× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

এত নিম্নমানের খাবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে!

শোয়াইব আহমেদ

প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৬:০৯ পিএম

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৯:১৯ পিএম

এত নিম্নমানের খাবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে!

ক্লাস না থাকলে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আসিফুর রহমান (ছদ্মনাম), যাতে সকাল আর দুপুরের খাবার একবারে সেরে নেওয়া যায়। সকালে ক্লাস থাকলে তো কথা নেই। ক্লাস শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে একবারে খেয়ে নেন। একে তারা বলেন ‘ব্রাঞ্চ’। শব্দটা এখন প্রতিষ্ঠিত বলা যায়। কী থাকে দুপুরের খাবারের তালিকায়- এমন প্রশ্নের উত্তরে আসিফ বলেন, ‘এ মাসে হলের মেসে টাকা জমা দিতে পারি নাই। ক্যান্টিনে খাচ্ছি। দুপুরে সাধারণত মাছ বা মুরগির মাংস দিয়ে ভাত। সঙ্গে পাতলা ডাল।’ তার বাইরে মাঝেমধ্যে সবজি খান বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের এই শিক্ষার্থী। দেশের প্রধান বিদ্যাপীঠে নিম্নমানের খাবারের এই চিত্র সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভাবনায় ফেলেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা যা খান তার দাম ও মান অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এক টুকরো মুরগির মাংস ও সবজি দিয়ে ভাত খেতে সর্বনিম্ন খরচ হয় ৫৫ টাকা। এক টুকরো মাছ ও এক বাটি সবজি দিয়ে খেতে লাগে ৪৫ টাকা। ডিম-সবজিতে পড়ে ৪০ টাকা। ছোট্ট দুই টুকরো গরুর মাংস ও সবজিতে খরচ ৬৫ টাকা। আলাদা হিসাব করলে ভাতের দাম বর্তমানে ১৫ টাকা (যতটুকু প্রয়োজন), দুই রকম সবজির দাম ৫ থেকে ১০ টাকা, মাছ ২৫ থেকে ৩০ টাকা, মুরগি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, গরুর মাংস ৫৫ টাকায় বিক্রি হয়। আমিষসমৃদ্ধ খাবার খেতে চাইলে একজন শিক্ষার্থীকে এক বেলায় সর্বনিম্ন ৮০ টাকা খরচ করতে হয়। আর হলের মেসে দৈনিক দুপুর ও রাতে খাবার বাবদ ৮০ টাকা হিসাবে কমপক্ষে ১৫ দিনের বিল একবারে জমা দিতে হয়। খাবারের মান বিবেচনায় ক্যান্টিনের চেয়ে মেসে খরচ কম। তা-ও সুষম খাবারের তালিকায় পড়ে না বলে এখানকার শিক্ষকরাই জানিয়েছেন। আবার এই খরচ বহন করতেও বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকে হিমশিম খেতে হয়। এ বিষয়ে আসিফ জানান, তিনি একটা টিউশনি করে সাড়ে ৩ হাজার টাকা পান। এ টাকাতেই তাকে মাস চলতে হয়। সবকিছু করতে হয় এ টাকা দিয়েই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক কাজী রেজাউল করিম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা ক্যান্টিন বা মেসে যে খাবার খায়, তা তাদের জন্য ব্যালেন্সড ফুড না। ছোট্ট এক পিস মুরগির মাংস বা মাছে তেমন খাদ্য উপাদান পাওয়া সম্ভব না। আমাদের খাবারের মধ্যে কোনো ফল থাকে না, সবজি কম থাকে, রান্নায় ভালো তেল ব্যবহার করা হয় না। ফলে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকেই যায়।’

মাসিক খরচের বিষয় চিন্তা করে অনেক শিক্ষার্থী খাবার কম খাচ্ছেন। এতে তাদের পড়াশোনার ওপর প্রভাব পড়ছে কি না, এ বিষয়ে অধ্যাপক রেজাউল বলেন, ‘মেধা বিকাশে যেসব খাদ্য উপাদান কাজ করে, তাতে যখন ঘাটতি থাকে তখন শিক্ষার্থীদের ওপর তার প্রভাব তো অবশ্যই পড়ে। তখন পুরোপুরি পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারে না তারা।’ একই বিভাগের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সুস্থ থাকার জন্য যে সুষম খাদ্য, বৈচিত্র্যময় খাদ্য, তার চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। পুষ্টিবিজ্ঞানের মৌলিক জ্ঞান থেকে বলতেই পারি, সুষম খাদ্য, বৈচিত্র্যময় খাদ্য এবং পরিমাণমতো খাদ্য গ্রহণ না করলে তার প্রভাব শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ওপর পড়বে।’

শিক্ষার্থীদের দৈনিক খাবারের তালিকা ও পুষ্টিমান

যারা সকালে নাশতা করেন, তাদের খাদ্যতালিকায় থাকে সাধারণত সবজি ও রুটি বা পরোটা। খুব কম শিক্ষার্থী দৈনিক সকালের নাশতার সঙ্গে ডিম খেতে পান। দুপুর ও রাতের খাবারের তালিকায় থাকে সাধারণত ভাত, মাছ, মুরগির মাংস (ফার্মের), গরুর মাংস, সবজি, পাতলা ডাল। বিকালের নাশতা বলতে সাধারণত এক-দুই পিস বিস্কুট বা পাউরুটি, কলা বা চটপটি। এসব নিয়মিত খেতে পান এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা হাতেগোনা। এবার দেখা যাক এই খাবারে কতটুকু শক্তি আছে।

ঢাকার পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন নিশি জানান, প্রতি ৩০ গ্রামের একটি রুটিতে থাকে ৭০ থেকে ৭৫ ক্যালরি, একটি ডিমে ৯০ ক্যালরি, ১০০ গ্রাম মিক্সড সবজিতে ৫০ ক্যালরি, ৬০ গ্রাম ভাতে ৭৫ থেকে ৮০ ক্যালরি, ৩০ গ্রাম মাছে ৪০ ক্যালরি, ৩০ গ্রাম মুরগিতে ৪০ থেকে ৬০ ক্যালরি, ৩০ গ্রাম ডালে ১০০ ক্যালরি। তাহলে শিক্ষার্থীরা যে খাবারগুলো খান, তা থেকে তারা কত ক্যালরি পান- এমন প্রশ্নের উত্তরে বিশ্ববিদ্যালয়টির পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকরা বলছেন, হলের শিক্ষার্থীরা দৈনিক যে খাবার গ্রহণ করেন, তা থেকে তারা ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ কিলোক্যালরি পান। আর তাদের প্রয়োজন সম্পর্কে শিক্ষকরা বলছেন, একজন শিক্ষার্থীর প্রতিদিন ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার কিলোক্যালরি গ্রহণ করা প্রয়োজন।

একজন সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় ও পরিমাণমতো ছয়টি উপাদানযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করতে হয়, যা পুষ্টিচাহিদা মেটানোর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধক্ষমতাও বাড়ায়। আমিষ, শর্করা, স্নেহ পদার্থ, খনিজ লবণ, ভিটামিন ও পানি গ্রহণ করলে দেহের ক্ষয়পূরণ, বুদ্ধিসাধন, শক্তি উৎপাদনসহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জিত হয়। সেজন্য একজন পূর্ণবয়স্ক শিক্ষার্থীর দৈনিক সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হয় সাধারণত ১ হাজার ৩০০ গ্রাম। সেটা এমন হতে পারে : ভাত ২৫০ গ্রাম, আলু ভাজি ১০০ গ্রাম, ছোট মাছ ৮০ গ্রাম, শাকসবজি ২৫০ গ্রাম, মৌসুমি ফল ২৫০ গ্রাম, মাংস ৫০ গ্রাম, চিনি-গুড় ২০ গ্রাম, দুধ ৩০০ গ্রাম। সেখানে হলের খাবারের তালিকায় থাকে ছোট্ট এক টুকরো মুরগি বা মাছ। 

অনুসন্ধানের সময় হলের অনেক শিক্ষার্থী বলেছেন, প্রয়োজনীয় খাবার খেতে তাদের দৈনিক খরচ হবে কমপক্ষে ২৪০ টাকা। এই খরচ বহন করা তাদের জন্য সহজ নয়। যতটুকু না খেলে নয়, ততটুকুতেই তারা সন্তুষ্ট থাকেন। দুর্মূল্যের এই বাজারে মাস শেষ করার জন্য খরচ কমানোর চেষ্টায় থাকেন বেশিরভাগ শিক্ষার্থী।

হলের ক্যান্টিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ১৮টি আবাসিক হল ও তিনটি হোস্টেল রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ১৩টি ছাত্রদের, পাঁচটি ছাত্রীদের এবং একটি বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য। বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইটের তথ্য : বর্তমান শিক্ষার্থী আছেন ৩৭ হাজার ১৮ জন। সব আবাসিক হলে বৈধ সিটের সংখ্যা প্রায় ১৭ হাজার। এর বাইরে অনেক শিক্ষার্থী হলগুলোতে বিভিন্নভাবে অবস্থান করেন। প্রতিটি হল ও হোস্টেলে ক্যাফেটেরিয়া রয়েছে। আবাসিক শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগই এসব ক্যান্টিন ও ক্যাফেটেরিয়ায় খাবার খান। সেই হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত অর্ধেক শিক্ষার্থী ক্যান্টিন ও ক্যাফেটিয়ার খাবার খান। এ ছাড়া ক্লাস করতে আসা অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের একটা অংশ এসব ক্যান্টিন ও ক্যাফেটেরিয়ায় দুপুরের খাবার খেয়ে থাকেন।

বিভিন্ন ক্যান্টিন ও ক্যাফেটেরিয়া ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগেই নিম্নমানের চাল রান্না হয়। ডালের যে পাত্র থাকে, তাতে ডালের পরিমাণ সামান্যই। এই ডাল নিয়ে অশ্লীল, নোংরা স্ল্যাং চালু আছে। কয়েকটি ক্যান্টিনের মালিক ও বাবুর্চিরা জানিয়েছেন, সকালে ২০০ থেকে ২৫০ শিক্ষার্থীর খাবার রান্না করেন তারা। দুপুরে ৫০০ আর রাতে ৪০০ থেকে ৪৫০ জনের রান্না হয়। ছাত্রীদের হলের ক্যান্টিনে রান্না কম হয়। তাদের অনেকেই নিজেরা রান্না করে খান।

শামসুন্নাহার হলের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আশরেফা খাতুন (ছদ্মনাম) বলেন, ‘শুধু খাবার বাবদ মাসে খরচ হয় ৪ হাজার টাকা। এই টাকা দিয়েও চাহিদামতো খাবার পাই না ক্যান্টিনে। খাবারের দামও বেড়েছে সম্প্রতি। সেই সঙ্গে কমেছে মান ও পরিমাণ। তার ওপর রান্না হয় অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে। কোনো রকমে খাওয়া যায় এটিই অনেক। পুষ্টিমানের দিকে নজর দেওয়ার সুযোগ নেই।’

চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তাওহীদ ইকবাল (ছদ্মনাম) ক্যাম্পাসজীবন চালিয়ে নিতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন বলে প্রতিদিনের বাংলাদেশকে তিনি জানিয়েছেন। তার ভাষ্য, ‘২০১৮ সালে আমার পড়াশোনা ও খাবার বাবদ যে টাকা খরচ হতো, করোনার পর ২০২২ সালে এসে সেই খরচ বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। খরচ জোগাতে এখন নিজের সঙ্গে যুদ্ধ করতে হয়। আবার খাবার বাবদ অতিরিক্ত খরচ করেও মানসম্মত খাবার পাচ্ছি না। ক্যান্টিনে গিয়ে খাবার প্লেটে নিয়ে না খেয়ে ফেলে রেখে চলে আসতে হয় প্রায়ই। দিনভর পরিশ্রম করে খাবার ঠিকমতো না হলে কীভাবে পরের দিন কাজ করব? সেজন্য বাইরে থেকে অতিরিক্ত খাবারও খেতে হয়। কিন্তু এই ব্যয় কোথা থেকে আসবে?’

ছাত্র সংগঠনের উদ্বেগ, ভর্তুকি দাবি

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠনগুলো খাবারের দাম ও মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক কাজী রাকিব হোসেন বলেন, ‘করোনার পরপরই আমরা দাম বাড়ার বিষয়ে প্রক্টরের সঙ্গে কথা বলেছি। লিখিত বক্তব্য দিয়েছি। তখন খাবারের দাম কমাতে ও মান বাড়াতে প্রয়োজনে ভর্তুকির জন্যও বিশ্ববিদ্যালয়কে বলেছি। কিন্তু তারা কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এখন খাবারের মান আরও কমেছে। দামও বেড়েছে।’ ক্যান্টিনগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণে এনে প্রয়োজনীয় ভর্তুকি দিয়ে শিক্ষার্থীবান্ধব করার দাবি জানান তিনি।

ক্যান্টিন-ক্যাফেটেরিয়া ঢেলে সাজানোর দাবি জানিয়েছেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সাদেকুল ইসলাম সাদিক। তিনি বলেন, ‘আমাদের দাবি ছিল ক্যান্টিনগুলো যাতে ডাইনিংয়ের মতো করে ফেলা হয়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ থাকবে। যেমন ডাকসু ও টিএসসি ক্যাফেটেরিয়া চালায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রশাসন চাইলেই এটা করতে পারবে।’ কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগ নেয়নি বলে ছাত্রনেতারা অভিযোগ করেছেন। ডাকসু ও টিএসসি ক্যাফেটেরিয়ায় ভর্তুকি দেওয়া হয়। হলের ক্যান্টিনে দেওয়ার কোনো চিন্তাভাবনা নেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত বলেন, ‘দৈনিক যে পুষ্টি শিক্ষার্থীদের দরকার তারা তা পাচ্ছেন না। আমরা উপ-উপাচার্যদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে খাবারের মান বাড়ানোর বিষয়টি বলেছি। তারাও আমাদের এ বিষয়ে সমন্বয় করে কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা আপাতত অবজার্ভ করছি। উন্নতি না হলে প্রয়োজনে আন্দোলনে নামব।’

কর্তৃপক্ষ যা বলছে

হলগুলোর ক্যান্টিন ও মেস দেখার জন্য একজন করে শিক্ষক দায়িত্বে থাকেন। তিনি মাসে এক থেকে দুবার পরিদর্শন করেন। কিন্তু তাদের পরামর্শ বাস্তবায়ন হয় না। ফলে যে খাবার দেওয়া হয় তা-ও স্বাস্থ্যকর না। কর্তৃপক্ষ তা অবগত বলে স্বীকারও করেছে।

উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘সবকিছুর দামই তুলনামূলকভাবে বেশি। হলগুলোতে খাবারের দাম সে তুলনায় কম আছে। গুণগত মান নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি হল প্রশাসনগুলো গুরুত্বসহকারে দেখছে। ক্যান্টিনগুলোও তারা পর্যবেক্ষণ করে। তাদেরকে এ ব্যাপারে গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।’

এ বিষয়ে দায় এড়িয়ে গেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট স্টান্ডিং কমিটির সভাপতি ও বিজয় একাত্তর হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক আব্দুল বাছির। তিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহীদের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলা উচিত। শিক্ষার্থীদের জন্যই আমরা। শিক্ষার্থীরা আমাদের জানালে আমরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে পারব। এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের একটা লিখিত বক্তব্য প্রয়োজন।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা