরীদি আমাকে ছোট বারান্দায় নিয়ে গিয়ে ওর গল্প শুরু করল।
বলল, ওর সৎমা ওকে অনেক কষ্ট দেয়। ওর এসব ভালো লাগে না। এসব শুনে আমারও মন খারাপ। সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি আর ওর মুখোমুখি হতে পারছি না, এমন একটা অবস্থা। বিষয়টা বুঝতে পেরে ফরীদি বলল, ‘ওগুলো সব তার বানানো গল্প।’ এমন অনেক স্মৃতি আছে তার সঙ্গে।
ঢাকা থিয়েটার করতে গিয়ে আমাদের পরিচয়। সেই থেকে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত গভীর সম্পর্ক অটুট ছিল। ঢাকা থিয়েটার করার সময় কত দিন আমরা একসঙ্গে আড্ডা দিয়েছি বেইলি রোডের নাটকপাড়ায়। সত্যি কথা বলতে ওর সঙ্গ ছিল দারুণ আনন্দের। ওর কথা শুনলে কেউ মন খারাপ করে থাকতে পারত না। পরিবেশটাই সুন্দর হয়ে উঠত। কী যেন একটা ম্যাজিক জানত ফরীদি!