প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬ ১১:২২ এএম
ঈদুল আজহার বিশেষ টেলিছবি ‘জোহরা বেগমের ইচ্ছাপত্র’
চার প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীদের এক অনন্য মিলনমেলায় নির্মিত হয়েছে ঈদুল আজহার বিশেষ টেলিছবি ‘জোহরা বেগমের ইচ্ছাপত্র’। নির্মাতা আরিফ খান তার স্বতন্ত্র গল্প বলার ভঙ্গিতে এই কাজটি সাজিয়েছেন, যার শুটিং শেষ হয়েছে ঢাকার উত্তরা ও গুলশানের বিভিন্ন লোকেশনে।
এই টেলিছবির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর তারকাবহুল অভিনয়শিল্পী দল। একসঙ্গে পর্দায় দেখা যাবে ফেরদৌসী মজুমদার, আফজাল হোসেন, মামুনুর রশীদ, তৌকীর আহমেদ, দীপা খন্দকার, রওনক হাসান ও জাকিয়া বারী মমকে- যা একে পরিণত করেছে এক প্রজন্মান্তরের অভিনয়-সমাবেশে।
গল্পের কেন্দ্রে রয়েছেন জোহরা বেগম, একসময়কার খ্যাতিমান অভিনেত্রী, যিনি জীবনের শেষ প্রান্তে এসে নিজের বিশ্বাস ও বাস্তবতার কঠিন সংঘাতে পড়েন। চরিত্রটিতে অভিনয় করেছেন ফেরদৌসী মজুমদার। জীবনের পুরোটা সময় আদর্শে অবিচল থাকা এই নারী যখন বয়সের ভারে ক্লান্ত, তখন সেই আদর্শই হয়ে ওঠে পরিবারের ভেতরের দ্বন্দ্বের মূল কারণ। সন্তানরা বাস্তবতার যুক্তি তুলে ধরলেও জোহরা বেগম নিজের অবস্থান থেকে সরে আসতে নারাজ। ফলে ধীরে ধীরে সম্পর্কের ভেতর জমে ওঠে টানাপড়েন, তৈরি হয় গভীর সংকট।
পারিবারিক এই জটিল সম্পর্কের গল্পে বড় ছেলের ভূমিকায় আছেন আফজাল হোসেন। ছোট ছেলে ও তার স্ত্রীর চরিত্রে তৌকীর আহমেদ ও জাকিয়া বারী মম। অন্যদিকে মেয়ে ও জামাতার চরিত্রে দেখা যাবে দীপা খন্দকার ও রওনক হাসানকে। পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মামুনুর রশীদ। এই টেলিছবির আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো- এর গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন তৌকীর আহমেদ, যিনি দীর্ঘ বিরতির পর আবার টেলিছবির লেখালেখিতে ফিরলেন।
নির্মাতা আরিফ খান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গল্পের প্রতি তার বিশেষ মনোযোগই এই কাজের মূল শক্তি। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি ভালো গল্পই শিল্পীদের একত্রিত করে এবং দর্শকের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করে। দীর্ঘদিন পর টেলিভিশন পর্দায় ফেরদৌসী মজুমদারের প্রত্যাবর্তন এই টেলিছবিকে দিয়েছে বাড়তি আকর্ষণ।