ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছয়টি আবাসিক হলে আংশিক কমিটি ঘোষণা করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। ছবি: উইকিপিডিয়া
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছয়টি আবাসিক হলে আংশিক কমিটি ঘোষণা করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তাহমিদ আল মুদ্দাসির চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আল আমিন সরকার এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল্লাহ বৃহস্পতিবার এক বছরের জন্য এসব কমিটির অনুমোদন দেন।
ঘোষিত হল শাখাগুলো হলো- মাস্টারদা সূর্যসেন হল, বিজয় একাত্তর হল, সার্জেন্ট জহুরুল হক হল, হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল এবং অমর একুশে হল।
ঘোষিত কমিটিতে মাস্টারদা সূর্যসেন হল শাখার আহ্বায়ক করা হয়েছে সাকিবুল হাসানকে এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে মো. আরমানুল ইসলামকে।
বিজয় একাত্তর হল শাখার আহ্বায়ক হয়েছেন আমিনুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব হয়েছেন সর্দার তানভীর বিন নজরুল।
অমর একুশে হল শাখার আহ্বায়ক হয়েছেন রুবায়েত হাসান রিমন এবং সদস্য সচিব হয়েছেন দিনাত হক।
সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখার আহ্বায়ক হয়েছেন আল মেহরাজ শাহরিয়ার মিথুন এবং সদস্য সচিব হয়েছেন নাজিমুদ্দিন সাইফ।
হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল শাখার আহ্বায়ক হয়েছেন সাইদুর রহমান শাহিদ এবং সদস্য সচিব হয়েছেন সাঈদ আফ্রিদী।
মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল শাখার আহ্বায়ক হয়েছেন শাহরিয়ার ইয়ামিন এবং সদস্য সচিব হয়েছেন মুশফিক হাসান।
সংগঠনটির নেতারা জানিয়েছেন, আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে। পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রম বিস্তারে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
হল কমিটি ঘোষণার বিষয়ে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার বলেন, “বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে প্রকাশ্যে ও বিভিন্ন আঙ্গিকে রাজনৈতিক চর্চা চলমান। এমতাবস্থায় একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ, গবেষণাবান্ধব বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে হলগুলোতে অনেকেই জাতীয় ছাত্রশক্তির সরব উপস্থিতি আশা করে।”
তিনি বলেন, “এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে ছাত্রদল কর্তৃক সাংবাদিক ও ডাকসু নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় হলে অবস্থানরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতি ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে; অনেকেই আগের মতো প্রশ্ন করার সাহস হারিয়ে ফেলছেন। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের অধিকারের পক্ষে কণ্ঠ সোচ্চার করতেই ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ হলভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন করেছে।”