প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০৯:০৭ এএম
রায়হান রাফী ও তমা মির্জা।
ঢালিউড অন্দরমহলে কান পাতলেই শোনা যায়Ñচুটিয়ে প্রেম করছেন রায়হান রাফী ও তমা মির্জা। শুটিংয়ের সময় কাছাকাছি আসেন। মন দেওয়া-নেওয়ার কাজটাও সেরে ফেলেন। যদিও এ কথা কখনও তারা স্বীকার করেননি। বরং চুপ থেকেছেন। পারস্পরিক সম্পর্ক ‘বন্ধুত্ব’ বলে চালিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু যা রটে তা তো কিছু ঘটে বইকি। নিজেদের অজান্তেই এ পরিচালক-অভিনেত্রীর ডুবে ডুবে জলপানের বিষয়টি প্রকাশ পেয়ে যায়।
তবে এখন শোনা যাচ্ছে, তাদের প্রেমের ছন্দপতন হয়েছে। দূরত্ব বজায় রেখে চলছেন তারা। সম্প্রতি এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তমার সঙ্গে প্রেম নিয়ে কথা বলেছেন রাফী। সেখানে জানিয়েছেন, অভিনেত্রীর সঙ্গে তিক্ত সম্পর্ক নেই। বন্ধুত্ব বজায় আছে। তার কথায়, ‘আমাদের মধ্যে সম্পর্কটা তিক্ততায় যায়নি। আগের মতোই বন্ধুত্বের জায়গায় আছে। তবে আমাদের নিয়ে যে গুঞ্জন রয়েছে, সেটা আসলে নেই।’
সরাসরি কিছু না বললেও তার কথায় বিচ্ছেদের সুর স্পষ্ট। এর কিছুটা ইঙ্গিত পাওয়া গেল ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া তমার বক্তব্যে। তিনি বলেন, ‘ভালোবাসা সরে গেলে বন্ধুত্ব থাকে? নাকি নতুন করে বন্ধুত্ব হতে পারে? সত্যিই আমার জানা নেই।’
তমার মতে বন্ধুত্বের গভীরতা অনেক। এটা ঠুনকো কিছু নয়। সেখানেও একটা সীমারেখা থাকে। তিনি মনে করেন, বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা হতে পারে। কিন্তু সে ভালোবাসায় টান ধরলে সঙ্গে সঙ্গে অন্তত বন্ধুত্বে ফেরা যায় না। এজন্য জন্য দুই পক্ষকেই মানসিকভাবে যথেষ্ট পরিণত হতে হয়। নিজেদেরও সময় দিতে হয়। অভিনেত্রী এখন নিজেকেই সময় দিচ্ছেন। এদিকে পেশাদার শিল্পী হলেও প্রাক্তন প্রেমিকের পরিচালনায় আর কাজ করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ‘আমিও পেশাদার। মাকে হাসপাতালে ভর্তি করে কাজ করেছি। কিন্তু এর থেকেও বেশি কিছু মায়ের সঙ্গে ঘটে গেলে তখন আমি কাজ করতে পারব না। একইভাবে ভালোবাসা মুছে গেলেও সেই মানুষটির সঙ্গে আগের মতো খুব স্বাভাবিকভাবে কাজ করে যাব, সেটাও পারব না। আমি অবশ্যই অভিনেত্রী, কিন্তু এতটাও পেশাদার নই।’
রায়হান রাফীর পরিচালনায় প্রথমবার ‘খাঁচার ভেতর অচিন পাখি’ ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করেছিলেন তমা মির্জা। এরপর ‘৭ নম্বর ফ্লোর’, ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমায় অভিনয় করেন। সিনেমায় আফরান নিশোর সঙ্গে জুটি বাঁধেন। যদিও এরপর এ পরিচালকের আর কোনো কাজে দেখা যায়নি তাকে।
বড়পর্দায় তমা মির্জার অভিষেক হয় ২০১০ সালে ‘বলো না তুমি আমার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। ২০১৫ সালে ‘নদীজন’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রের অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।