ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ সিরিজের দ্বিতীয় পর্বে দেখা গেছে অভিনেতা জায়েদ খান ও নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানিকে। ছবি: ফেসবুক থেকে
আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পেয়েছে প্রবাসীদের জীবনসংগ্রাম, স্বপ্ন ও বাস্তবতার গল্প নিয়ে নির্মিত আলোচিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ: ঈদ মোবারক। ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ’ সিরিজের দ্বিতীয় পর্বে দেখা গেছে অভিনেতা জায়েদ খান ও নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানিকে।
জন কবির এবং সাদ আল আমীনের যৌথ পরিচালনায় ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ’ সিরিজের দ্বিতীয় পর্ব হিসেবে নির্মিত এই বিশেষ এপিসোডটি মুক্তি পেয়েছে মঙ্গলবার।
বিশেষ এই পর্বের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে অভিনয় করেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত চিত্রনায়ক জায়েদ খান। এছাড়া বিশেষ একটি চরিত্রে দেখা গেছে নিউইয়র্কের প্রগতিশীল রাজনীতিক জোহরান মামদানিকে। একজন সক্রিয় রাজনীতিক হিসেবে মামদানির অভিনয়ে অংশ নেওয়া দর্শকদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে।
নির্মাতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, চলচ্চিত্রটি শুধু একটি কাল্পনিক গল্প নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতিদিনের জীবনসংগ্রাম, সাংস্কৃতিক টানাপড়েন, স্বপ্নভঙ্গ এবং নতুন করে বাঁচার চেষ্টার বাস্তব চিত্র এতে তুলে ধরা হয়েছে।
বিশেষ করে নিউইয়র্কে বসবাসরত অভিবাসীদের জীবনকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই পর্বে ঈদকে ঘিরে প্রবাসীদের আবেগ, একাকিত্ব এবং পারিবারিক দূরত্বের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। নির্মাতারা মনে করছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা বাংলা ভাষাভাষী দর্শকদের কাছে গল্পটি সহজেই সম্পর্কিত মনে হবে।
চলতি বছরের মার্চ মাসে মুক্তি পাওয়া ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ’এর প্রথম পর্বটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও প্রবাসী দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার প্রকাশ করা হলো দ্বিতীয় পর্ব ‘ঈদ মোবারক’।
চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেয়েছে ঠিকানা বাংলাদেশের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। মুক্তির পর থেকেই নিউইয়র্কসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে এটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এদিকে চলচ্চিত্রটিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন জায়েদ খান। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জোহরান মামদানির সঙ্গে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন তিনি। ছবিতে দেখা যায়, জায়েদ খানের কাঁধে হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছেন নিউইয়র্কের এই রাজনীতিক।
ছবির ক্যাপশনে জায়েদ খান লিখেছেন, “আসলে কী হচ্ছে এটা? মেয়র জোহরান মামদানি আমার কাঁধে হাত রাখছে? চমৎকার”।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জায়েদ খান বলেন, “একজন মেয়র হিসেবে জোহরান মামদানিকে সাক্ষাৎকার বা বক্তব্যের জন্য পাওয়া সম্ভব হলেও অভিনয়ের জন্য তাকে রাজি করানো সহজ ছিল না। তিনি জানান, বাংলাদেশিদের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা থেকেই জোহরান মামদানি এই প্রজেক্টে অংশ নিয়েছেন”।
জায়েদ খান আরও বলেন, “নির্বাচনে বাংলাদেশিদের ভূমিকা তিনি মনে রেখেছেন। সেই জায়গা থেকেই বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন”।