চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬ ১৮:৩৯ পিএম
আপডেট : ০৫ মে ২০২৬ ১৯:৪৬ পিএম
সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ’র সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (পুরকৌশল) বিভাগে ফেস্ট ও বিদায় অনুষ্ঠানের র্যালি।
সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ’র সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (পুরকৌশল) বিভাগের গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও ফেস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস বায়েজিদের আরেফিন নগরে মঙ্গলবার পুরকৌশল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সায়মা আকতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ড. শরীফ আশরাফউজ্জামান। বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক প্রকৌশলী ড. মোজাম্মেল হক, রেজিস্ট্রার এএফএম মোদাচ্ছের আলী, অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে র্যালি ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উপাচার্য। পরে আমন্ত্রিত অতিথিরা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রকাশনা ম্যাগাজিন ‘অ্যাংকর’ এর মোড়ক উন্মোচন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইইবি’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম বলেন, পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে অপার সম্ভাবনা ও সুযোগ। অন্যান্য পেশার মতো এই পেশায় বয়সের কোন বাধা নেই। সুতরাং বয়স বেশি হলেও পুরকৌশল বিভাগের প্রকৌশলীদের কাজ করার সুযোগ থাকে। আমাদের খনিজ সম্পদ নেই, জনশক্তিকে যুগোপযোগী ও গুণগত শিক্ষার মাধ্যমে সম্পদে পরিণত করতে হবে। যারা ডিগ্রি অর্জন করেছেন সবাইকে অভিনন্দন। আশাকরি এ ডিগ্রি আপনাদের ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যতকে সমৃদ্ধ করবে। আপনাদের যেকোন সহযোগিতায় আইইবি সবসময় পাশে থাকবে। এই শিক্ষা যাতে দেশ ও জাতির কল্যাণে আসে সেই দিকে লক্ষ্য রাখতে পরামর্শ দেন তিনি।
উপাচার্য ড. শরীফ আশরাফউজ্জামান বলেন, সাউদার্ন ইউনিভার্সিটিতে নতুন নতুন উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের জন্য রিসার্স সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এসময় তিনি গবেষণা কেন্দ্র ও প্রকৌশল অনুষদের উন্নয়নে আইইবি’র আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। আগামীতে দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অধ্যাপক প্রকৌশলী ড. মোজাম্মেল হক বলেন, বর্তমানে আউটকাম বেসড কারিকুলামে জোর দেওয়া হচ্ছে। আমাদের প্রকৌশল অনুষদের শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠনে আইইবি’র আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। যদি
আইইবি পাশে থাকে তাহলে শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রে আরও বেশি সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তিতে সহায়ক হবে।