× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

আঁতেল হাকিমের প্রেম

স্বরলিপি

প্রকাশ : ১৪ মার্চ ২০২৬ ১৩:৫৭ পিএম

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০২৬ ১৩:৫৭ পিএম

আঁতেল হাকিমের প্রেম

নিজেকে প্রচারবিমুখ কবি হিসেবেই পরিচয় দিয়ে থাকেন হাকিম ওরফে আঁতেল হাকিম। কোনো জাতীয় পত্রিকায় তিনি কবিতা প্রকাশ করেন না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কবিতা প্রকাশ করেন। শেয়ারের পর শেয়ার হয় তার কবিতা। পৈতৃক বাড়ির একতলা হলুদ বিল্ডিংয়ে দিনের বেশিরভাগ সময় কাটিয়ে দেন আঁতেল হাকিম। বাড়িতে ওই বিল্ডিং ছাড়াও লম্বা টিনশেড ঘর আছে। ওই ঘরে ভাড়াটিয়ারা থাকে। উঠোনে বারোটি নারকেল গাছ, সবগুলো গাছ কোনো না কোনোভাবে বাঁকা। আঁতেল হাকিম বাড়িতে মুরগি পোষেন। তিনি মনে করেন, মুরগি হলেও প্রতিদিন গোসল করা উচিত। সেজন্য মুরগিগুলোকে সকালবেলায় খোপ থেকে বের করার সময় একটা একটা করে বের করেন, কলপাড়ে গোসল করানÑতারপর ছেড়ে দেন। শরীর না শুকানো পর্যন্ত মুরগিগুলো কোনো ঘরে ঢোকে না।

মাসে অন্তত একবার বাড়িতে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন আঁতেল হাকিম। অনুষ্ঠানে দাওয়াত পান জুনিয়র কবি, সাহিত্যিক আর সাংবাদিকরা। হলুদ ছাড়া খিচুড়ি আর কেনা মুরগির মাংস দিয়ে অতিথি আপ্যায়ন করেন তিনি। তাদের জন্য পরিবেশিত খাবারের সঙ্গে থাকে বাহারি ভর্তা। বাটা মসলা দিয়ে রান্না করা হয় এসব খাবার। হাকিমের স্ত্রী বাহানূর স্কুলশিক্ষক। সকালেই স্কুলে চলে যেতে হয় তাকে, এ জন্য রাত জাগেন না।

এদিকে আঁতেল হাকিম অনুষ্ঠান শুরুই করেন রাত দশটায়। অতিথিদের জন্য টেবিলে খাবার দেওয়া থাকে। যে যার মতো খাবার নিয়ে খায় আর আঁতেল হাকিমের গল্প শোনে। হাকিম তার সমাজভাবনা, দেশভাবনা সব বলেন শুধু কবিতাভাবনা নিয়ে কিছু বলেন না। এই গোপনীয়তাটুকুই তার আভিজাত্য। এই কৌশল তিনি গাম্ভীর্যতা হিসেবে গ্রহণ করেছেন। অতিথিরা খাবার প্লেটে নিয়ে একে অন্যের মুখের দিকে চায়, ঢোক গেলে; তারপর খেতে শুরু করে। আর আঁতেল হাকিম আলোচনা শুরু করেন এই বলে যে, ‘তারপর বলোÑ দেশ কোন দিকে যাচ্ছে?’ বাকি সবাই খাওয়ায় ব্যস্ত থাকে, তারা উল্টো হাকিমের কাছেই জানতে চায় দেশের অবস্থা। 

হাকিম এর আগে অনেক কথাই বলেছেন, জুনিয়র সাংবাদিকরা সেই সব কথা রেকর্ড করে, শ্রুতিলিখন করে পত্রিকায় ছাপানোর ব্যবস্থা করে। লেখা প্রকাশ হলে তারা ফোনে হাকিমকে জানায়। না জানালেও ক্ষতি নেই, শুক্রবারে সবগুলো দৈনিক পত্রিকা সংগ্রহ করেন হাকিম। আর তাকে নিয়ে কোনো লেখা প্রকাশিত হলে নির্দিষ্ট অংশটুকু কেটে সংগ্রহে রাখেন। তার মনে বড় দুঃখÑ তিনি নিজেকে জগতের শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবীদের একজন ভাবেন কিন্তু মুখে বলতে পারেন না। 

আঁতেল হাকিম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুই লাইন করে কবিতা পোস্ট করেন, আর কবিতার নিচে ব্যাখ্যা জুড়ে দেন। সেই সঙ্গে নিজের একটি ছবিও থাকে। পোস্টে উল্লেখ করেন, শুধুমাত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই পোস্ট শেয়ার করা যাবে, ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে কেউ এই কবিতা প্রকাশ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই যে প্রতিমাসে যে বিশ পঁচিশ কখনও কখনও চল্লিশজন আঁতেল হাকিমের বাড়িতে দাওয়াত খেতে আসে, তারা প্রায় প্রত্যেকে আঁতেল হাকিমের কবিতার নিচে কমেন্ট করে, কেউ কেউ শেয়ার করে। যদি কেউ কমেন্ট না করে আঁতেল হাকিম ধরে ধরে তাদের কল দেন। সরাসরি কখনও কাউকে কবিতা শেয়ার করতে বলেন না, কল দিয়ে খোঁজখবর নেন। কখনও কখনও দীর্ঘ আলাপ চালান তারপর বাসায় আসার দাওয়াত দিয়ে রাখেন। 

সব মিলিয়ে অচেনা-অদেখা মানুষের কাছে আঁতেল হাকিম এক মিথে পরিণত হয়েছেন। সাহিত্যপাতার সম্পাদকেরা আঁতেল হাকিমের কাছে কবিতা চেয়ে পান না। এজন্য তাদের ক্ষোভ আছে। আঁতেল হাকিমের কাছে কবিতা চাইলেই তিনি বলে দেন, ‘আমি পত্রিকায় কবিতা ছাপি না। তবে আপনি যে আমার কবিতা চেয়েছেন এজন্য ধন্যবাদ। আর হ্যাঁ আপনার সম্পাদনা কিন্তু অনেক ভালো। সময়-সুযোগ পেলে এই গরিবের বাসায় বেড়িয়ে যাবেন।’ 

সাব-এডিটর সুমনের মুখে আঁতেল হাকিমের আতিথেয়তার কথা শুনে ‘দৈনিক ইনসাফ’ পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক মিহির খান একদিন তার বাসায় বেড়াতে এলেন, তখন দুপুর। সে সময় হাকিম একটি কুঁচে পায়ে দড়ি বেঁধে দিচ্ছিলেন, সম্পাদকের সঙ্গে কথা বলতে বলতে দড়িটা আম গাছের সঙ্গে বাঁধলেন। এরপর মিহির খানকে ডেকে তার হলুদ বিল্ডিংয়ে নিয়ে গেলেন। ততক্ষণে আঁতেল হাকিমের স্ত্রীর স্কুল থেকে ফেরার সময় হয়ে গেছে। এ সময় বাহানূর ঘরে কারও উপস্থিতি পছন্দ করেন না। আঁতেল হাকিম ভেতরে ভেতরে একরকম তাড়া অনুভব করতে থাকলেন। কিন্তু সাহিত্য সম্পাদক মিহির খান আঁতেল হাকিমের ঘরের ভেতরে গিয়ে এক ধরনের আনন্দ অনুভব করেন। তিনি কাঠের সোফায় আরাম করে বসেন। এদিকে আঁতেল হাকিম ভুলে গেলেন সাহিত্য সম্পাদককে আপ্যায়ন করার কথা। 

তিনি কথার পিঠে কথা বলে যাচ্ছিলেন, দ্রুতলয়ে। সাহিত্য সম্পাদক এই সুযোগে আঁতেল হাকিমের কবিতাভাবনা জানতে চান। আঁতেল হাকিম বলেন, ‘ভাই রে যা বলতে চেয়েছি, তা ছাড়া বাকি সবই লিখছি। মানুষ যা পছন্দ করে, তাই লিখি। নিজেকে পাঠকদের থেকে আলাদা করতে পারছি না, রাজনীতিকদের থেকে আলাদা ভাবতে পারছি না। এই যে একজন একদিন মুলাকে বেগুন আর বেগুনকে জাম বলে বলে হাঁক-ডাক দিচ্ছে; আমি তাদেরও অংশ। আমার দেশ আমাকে আলাদা একটি অস্তিত্ব দিয়েছে। কিন্তু যারা মুলাকে বেগুন আর বেগুনকে মাঝে মধ্যে জাম বলছে তারা কিন্তু আমার ভার বহন করছে না।’

সাহিত্য সম্পাদক মিহির খান আঁতেল হাকিমকে প্রশ্ন করেন, ‘ভাই, আপনার বাসায় কি আজ মুলা বা বেগুন রান্না হইছে?’ আঁতেল হাকিম চমকে ওঠেন। সত্যি সত্যিই তো তার বাসায় আজ মূলা রান্না হয়েছে। তবে ফ্রিজে গরুর মাংসের কালো ভুনা আছে। এবার আঁতেল হাকিমের অতিথি আপ্যায়নের কথা মনে পড়ে। তিনি ফ্রিজ থেকে কালো ভুনা বের করে ওভেনে গরম করেন। নিজ হাতে খাবার পরিবেশন করেন। আর বলেন, ‘আমি নিজহাতে রান্না করেছি।’ সাহিত্য সম্পাদক মিহির খানের চোখে অবিশ্বাস, মুখে মুচকি হাসি। এত ভালো রান্না আঁতেল হাকিম করেছে বলে তার বিশ্বাস হয়নি। শেষে বলে বসেন, ‘একটা রেসিপি দিয়েন ভাই। আমাদের লাইফস্টাইলে যে মেয়েটি কাজ করে ওকে দিয়ে দেব। এমন লা-জবাব কালো ভুনার রেসিপি সবার জানা দরকার।’ 

আঁতেল হাকিম বলেন, ‘আমি প্রচারবিমুখ মানুষ ভাই। এসবের কোনো দরকার নেই।’ বাহানূর স্কুল থেকে আসেন। ঘরে প্রবেশের আগে নতুন জুতা দেখেই বুঝতে পারেন, বাসায় কেউ এসেছে। দরজা খোলা ছিল, তিনি প্রবেশ করে সাহিত্য সম্পাদক মিহির খানকে সালাম দিয়ে নিজের রুমে চলে যান। 

মিহির খান আঁতেল হাকিমকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘ভাবির তো বয়স অনেক কম। এত কম বয়সের মেয়ে বিয়ে করেছেন কেন?

‘আমার চেয়ে এক বছরের ছোট। ওর চেহারাই এমন, কমবয়সী দেখায়।’

‘আপনি জিতছেন?’

‘ভাবি তো মনে হয় আপনাকে ঝাড়ির ওপর রাখে?’

‘আরে নাহ্।’

আঁতেল হাকিম ঠিকমতো বুঝতেই পারেন না একটি ব্যক্তিগত আলাপের ভেতর তিনি ধীরে ধীরে ঢুকে পড়ছেন। তার পরিবারের অতীত ইতিহাস টেনে বলেন, ‘আমাদের বাড়ির বউয়েরা চল্লিশ বছরের বেশি বাঁচে না। তারপর পুরুষেরা বিপত্নীক হয়ে পড়েন এবং পরবর্তী জীবন একা কাটান। আমি খুব করে চাইছি, এর ব্যতিক্রম ঘটুক। আমি চাই ও সুন্দর থাকুক।’ পাশের রুমে থাকা বাহানূরের কানে কথাগুলো যায়, তিনি কিছুটা আগ্রহী হয়ে কথাগুলো শোনার চেষ্টা করেন। কিন্তু আঁতেল হাকিমের গলার স্বর নিচু হয়ে আসে। তিনি আরও কী কী বলেন, তা বাহানূরের পক্ষে শোনা সম্ভব হয় না।

দিনটি ছিল মঙ্গলবার। মিহির খানের সাহিত্যপাতা প্রকাশিত হয় শুক্রবারে। ওইদিন বাহানূর বাসায় থাকেন। বাহানূর ওইদিন হাকিমকে রান্না করতে দেন না, তিনি নিজে রান্না করেন। 

আঁতেল হাকিম সকালের নাশতা গ্রহণের আগেই দৈনিক পত্রিকাগুলো সংগ্রহ করেন, ইতিউতি করে কী যেন খোঁজেন। একসঙ্গে খাবার টেবিলে বসেছেন বাহানূর আর আঁতেল হাকিম। দৈনিক ইনসাফ পত্রিকাটি নিজের দিকে টেনে নেন বাহানূর। পাতা উল্টান। তার চোখ আটকে যায় একটি লেখায়। সেই গল্প, যে গল্পটা আঁতেল হাকিম মিহির খানকে শুনিয়েছিলেন; সেটি প্রকাশিত হয়েছে। বিড়বিড় করে পড়ছেন বাহানূর। তার গলা আটকে আসে। লেখাটার প্রথম অংশ তিনি মিহির খান আর আঁতেল হাকিমের আলোচনা থেকে জেনেছিলেন। তার মনোযোগ মধ্যভাগ থেকে শেষভাগ পর্যন্ত। লেখাটি প্রকাশিত হয়েছে আঁতেল হাকিমের বয়ানে। শ্রুতিলেখক হিসেবে মিহির খানের নাম লেখা। মধ্যভাগে লেখা হয়েছে, ‘বাহানূর রাতে যখন ঘুমিয়ে পড়ে, মনে হয় মধ্যবয়স্ক একটা আমগাছ। চারপাশে শাখা-প্রশাখা ছড়িয়ে দিয়েছে। ডালে ডালে আমের বইল। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে তার সুবাস। এই সুবাস আমাকে পাগল করে ফেলে। আমি তাকে ভালোবাসি। যতটা তাকে জানিয়ে ভালোবাসি, তার চেয়ে ঢের গোপন করে।’

বাহানূর থেমে আবার পড়তে শুরু করেন। তিনি জানতে পারেন, আঁতেল হাকিম বৃষ্টিরাতে নিজের মধ্যে থাকেন না। তার মনে হয় ঘরের মধ্যে বাইরের স্রোত প্রবেশ করছে। স্রোতে ভেসে আছে নারিকেল ফুল। স্রোতের পর স্রোত দেখে আঁতেল হাকিমের মনে হয়, এখনই ভেসে উঠবে বড় একটি মৃত মাছ। 

দুই হাতে স্রোত ঠেকানোর চেষ্টা করেন, ক্রমে স্রোতের রঙ সোনালি হয়ে আসে। তার মনে হয় জ্যোৎস্নার কাঁচা রং সবকিছুতে ছড়িয়ে পড়ে পবিত্র করে তুলছে। আঁতেল হাকিম ভেতরে ভেতরে হাঁপিয়ে ওঠেন, কাশতে শুরু করেন। বাহানূর সেই কাশির শব্দ শুনে যখনই বলে কী হয়েছে?Ñ এই প্রশ্ন শুনে তিনি কেঁপে ওঠেন এবং স্বাভাবিক হয়ে আসেন।

আঁতেল হাকিম সেদিন স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন, আসলে আমাদের পরিবারের কোনো নারীই চল্লিশের পর বেঁচে থাকেন না। কারণ আমাদের পুরুষেরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। তাদের উপস্থিতি মন আর মগজ দিয়ে উপলব্ধি করেন না, তারা ধরেই নেন, নারীরা এমনই। আমি তা মনে করি না, আমি বাহানূরকে যতটুকু ভালোবাসি, সে রোদে দাঁড়ালে তার যে ছায়া মাটিতে পড়ে; সেই ছায়াকেও ততটা ভালোবাসি। আমার শুধু মনে হয়, এই একটা মানুষ তার নামের ভেতর দিয়ে, নীরবতার ভেতর দিয়ে কীভাবে আমার ভেতর প্রবেশ করল, কীভাবে সেখানে যে সাম্রাজ্য গড়ে তুলল; আমাকেই দিনরাত খনন করে। কিন্তু আমি রক্তাক্ত নই, আমি শিমুলরঙা লাল হয়ে উঠি তার স্পর্শ অথবা স্পর্শভাবনায়। 

এই লেখাটি পড়ার পর বাহানূর জানতে চায়, তাহলে কবিতায় যাকে তুমি বলে সম্বোধন করো, সে কে? আঁতেল হাকিম ভেঙে পড়া মাটির কলসির মতো আর্দ্র হয়ে ওঠেন। তিনি বলেন, আমি নীরব হলে যে নীরবতার ভেতর থেকে জেগে ওঠে, সেই আমার কবিতার ‘তুমি’। যখন আমি তাকে ডাকি না, তখন সে আমাকে ডাকে। যখন আমি তাকে ডাকি, সে সাড়া দেয় না।Ñ বাহানূর কাঁদে। আঁতেল হাকিমের মনে হয়, ঘরের ভেতর আবার ঢেউ প্রবেশ করছে। তিনি ঢেউ ঠেকানোর চেষ্টা শুরু করেন আর ভেতরে ভেতরে অপেক্ষা করেন একবার কেঁপে ওঠার জন্য। তিনি কাশতে শুরু করেন।

কিন্তু বাহানূরের গলার কাছে দলা পাকিয়ে ওঠে কিছু একটা। তিনি কিছু বলতে পারেন না। আঁতেল হাকিম অস্বাভাবিকভাবে কাঁপতে শুরু করেন। তিনি নীল হয়ে যান। এরপর তিনি ভাপ দেওয়া মাছের মতো নরম হয়ে যান। বাতাস থেকে কী যেন হাপুস গাপুস গিলতে শুরু করেন। আঁতেল হাকিম নীরব হয়ে যান। কিছু সময় পর ধীরে ধীরে চোখ খোলেন। চেয়ে থাকেন শূন্যতার দিকে। যেন এই মাত্রই কেউ তার নীরবতার ভেতর থেকে নেমে এসেছিল, শান্ত করে ফিরে গেল নীরবতায়।

বাহানূরও স্বাভাবিক হয়ে আসেন। এই দৃশ্যটুকু একটু আড়াল দেয় দুইজনকেই। তারা অসমাপ্ত বাক্যের মতো একজন আরেকজনের পাশে দাঁড়িয়ে থাকেন। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা