× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে আন্তর্জাতিক মান নেই জবির ২৩ বিভাগে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১০:০১ এএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

বিশ্বব্যাপী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অনুপাতের ন্যূনতম মানদণ্ড ধরা হয় ১ঃ২০। অর্থাৎ প্রতি ২০ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক থাকতে হবে ন্যূনতম একজন। জাতীয় পর্যায়েও দেশের সব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রচলিত এই মানদণ্ড অনুসরণে দীর্ঘদিন ধরেই নির্দেশনা দিয়ে আসছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। কিন্তু তা পূরণ করতে পারেনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২৩টি বিভাগ। এমন তথ্য উঠে এসেছে ইউজিসির সম্প্রতি প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৮টি বিভাগে শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক মান আছে মাত্র ১৫টি বিভাগে। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট বিভাগের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। বাকি ২৩টি বিভাগের মধ্যে নয়টি বিভাগ এই মানদণ্ডের ধারেকাছেও নেই।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ১৫ হাজার ৯৬০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক সংখ্যা মাত্র ৬৭৮ জন। অর্থাৎ ২৪ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন শিক্ষক। এর মধ্যে প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষক শিক্ষা ছুটিতে রয়েছেন।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ১ঃ২৪ এর মধ্যে আছে সর্বোমোট ২১টি বিভাগ। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট বিভাগের প্রায় অর্ধেক। এই বিভাগগুলো ছাড়া ১ঃ২৫ থেকে ১ঃ৩০ এর মধ্যে রয়েছে মাত্র আটটি বিভাগ। ১ঃ৩১ থেকে ১ঃ৩৫ এর মধ্যে পাঁচটি বিভাগ ও ১ঃ৩৬ থেকে ১ঃ৪০ এর মধ্যে রয়েছে চারটি। এর মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে সবচেয়ে পিছিয়ে আইন বিভাগ। এই বিভাগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ১ঃ৪০। অর্থাৎ প্রতি ৪০ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন শিক্ষক। একই দশা ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগেও। এই বিভাগে ৩৯ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন করে শিক্ষক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সরকার আকী আক্কাস প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমাদের কয়েকজন শিক্ষক বাইরে রয়েছেন। ইতোমধ্যে নতুন দুইজন শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে প্রশাসনকে জানিয়েছি। সেই অনুযায়ী নিয়োগ হলে এই তারতম্য কমে আসবে।’

এদিকে সবচেয়ে করুণ অবস্থায় থাকা বাকি বিভাগগুলোর মধ্যে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে একজন শিক্ষকের বিপরীতে শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩৭, হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থাপনায় ৩৬, লোক প্রশাসন বিভাগে ৩৫, ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন বিভাগে ৩৪, ইতিহাস বিভাগে ৩৩ জন করে শিক্ষার্থী।

বিভাগগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে ফার্মেসি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ। এই দুই বিভাগে প্রতি ১০ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন করে শিক্ষক। এছাড়াও মাইক্রোবায়োলজিতে ১২, প্রাণিবিদ্যা ও উদ্ভিদবিজ্ঞানে ১৬, বায়োটেকনোলজি এন্ড মলিকিউলার বায়োলজিতে ১৭, মনোবিজ্ঞানে ১৮ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন করে শিক্ষক।

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়টি তুলনামূলকভাবে নতুন। যার ফলে সব বিভাগে পর্যাপ্ত শিক্ষককের নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ধীরে ধীরে সবগুলো বিভাগকেই এই মানদণ্ডের ভিতরে আনা হবে।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা