প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ১ ঘণ্টা আগে
জয়া আহসান। ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে।
দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান-এর জন্মদিন আজ। অভিনয়ের নৈপুণ্য, ব্যক্তিত্ব ও সাধারণ জীবনযাপনের জন্য বরাবরই দর্শকের ভালোবাসায় সিক্ত এই গুণী শিল্পী। তবে জন্মদিন উদযাপন নিয়ে তার রয়েছে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টিভঙ্গি। একসময় কেক কেটে জন্মদিন পালন করলেও ২০১৭ সালের হোলি আর্টিজান হামলা-র পর থেকে এই আয়োজন বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি।

শুভাকাঙ্ক্ষীদের পাঠানো কেকের বেশির ভাগই বিল্ডিংয়ের নিরাপত্তাকর্মী ও আশপাশের মানুষের মধ্যে বিতরণ করে দেন। শুধু তাই নয়, বহু বছর ধরে নিজের জন্মদিনে রাস্তার কুকুরদের খাবার খাওয়ানোর অভ্যাসও ধরে রেখেছেন তিনি। পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্মদিনেও একই কাজ করেন জয়া।
গোপালগঞ্জে জন্ম নেওয়া জয়ার বাবা মুক্তিযোদ্ধা এ এস মাসউদ এবং মা রেহানা মাসউদ ছিলেন একজন শিক্ষিকা। ছোটবেলা থেকেই নাচ, গান ও চিত্রাঙ্কনের প্রতি ছিল তার গভীর আগ্রহ। অভিনয়ে পা রাখার আগে দীর্ঘদিন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি একটি সংগীত স্কুলও পরিচালনা করেছেন তিনি।
-6a44e9616c0b9.jpg)
২০০৪ সালে ব্যাচেলর সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হলেও গেরিলা-তে বিলকিস বানু চরিত্রে অভিনয় তাকে এনে দেয় ব্যাপক প্রশংসা ও জাতীয় স্বীকৃতি। ২০১৩ সালে তিনি বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ কান চলচ্চিত্র উৎসব-এ আমন্ত্রণ পান। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় এই অভিনেত্রী। ‘এনেছি সূর্যের হাসি’ ধারাবাহিকে অভিনয়ের পর নারী ও শিশু অধিকারবিষয়ক বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমেও যুক্ত হন তিনি।
অভিনয়ের প্রতি অসাধারণ নিষ্ঠা, চরিত্রের গভীরে প্রবেশ করার সক্ষমতা এবং সময়ের সঙ্গে নিজেকে প্রতিনিয়ত নতুনভাবে গড়ে তোলার মানসিকতার কারণেই জয়া আহসান আজ দুই বাংলার চলচ্চিত্রাঙ্গনের অন্যতম উজ্জ্বল মুখ। কর্মজীবনে তিনি পাঁচটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, তিনটি ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডসহ অসংখ্য সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। শিল্পসত্তা, সাফল্য ও মানবিকতার অনন্য সমন্বয়ে আজও দর্শকের হৃদয়ে সমানভাবে জায়গা করে আছেন এই নন্দিত অভিনেত্রী।