সাইলেন্স : আ মিউজিক্যাল জার্নি
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০২৫ ১২:৩৪ পিএম
সংগীতে সাতবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন ইমন সাহা। এবার এই সুরকার ও সংগীতশিল্পী ইমন সাহা নির্মাণ করেছেন মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘সাইলেন্স : আ মিউজিক্যাল জার্নি’। তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমাটি ৭ নভেম্বর মুক্তি পাবে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ছবির ফার্স্ট লুক পোস্টার প্রকাশ করেছেন।
পোস্টারে প্রধান চরিত্রের তিন অভিনয়শিল্পী ইন্তেখাব দিনার, নীলাঞ্জনা নীলা ও সাইমন সাদিককে দেখা গেছে। এর আগে ইমন সাহা বলেছিলেন, গত অগাস্টে সেন্সর ছাড়পত্র হাতে পেয়েছি। আমাদের সিনেমা মুক্তির প্রস্তুতি চলছে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মুক্তি পেতে পারে।’ স্বল্পদৈর্ঘ্যের পরিকল্পনা থেকে সরে আসা প্রসঙ্গে ইমন সাহা বলেন, ‘স্বল্পদৈর্ঘ্য চিন্তা করেই শুরু করেছিলাম সিনেমাটি। কিছু অংশের শুটিং করেছিলাম। কিন্তু বানাতে গিয়ে দেখলাম, আমি যেটা বলতে চাইছি সেটা স্বল্পদৈর্ঘ্যে ঠিকমতো হচ্ছে না।
সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিই পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা বানানোর। নতুনভাবে চিত্রনাট্য সাজানো হয়। কিছু নতুন চরিত্র যোগ করা হয়েছে। এখন এটাকে ফিচার ফিল্ম বলা যায়।’ তিনি আরও ‘ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল চলচ্চিত্র পরিচালক হব। সময়, সুযোগ, সাহস কোনোটাই হয়ে উঠছিল না। অবশেষে অনেক সাহস করে নিজের প্রযোজনা সংস্থা থেকে উদ্যোগ নিলাম চলচ্চিত্র নির্মাণের। প্রথমে ভেবেছিলাম স্বল্পদৈর্ঘ্য দিয়ে শুরুটা হোক। পরে ভাবলাম, পূর্ণদৈর্ঘ্য কেন নয়! আমার এ নতুন পথচলায় আপনাদের সবার আশীর্বাদ, সহযোগিতা ও ভালোবাসা চাই।’
গ্রামের বাউল ঘরের এক মেয়ের সংগীত যাত্রা নিয়ে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। গানের জন্য গ্রাম থেকে শহরে আসা সেই মেয়েটির জীবনের নানা সংগ্রামের গল্প দেখা যাবে এতে। ইমন সাহা বলেন, ‘বাউল পরিবারে জন্ম হয় এক মেয়ের, সে ফোক গান, মাটির গান করে সে। এক সময় তাকে উৎসাহ দেওয়া হয় গ্রাম থেকে বের হয়ে এসে বড় পরিসরে গান করার। কিন্তু শহরে এসে মেয়েটি জৌলুস, যশ ও জনপ্রিয়তার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। এসব করতে গিয়ে তার ভেতরের গানের সত্তাটা সে হারিয়ে ফেলে। জাগতিক ও আধ্যাত্মিক জার্নির একটা সম্পর্ক দেখানো হয়েছে সিনেমায়।’ সাইলেন্স : আ মিউজিক্যাল জার্নি সিনেমায় অভিনয় করেছেন সাইমন সাদিক, নীলাঞ্জনা নীলা, ইন্তেখাব দিনার, আজাদ আবুল কালামসহ অনেকে। এই ফিচার ফিল্মের দৃশ্যধারণ করা হয় গত বছর।
কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক ও প্রযোজক সত্য সাহার ছেলে ইমন সাহা। ইমন সাহার বাবা সত্য সাহাও সংগীতের পাশাপাশি নির্মাণের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। পরিচালনা না করলেও ডজনখানেক সিনেমা প্রযোজনা করেছেন তিনি। ‘অশিক্ষিত’, ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘বিনিময়’, ‘রাম রহিম জন’, ‘পুরস্কার’, ‘তোমার জন্য পাগল’-এর মতো জনপ্রিয় সিনেমার প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।