মুখোমুখি দুই নায়িকা
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ মে ২০২৪ ১০:৪৭ এএম
মিষ্টি জান্নাত ও তমা মির্জা। ছবি কোলাজ : প্রবা
ঢাকাই সিনেমার দুই নায়িকা মুখোমুখি লড়াইয়ে নেমেছেন। তারা হলেন তমা মির্জা ও মিষ্টি জান্নাত। কিছুদিন আগে মিষ্টির বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে জনসম্মুখে ক্ষমা চাওয়া এবং ১০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের নোটিস পাঠান তমা। সেই নোটিসের জবাব দিয়েছেন মিষ্টি। সেই সঙ্গে মিথ্যাচার করে তার মানহানি করায় তমার কাছে ২০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে নোটিস দিয়েছেন মিষ্টি। ২৭ মে মিষ্টির পক্ষে এ নোটিস পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এমডি কামরুজ্জামান কচি।
নোটিসে তমার পাঠানো অভিযোগের ব্যাখ্যা দিয়েছেন মিষ্টি। সেই সঙ্গে মিথ্যাচারে হয়রানি করায় তমাকে তিন দিনের মধ্যে জবাব দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এর মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পেলে ২০ কোটি টাকার মামলা করা হবে বলে জানিয়েছেন মিষ্টি।
জানা গেছে, মানহানিকর মন্তব্যের অভিযোগ এনে জনসম্মুখে ক্ষমা চাওয়া এবং ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মিষ্টির কাছে আইনি নোটিস পাঠান তমা। ২৩ মে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে তমা মির্জার পক্ষে নোটিসটি পাঠান তার আইনজীবী ব্যারিস্টার সজীব মাহমুদ আলম।
আগামী সাত দিনের মধ্যে এ নোটিসের জবাব দিতে বলা হয়। সেই নোটিসের জবাব দিয়েই পাল্টা নোটিস পাঠালেন মিষ্টি।
এ প্রসঙ্গে মিষ্টি জান্নাত বলেন, ‘পরিষ্কার বলতে চাইÑসাক্ষাৎকারে আমি তার নাম উল্লেখ করে কিছুই বলিনি। উনি কেন গায়ে মাখলেন জানি না। এখন আমি পাল্টা আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছি। এ রকম মিথ্যা নোটিস দিয়ে হয়রানি করার মানে কী? ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে আমার সম্মানহানি করায় উল্টো ২০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করতে যাচ্ছি।’
মূলত উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়কে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। মিষ্টি জান্নাতের একটি ভিডিও সাক্ষাৎকার মোটেও ভালোভাবে নেননি তমা মির্জা। সম্প্রতি তমা মির্জা নিজের ফেসবুকে এক স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। এতে তমা কারও নাম উল্লেখ না করলেও স্পষ্ট তিনি মিষ্টি জান্নাতকে ইঙ্গিত করে স্ট্যাটাসটি দিয়েছিলেন। এরপর সবকিছু ছিল নীরব ভূমিকায়। হঠাৎ তমার আইনি নোটিসের খবরে ফের উত্তাল ঢালিউড।
মিষ্টি জান্নাত বলেন, ‘বিষয়টি ছিল জয় (শাহরিয়ার নাজিম জয়) ভাই ও আমার মধ্যে। মাঝখানে তিনি এসে ঢুকে গেলেন! ইঙ্গিতপূর্ণ একটা স্ট্যাটাস দিয়ে শুরুটা কিন্তু তিনিই করেছেন। তার পরও আমি চুপচাপ ছিলাম। ঘটনা যখন শেষের দিকে তখন তিনি উড়ে এসে জুড়ে বসেছেন। কোনো ইউটিউবার যদি আমার সাক্ষাৎকারের সঙ্গে নিজের মনমতো থাম্বনেল এবং ক্যাপশন জুড়ে দেয় সেই দায়ভার তো আমি নেব না। কারণ আমি তো তাকে নিয়ে কিছু বলিনি। তিনি বিষয়টি নিয়ে আমার সঙ্গে কথা বলতে পারতেন। তা না করে আদালতে গেছেন। এখন আমিও আইনিভাবেই বিষয়টি দেখব।’
তবে মিষ্টির পাঠানো নোটিস এখন হাতে পাননি তমা।