× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

প্রেমে ও দ্রোহে সমানে দ্বিখণ্ডিত এক সম্পূর্ণ কবি

মারুফ কামাল খান

প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:১৫ পিএম

আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:১৫ পিএম

মাহমুদ শফিক তার বয়সের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সময় ধরে লিখে চলেছেন অনবরত।  গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

মাহমুদ শফিক তার বয়সের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সময় ধরে লিখে চলেছেন অনবরত। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

ঘৃণা এবং প্রেম, স্বচ্ছতা এবং গভীরতা, অসাধারণ সারল্য এবং নিবিষ্ট তাত্ত্বিকতা, বিনম্রতা এবং দ্রোহ, আনন্দ এবং বেদনা একাকার হয়ে যাওয়া এক বিরল ঘটনা। কিন্তু এই আপাত বিরোধ আমরা প্রত্যক্ষ করি মাহমুদ শফিকের মধ্যে। যৌবনের সিংহদরোজা পেরিয়ে পরিণত বয়সের দিকে অনেক দূর হেঁটে এসেছেন মাহমুদ শফিক ইতিমধ্যেই। কিন্তু বয়স যাই হোকÑ মননে এবং কাব্যে তিনি এখনও এক ঈর্ষণীয় দীপ্ত তরুণ। এ আগ্নেয় তরুণের উষ্ণ ঘনিষ্ঠতার এক আগ্রাসী মোহ প্রচণ্ড শক্তিতে টেনে নেয় বারবার। তেমনিভাবে টানে তার কবিতাও।

ব্যক্তি মাহমুদ শফিক যেমন প্রচণ্ড ঘৃণায় কুঞ্চিত, আবার প্রগাঢ় ভালোবাসায় আপ্লুত। স্বচ্ছতায় যেমন স্ফটিক গভীরতায় তেমনি অতলান্তিক। যেমন রজনীগন্ধার মতো তার বিনম্র সম্ভাষণ, তেমনি পর্বতশৃঙ্গের মতোই অটল তার দ্রোহ। মাহমুদ শফিকের কবিতাও তার ব্যক্তি চরিত্রের সাথে মিশে যায় হুবহু। এক্ষেত্রে কোনো বৈপরীত্য অনুভব করা যায় না। খণ্ড খণ্ড ঘটনায় মাহমুদ শফিক যেমন, অবিকল তেমনি তাকে দেখা যায় তার বিভিন্ন কবিতা ও কাব্যের মধ্য দিয়ে। পরিপূর্ণ এক মাহমুদ শফিককে একত্রে দেখা হয়ে ওঠেনি এতদিনে। কিন্তু তিনি সেটা সম্ভব করেছেন। প্রায় সমগ্র নিজেকে ঝকঝকে মলাটে মুড়ে আমাদের সামনে হাজির করেছেন এবারে ‘মাহমুদ শফিকের নির্বাচিত কবিতা’ শিরোনামে।

মাহমুদ শফিক তার বয়সের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সময় ধরে লিখে চলেছেন অনবরত। রকমারি লেখায় হাত চালিয়েও শফিক মূলত কবি। কবিতাই তার প্রধান পরিচয়। ‘না প্রেমিক, না বিপ্লবী’ এই ক্লীব অভিধার স্পষ্ট বিপরীতে উজ্জ্বল কাব্য-তরুণ মাহমুদ শফিক প্রেমিক এবং বিপ্লবী দুই-ই। সকল শোভন ও সুন্দরের প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসার তিনি কাতর, অসুন্দর এবং অসামঞ্জস্যের বিরুদ্ধে তার প্রচণ্ড ক্রোধ, সংক্ষোভ, দ্রোহ ও বিপ্লব। শফিকের হাতে নির্মিত প্রায় সকল কবিতার শরীর জুড়েই রয়েছে এই দ্বৈত চেতনার তীব্র অনুরণন। এক্ষেত্রে তিনি দুনিয়ার তাবৎ অকৃত্রিম কাব্য প্রতিভার মতোই ভালোবাসায় এবং দ্রোহে সমানে দ্বিখণ্ডিত। একজন খাঁটি কবির যে গুণ, মাহমুদ শফিকের মধ্যে আমরা দেখে আসছি তার পরিপূর্ণ উপস্থিতি। জোর করে টেনে আনা কিংবা আরোপিত আবেগ-উচ্ছ্বাস থেকে তিনি পুরোপুরি মুক্ত, কোনো কৃত্রিমতা তাকে ছুঁতে পারে না। তার সকল অনুভব এবং উচ্চারণ একশো ভাগ স্বতঃস্ফূর্ত এবং অন্তর্গত নিখাদ চেতনা থেকে যেমন উৎসারিত, আবার তেমনি তা পরিশীলিত এবং শিল্পোত্তীর্ণ। তার মধ্যে কোথাও কোনো কষ্ট-কল্পনা নেই, কবিতার উপমা-উৎপ্রেক্ষা নির্বাচনেও তাকে অপরিচিত কিংবা অদৃষ্ট কোনো পরিমণ্ডলের দিকে ছুটে যেতে হয়নি। নিজস্ব প্রিয় পরিবেশ থেকে মুঠো ভরে একান্ত শব্দ ও উপমা তুলে এনে শফিক নির্মাণ করেছেন তার বাক প্রতিমা। এখানে তিনি মগজ এবং মনন অর্থাৎ বুদ্ধি ও হৃদয় দুটোকেই সমানে ব্যবহার করেছেন নিখুঁত ও নিটোল পারঙ্গমতায়।

এ যাবৎ প্রকাশিত মোট তিনখানা কাব্য থেকে ৬০ এবং অপ্রকাশিত চারটি কাবা থেকে ১১৪, এই ১৭৪টি কবিতা ছেঁকে তুলে এনে মাহমুদ শফিক গ্রন্থি করেছেন তার ‘নির্বাচিত কবিতা’। ১৯৭৩-৯০ সময়কালের মধ্যে তার এই নির্বাচিত কাব্য ইমারত নির্মিত হয়েছে। স্বদেশ, ঐতিহ্য, ইতিহাস, নিসর্গ, স্বাধীনতা, যুগযন্ত্রণা, যুদ্ধ, যান্ত্রিকতা, শোষণ, বঞ্চনা, রাষ্ট্রবিপ্লব, প্রেম, হৃদয়বৃত্তি, শান্তির অন্বেষা, মধ্যবিত্ত মানস, শ্রেণি দ্বন্দ্ব, নৈরাশ্য, সাহস, অঙ্গীকার, আন্তর্জাতিকতা, জীবন-সংগ্রাম, মারণাস্ত্র, নৃশংসতা, চক্রান্ত, একাকিত্বÑ এসবই তার কাব্যের উপজীব্য। মোটকথা সমকালীন কাব্য ভুবনের প্রায় সকল আধুনিক উপাদান থেকেই মাহমুদ শফিক নির্বাচন করেছেন তার কবিতার বিষয়বস্তু। তবে আধুনিক কবি মানসের যে স্বাভাবিক প্রবণতা, নৈরাশ্যকে বুকে জড়িয়ে নিয়ে পাঠকের মধ্যে তা সংক্রমিত করে দেওয়াÑ তিনি তা থেকে নিজেকে মুক্ত রেখেছেন। তিনি বারবার নতুন প্রত্যাশা ও অঙ্গীকারে দীপ্ত এবং সেই স্বপ্ন ও প্রত্যয়কে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন সবখানে। আর এদেশের প্রতি প্রগাঢ় দুর্বলতা তার কাব্যের একটি চোখে পড়ার মতো বৈশিষ্ট্য। কিন্তু এর সবকিছুই তিনি শিল্পিত ও সুষমামণ্ডিত করে তুলে ধরার ক্ষেত্রে দেখিয়েছেন চমৎকার নৈপুণ্য। 

স্বদেশপ্রেম তার কবিতায় কোনোক্রমেই স্লোগানে পর্যসিত হওয়ার সুযোগ পায়নি। মাহমুদ শফিকের কবিতার ভুবনে আঁতিপাঁতি করে খুঁজেও অকাব্যিকতার খানা-খন্দক কিংবা অতি উচ্ছ্বাসের চড়াই-উতরাই চোখে পড়ে না। এটা তার একটা বড় রকমের সাফল্য।

আধুনিক বাংলা কবিতার অনেক খ্যাতিমান কবির মধ্যেও এ ত্রুটি লক্ষণীয়। তাদের অনেকের কিছু কবিতা পরম কবিতা কিংবা কিছু পঙ্‌ক্তি ও উপমা ঝলসে ওঠার মতো হলেও অনেক কবিতাই কবিতা হয়ে ওঠেনি। অনেক পঙ্‌ক্তি অপাঙক্তেয় হওয়ার যোগ্য এবং অনেক উপমার ব্যবহার জবরদস্তিমূলক। কিন্তু কবি এ দুর্নাম তাকে দেওয়ার মতন কোনো ফাঁকফোকর রাখেননি। তার প্রতিটি কবিতাই নিটোল এবং ব্যবহৃত প্রতিটি বর্ণই প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। শব্দ প্রয়োগের ক্ষেত্রে এ মুন্সিয়ানা ও কৃতিত্বকে প্রশংসা করতেই হবে। প্রচলিত ধারা ও ফর্মের মধ্যে থেকে ছন্দের বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও কারুকার্য করতে গিয়েও মাহমুদ শফিক উতরে গেছেন। তার ছন্দ কোথাও স্খলিত হয়নি কিংবা শ্রবণেন্দ্রিয়কেও পীড়িত করেনি। তার কোনো কবিতাই তাই একান্ত নিভৃতে কিংবা সশব্দ উচ্চারণে পাঠ কিংবা আবৃত্তি করতে কেউই অস্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করবেন বলে মনে হয় না। তিনি তার নিজের মধ্যে স্বদেশ, স্বজাতি এবং অখণ্ড মানবতাকে নিবিড় গভীরতায় আঁকড়ে রেখেছেন। সে কারণে বারবার তিনি তার কবিতায় সমগ্র দেশ, জনগণ এবং মানব বিশ্বের প্রতিভূ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন নিজেকে। মানুষের কষ্ট, বেদনা, আনন্দ, স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা, বিষাদ, নৈরাশ্য ও প্রতিজ্ঞাকে তিনি আত্মস্থ করেছেন, আবার তা ব্যক্ত করেছেন নিজস্ব অনুভূতির মোড়কে। ব্যক্তি মাহমুদ শফিক এভাবে তার কবিতায় সার্থকভাবে হয়ে উঠেছেন সমষ্টির প্রতীক। তার কবিতায় এই দেশ, এর নিগৃহীত অসংখ্য মানুষ, আদিগন্ত বিস্তৃত বিশাল শস্যক্ষেত, শ্যামলিমায় ঢাকা অনাদিকালের সেই সুনিবিড় গ্রামবাংলা, দক্ষিণের তটে আছড়ে পড়া সাগরের তরঙ্গ ভঙ্গ, লাঙলের মুঠি ধরা কৃষকের সংগ্রামী জীবন, শ্রমিকের বলিষ্ঠ বাহু, কিষাণীর সরল প্রেম থেকে শুরু করে সমগ্র বাংলাদেশ কথা বলে ওঠে কলকণ্ঠে। স্বাদেশিকতাকে এভাবে আত্মস্থ করতে পেরেছেন বলেই কবি দীপ্ত অহঙ্ককারে উচ্চারণ করতে পেরেছেন নির্দ্বিধায় ‘খুলে ফেল আমার হৃৎপিণ্ড/ তারপর দেখ/ জন্মভূমির সুবিশাল অরণ্য চিরে/ যদি না পাও মাটির সুগন্ধ/ পরিচিতি হরিতের অভিসারে/ যদি না থাকে আমার ভালোবাসা/ তবে এ লাশ আমার ফেলে দিও জলে… (অহঙ্কার/ ঝর্ণার পাখি)।

মাহমুদ শফিকের ব্যবহৃত উপমা উৎপ্রেক্ষা সম্পর্কে বেশি কথা না বলে কয়েকটি উদ্ধৃতি তুলে ধরলেই সম্ভবত: কাব্যবোদ্ধা পাঠকের জন্য যথেষ্ট হবে। যেমন : ক্যাসেটে এখন বাজছে মৌন রাত/ কাস্তে থেকে আমার ঝরছে সোনালি বিক্ষোভ? পর্বতমালার মতো হৃদয়ে জাগছে গোলাপ ফোটার শব্দ/ মনে হলো পাওয়ার পাম্প দিয়ে সেচে ফেলা হয়েছে তার একজোড়া নীল চোখ/ প্রদীপের শিখার মতো দুলে দুলে স্বয়ংক্রিয় পৃথিবীর অভ্যন্তর/নিসর্গ বিনাশী মাতাল ট্রাকের হর্ন থেকে ঝরে পড়ছে সবুজ পাতার বন্দনা/ বালকের রাঙা গালের মতো তুলতুলে নরম চাঁদ/ রেটিনার কোহিনূরে ডুবন্ত স্বপ্নের দ্বীপে খুলে গেলে বুকের অ্যালবাম ইত্যাদি।

সমাজমনস্ক কবি মাহমুদ শফিক শ্রেণি দ্বন্দ্ব, শোষণ এবং সমাজ বদলের তাড়নায় প্রগতিশীল অন্যান্য সমকালীন কবির মতোই আলোড়িত ও আন্দোলিত হয়েছেন এবং কবিতায় ঘটেছে তার শৈল্পিক প্রকাশ। ‘ভেতরে নীরব যাত্রী’ কাব্যের ‘ধান শিশু’ কবিতায় আমরা দেখিÑ ‘আকাশ ফাটিয়ে/ একজন কৃষক বলে উঠল/ এই ধান আমার এই ধান আমার/ পৃথিবীর সকল অস্ত্রের বিরুদ্ধে/ প্রবাহিত হলো তার চিৎকার/ যুগ থেকে যুগে/ ঘর থেকে ঘরে/ কৃষকের যকৃৎ থেকে ঝরল রক্ত/ পৃথিবীর/ সারা বুক রক্তাক্ত করে/ ফুটে উঠল একটি ধান শিশু/ সমবণ্টনের নতুন অধিকার নিয়ে/ বলল সে/ এই ধান কৃষকের…।’

কবি, গীতিকার, প্রাবন্ধিক, গবেষক, সংগঠক মাহমুদ শফিক পেশাগত জীবনে একজন সাংবাদিক। পেশার অঙ্গনে তার উপজীব্য হচ্ছে সমসাময়িকতা। কিন্তু কবিতাকে হতে হয় সময়ের গণ্ডি ভেঙে কালোত্তীর্ণ। তাহলেই কবিতা হয়ে ওঠে সার্থক। সমসাময়িক ঘটনা, রাজনীতি, সংগ্রাম, আলোড়ন-বিলোড়নকে কবিতার ফ্রেমে বন্দি করে কাল ও শিল্পের মাপকাঠিকে তা উতরে নিতে পারলে কবি প্রতিভা হয়ে ওঠে প্রোজ্জ্বলতর। সমকালীন জনমানসকে অনেক সার্থক কবিই ধরে রেখেছেন তাদের কবিতায়। মাহমুদ শফিকের মধ্যেও সে প্রয়াস লক্ষণীয়। নব্বইয়ের দশকে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের নিরাপস সংগ্রাম, সেই সংগ্রামের নেতৃত্ব এবং প্রতিপক্ষ ইত্যাকার বিষয়কে কবিতায় এনেছেন মাহমুদ শফিক। ‘ভেতরে নীরব যাত্রী’ কাব্যের ‘স্লোগান’ কবিতায় আমরা কবি এবং সাংবাদিক মাহমুদ শফিককে একাকার হয়ে যেতে দেখি। জনচিত্তের প্রগাঢ় বিলোড়নকে প্রতীকী উপস্থাপনার মাধ্যমে একজন দক্ষ রিপোর্টারের মতোই তিনি তার কবিতায় এভাবে তুলে ধরেন... একজন কৃষক ফসলের আঁটি মাথায়/ দাঁড়াল আঙিনায়/ তার চোখ থেকে ঝরল/ ঝর্ণাভোর/ মুখের কুঞ্চিত ভাঁজে ভাঁজে/ নদীর মতো জাগল/ বয়সের রেখা/ তালি দেওয়া শার্টের মতো/ মেঘাচ্ছন্ন আকাশের দিকে/ তাকিযে তাকিয়ে/ সে শুধু হাসল একবার/ তারপর মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে দিল/ উপরের দিকে/ এবং চিৎকার করে বলল/ খালেদা জিয়া জিন্দাবাদ/ টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত/ বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রাম/ কম্পিত হলো একই স্লোগানে।’

নির্বাচিত কবিতায় স্থান পাওয়া মাহমুদ শফিকের প্রকাশিত কাব্য তিনটি হচ্ছেÑ ভেতরে নীরব যাত্রী (১৯৮৮), ছবি প্রকাশিত হলে (১৯৭৩) এবং কোকিলের বাণিজ্য ভবন (১৯৭৫)। অপ্রকাশিত চারটি কাব্য হচ্ছেÑ ঝর্ণার পাখি (১৯৭৮), বিদ্যুতে বাঁধা বুক (১৯৮০), দহনের পিপাসা (১৯৯০) এবং ভেতরের গল্প (১৯৯০)। নির্বাচিত কবিতা গ্রন্থনার ক্ষেত্রে প্রকাশনার অনুক্রম কবি কেন মেনে চলেননি তার কোনো ব্যাখ্যা অবশ্য তিনি দেননি।

পুরো কাব্যকীর্তি সম্পর্কে আলোকপাত করাটা এ লেখার উদ্দেশ্য নয়। এই কবি ও তার ১৭৬ পৃষ্ঠার এই নির্বাচিত কবিতা গ্রন্থের ওপর বিশদ আলোচনার মাধ্যমে মাহমুদ শফিকের কবিতা সম্পর্কে একটি প্রাথমিক ধারণা দেওয়ার মাধ্যমে পাঠককে অনুসন্ধিৎসু করে তোলার চেষ্টা এখানে করা হলো মাত্র।

এ গ্রন্থের ব্যাপক প্রচার যে আমি কামনা করি, তা বলাই বাহুল্য। বর্ণবীণা প্রকাশনী হোয়াইট প্রিন্টের এ বইটির দাম একশ টাকা খুব কমই রেখেছে। কম্পিউটার প্রযুক্তির যুগে মুদ্রণ পারিপাট্য সম্পর্কে বলার দরকার নেই। প্রচ্ছদশিল্পী সৈয়দ লুৎফুল হককে কৃতিত্ব দিতেই হবে খুবই শোভন-সুন্দর আকর্ষক প্রচ্ছদের জন্য।


*লেখাটি মাহমুদ শফিকের নির্বাচিত কবিতা’র পাঠ প্রতিক্রিয়া হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল সাপ্তাহিক বিচিত্রায় ১৯৯৪ সালে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা