× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মির্জা গালিবের চিঠি : সাহিত্যিক মূল্য

ফজল হাসান

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:০৭ পিএম

মির্জা গালব, ২৭ ডিসেম্বর ১৭৯৭-১৫ ফেব্রুয়ারি ১৮৬৯

মির্জা গালব, ২৭ ডিসেম্বর ১৭৯৭-১৫ ফেব্রুয়ারি ১৮৬৯

উর্দু সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মির্জা গালিব। তবে সাহিত্যিক (বিশেষ করে আধ্যাত্মিক কবি) হিসেবে তার খ্যাতি আসে মৃত্যুর পর। তিনি ছিলেন শেষ মোগল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের সভাকবি। বলা হয়, কবিতা, গজল ও শায়ের রচনার পাশাপাশি তিনি উর্দু গদ্য সাহিত্যের মেরুদণ্ডও তৈরি করে দিয়েছিলেন। আর গদ্য সাহিত্যের ক্ষেত্রে তার সবচেয়ে বড় এবং উল্লেখযোগ্য অবদান নিজের লেখা অসংখ্য চিঠিপত্র। তার চিঠি লেখার শৈলী এবং শব্দের প্রয়োগ, উর্দু সাহিত্যের এক অনন্য দলিল হিসেবে সুনাম অর্জন করেছে। সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বেশ কয়েকটি খেতাবে সম্মানিত হয়েছিলেন, যেমন দাবির-উল-মূলক (রাষ্ট্রের সচিব), নজম-উদ-দৌলা (রাষ্ট্রের তারা) এবং মির্জা নৌশা। কথিত আছে, এই মির্জা নৌশা থেকেই তিনি ‘মির্জা’ নাম ধারণ করেছিলেন।

ভারতবর্ষে যেহেতু দীর্ঘদিন ফারসি ছিল সরকারি ভাষা, তাই চিঠিপত্র লেখার ভাষাও ছিল ফারসি। সেই সময় কেউ যদি উর্দুতে চিঠি লিখেছে, সে ছন্দোবদ্ধ পদ্যের আকারেই লিখেছে। মির্জা গালিবই প্রথম লেখক, যিনি সেই প্রথা বা নিয়মকে ভেঙেছেন। তিনি চিঠি লেখার জন্য সহজ প্রচলিত উর্দু ভাষাকেই বেছে নিয়েছিলেন। 

মির্জা গালিব নিজে তার আত্মজীবনী লিখে যাননি। অথচ তার দীর্ঘ জীবনে অভিজ্ঞতার ঝুলি ছিল বিশাল। তিনি দেখেছেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি শাসনের প্রাথমিক পর্যায়ে মোগল সাম্রাজ্যের পতন। এ ছাড়া তিনি ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন। তৎকালীন ভারতবর্ষের সেই দুঃসময়ের বর্ণনা পাওয়া যায় তাঁর লেখা চিঠিপত্র ও দিনলিপি থেকে। 

মির্জা গালিবের পুরো নাম মির্জা বেগ আসাদুল্লাহ খান, তবে তিনি ‘মির্জা গালিব’ নামেই অধিক পরিচিত। তাঁর ডাক নাম ছিল ‘আসাদ’ (অর্থাৎ সিংহ), যা তার প্রদত্ত নাম আসাদুল্লাহ খান থেকে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি তার কাব্যিক জীবনের প্রথম দিকেই ‘গালিব’ (যার অর্থ সর্বজয়ী, শ্রেষ্ঠ, সর্বোত্তম, সুউচ্চ) নামটি গ্রহণ করেন। তিনি আগ্রায় তার মাতুলালয়ে ১৭৯৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার মৃত্যু হয় ১৮৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি (৭১ বছর বয়সে)। তাকে দিল্লির নিজামউদ্দিন আউলিয়ার মাজারের কাছে পারিবারিক গোরস্তানে দাফন করা হয়। 

মির্জা গালিব তার দীর্ঘ জীবনে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে অসংখ্য চিঠি লিখেছিলেন। সেসব চিঠি ব্যক্তিগত জীবন-সংগ্রাম থেকে শুরু করে তার দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক চিন্তাভাবনা, সামাজিক-রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ এবং সাহিত্যিক সমালোচনা, বিশেষ করে কবিতা সম্পর্কে তার ধারণা, পর্যন্ত বিস্তৃত। তিনি চিঠি লেখার পদ্ধতিকে বদলিয়ে সংলাপে পরিণত করেছেন, যা ছিল উর্দু গদ্যের ক্লাসিক্যাল ও আনুষ্ঠানিক শৈলী থেকে আলাদা। তিনি এক বন্ধুকে তার চিঠি লেখার নতুন ধরন (স্টাইল) সম্পর্কে বলেছিলেন : ‘আমি একটি নতুন ধরন আবিষ্কার করেছি, যার মাধ্যমে পত্রে লেখা কথোপকথনে পরিণত হয়েছে। হাজার মাইল দূরত্ব থেকেও তুমি তোমার কলমের মাধ্যমে কথা বলতে পারো এবং আলাদা থাকা সত্ত্বেও সংস্পর্শ উপভোগ করতে পারো।’ আসলে মির্জা গালিব এমন সমস্ত শব্দ এবং বাক্য ব্যবহার করে তার চিঠিগুলোকে ‘কথা’ বানিয়েছিলেন, যেন তিনি পাঠকের সঙ্গে আলাপ করছেন। এ ছাড়া তার কোনো চিঠিতে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ছিল না। তিনি মাঝেমধ্যে শুধু প্রাপকের নাম লিখতেন এবং চিঠি শুরু করতেন। তিনি খুবই আকর্ষণীয় চিঠি লিখতেন। এক চিঠিতে তিনি লিখেছিলেনÑ ‘আমি এমন কথা লেখার চেষ্টা করি, যা যে কেউ পড়বে এবং আনন্দিত হবে।’ 

মির্জা গালিবের আরেকটা চিঠির কথা উল্লেখ না করলেই নয়। কারাভোগের পর ফারসি ভাষায় লেখা এক চিঠিতে তিনি তার হতাশা এবং মানসিক যন্ত্রণার কথা উল্লেখ করেছেন, এমনকি একসময় পৃথিবীতে বেঁচে না থাকার ইচ্ছাও ব্যক্ত করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘যদি বাঁচতেই হয় তাহলে হিন্দুস্তানে নয়, বরং রোম, মিসর, ইরান, বাগদাদে, এমনকি মক্কায় গিয়ে থাকতে হলেও থাকব। তার আগে সকল বন্ধন থেকে মুক্ত হতে চাই।’ 

বিষয়বস্তুর দিক থেকে মির্জা গালিবের চিঠি মূলত চারটি আলাদা ভাগে ভাগ করা যায়, যেমনÑ প্রেম, জীবন ও অস্তিত্ব, ধর্ম ও আধ্যাত্মিকতা, ব্যক্তিগত সংগ্রাম ও দুঃখ-যন্ত্রণা এবং রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ ও মোগল সাম্রাজ্যের কারণে হতাশা।

প্রেম, জীবন ও অস্তিত্ব: মির্জা গালিবের অনেক চিঠিতে মানবিক অনুভূতি এবং অস্তিত্বের জটিলতা প্রকাশ পেয়েছে। সেসব চিঠিতে তিনি প্রেম-ভালোবাসা ও জীবনের মায়াজাল সম্পর্কে হতাশা প্রকাশ করেছেন, যেখানে সন্দেহ এবং আকাঙ্ক্ষার মিশ্রণ দেখা যায়। তিনি এক বন্ধুকে লেখা চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, ‘হে আমার প্রিয়জন, ভালোবাসা হলো আনন্দ এবং বেদনার ক্ষণস্থায়ী এমন অনুভূতি, যেমন বাতাস শরীরের ত্বক স্পর্শ করে, কিন্তু কোনো চিহ্ন রাখে না। ভালোবাসাকে তাড়া করা বোকামি, তবে এটি ছাড়া বাঁচা আরও বড় দুঃখজনক।’

ধর্ম ও আধ্যাত্মিকতা: মির্জা গালিবের চিঠির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ধর্ম এবং আধ্যাত্মিকতার সঙ্গে তাঁর জটিল সম্পর্ক। তিনি চিঠিতে প্রায়ই সংগঠিত ধর্ম এবং প্রচলিত বিশ্বাস সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন এবং তার পরিবর্তে তিনি আধ্যাত্মিকতা লাভের জন্য ব্যক্তিগত ও ব্যক্তিমুখী পদ্ধতি বেছে নিয়েছিলেন। বন্ধুকে লেখা তাঁর সেই জটিল সম্পর্কের কথা এক চিঠিতে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি লিখেছেন, ‘বিশ্বাস কেবল আচার-অনুষ্ঠান ও প্রথার ব্যাপার নয়, বরং এটি যারা খোঁজেন, তাদের এবং সৃষ্টিকর্তার মধ্যে অব্যক্ত বোঝাপড়া। অনেকেই ধার্মিকতার কথা বলতে পারেন, কিন্তু আত্মা কোনো সীমা চেনে না। আমি মোল্লা-মৌলভীর অনুমোদন চাই না, এমনকি মসজিদের সান্ত্বনাও চাই না। আমি আমার হৃদয়ের নীরবতায় সৃষ্টিকর্তাকে খুঁজছি।’ চিঠির এই অংশটি তার ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতাকে প্রত্যাখ্যান এবং সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে সরাসরি ও ব্যক্তিগত সংযোগের প্রতি তার বিশ্বাস ও পছন্দকে প্রকাশ করেছে।

ব্যক্তিগত সংগ্রাম ও দুঃখ-যন্ত্রণা: মির্জা গালিবের জীবনে ছিল দুঃখ-বেদনায় ভরা, যেমন স্ত্রীর সঙ্গে বিরূপ সম্পর্ক, সাত সন্তানের অকালমৃত্যু, আর্থিক সংকট এবং চারপাশের পরিস্থিতির প্রতি হতাশা, বিশেষ করে মোগল দরবারে তার অবস্থানের প্রতি অসন্তুষ্টি। স্ত্রীর সঙ্গে বিরূপ সম্পর্কের কারণে তিনি প্রায়শই মানসিক চাপের মধ্যে থেকেছেন। ব্যক্তিগত কষ্টের সময়ে লেখা একটি চিঠিতে গালিব লিখেছেন, ‘আমি দুঃখ-কষ্ট এবং দুর্ভাগ্যের এক গহ্বরের মধ্যে আটকা পড়েছি। তবু আমি আশা করি যে, এক দিন এই হতাশার মেঘের মধ্য দিয়ে সুখ-আনন্দের আলো ছড়িয়ে পড়বে। জীবন অন্য কিছু নয়, যদি না অবিরাম পরীক্ষার ভেতর দিয়ে প্রবাহিত না হয়?’

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ ও মোগল সাম্রাজ্যের কারণে হতাশা: মোগল সাম্রাজ্যের পতন ও হতাশা এবং ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের উত্থান তার মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল, যা তিনি তার একাধিক চিঠিতে তুলে ধরেছেন। বন্ধু ও সমকালীনদের সঙ্গে তার চিঠি মোগল অভিজাত শ্রেণির এবং নতুন ব্রিটিশ শাসকদের প্রতি হতাশার চিত্র ফুটে উঠেছে। তিনি তার এক বন্ধুকে লেখা চিঠিতে তার চিন্তাভাবনা মোগল সার্বভৌমত্ব হারানোর হতাশা এবং ব্রিটিশ শাসনের প্রতি তার সন্দেহকে সংক্ষেপে প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন : ‘দুনিয়া পরিবর্তিত হচ্ছে, আর আমরা পরিবর্তনের মধ্যবর্তী অবস্থানে আটকে আছি। মোগল সাম্রাজ্য ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে এবং ব্রিটিশরা আমাদের পূর্ববর্তী শাসকদের স্থান নিচ্ছে। কিন্তু নতুন শাসন কী আরও ভালো হবে? আমরা হয়তো আমাদের সাম্রাজ্য হারিয়েছি, কিন্তু আমরা শুধু একটি নতুন শাসকের নিপীড়ন লাভ করেছি।’ 

বিগত দেড়শ বছরেরও বেশি সময়ে মির্জা গালিবের বিশালসংখ্যক চিঠি সংগ্রহ করে বিভিন্ন গ্রন্থে বা সংকলনে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। নিচে সংক্ষিপ্ত পরিচয়সহ গ্রন্থ তালিকা দেওয়া হলো। উল্লেখ্য, তাঁর চিঠিপত্রের দুটি সংকলন ও’ওদ-ই-হিন্দি (হিন্দুস্তানের খুশব বা সুগন্ধি) ও উর্দু-ই-মু’আল্লাহ (রাজকীয় উর্দু) পাঠক এবং গবেষকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। 

মেহর-ই-গালিব (১৮৬১-৬২): নির্দিষ্ট অক্ষরের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা পাণ্ডুলিপি, যা শেষ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি।

ইনতিখাব-ই-গালিব (১৮৬৬): ব্রিটিশ কর্মকর্তা ও সেনাদের উর্দু শেখানোর উদ্দেশ্যে মির্জা গালিব নিজেই এই চটি সংকলনটি তৈরি করেছিলেন। এতে তার ১২টি চিঠি ও ৩৯টি কবিতার চরণ ছিল।

ও'ওদ-ই-হিন্দি (১৮৬৮): এই গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল মেহর-ই-গালিব-এর অপ্রকাশিত চিঠির সঙ্গে ১৮৬১ সালে লেখা মির্জা গালিবের ১৭৩টি চিঠি। উল্লেখ্য, এটি ছিল লেখকের উর্দু ভাষায় প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ। 

উর্দু-ই-মু’আল্লাহ (১৮৬৯): এই সংকলনে ৪৭০টি চিঠি ছিল এবং মির্জা গালিবের মৃত্যুর মাত্র ১৯ দিন পর (৬ মার্চ ১৮৬৯) প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে অসংখ্যবার পুনর্মুদ্রণ প্রকাশিত হয়েছে।

মাকাতীব-ই-গালিব (১৯৩৭): রামপুর রাজ্যের শাসকদের কাছে লেখা মির্জা গালিবের ১১৭টি চিঠির সংগ্রহ। এতে তার বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাহিত্যিক কর্মকাণ্ডের নমুনা রয়েছে।

আদাবি খতুত-ই-গালিব (১৯৩৯): মির্জা গালিবের বাছাই করা চিঠির সংকলন, যেসব চিঠিতে তার নির্বাচিত সাহিত্যকর্ম উল্লেখ করা হয়েছে।

নাদিরাত-ই-গালিব (১৯৪৯): এতে মির্জা গালিবের ৭৪টি অপ্রকাশিত চিঠি (টিকাসহ) রয়েছে।

খুতুত-ই-গালিব (১৯৫১): এটি মাকাতীব-ই-গালিব ও নাদিরাত-ই-গালিব সংকলনের চিঠি ছাড়া মির্জা গালিবের সমস্ত চিঠির সংকলন, যা পাঠকের চাহিদার কারণে ১৯৬৯ সালে পুনর্মুদ্রণ করা হয়।

গালি কে খতুত (১৯৮৪-২০০০): মির্জা গালিবের পাঁচ খণ্ডে প্রকাশিত সমস্ত উর্দু চিঠির সম্পূর্ণ সংকলন। 

এ কথা সত্যি যে, মির্জা গালিবের সমস্ত চিঠি বিশ্লেষণ করে পাঠক কিংবা গবেষকরা তার সাহিত্যকর্মের দক্ষতাকে মূল্যায়ন করতে পারেন এবং একই সঙ্গে লেখকের চারপাশের পরিস্থিতির সঙ্গে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পৃক্ততার গভীরতাও অনুধাবন করতে পারেন। তার চিঠিগুলো তৎকালীন সময়ের ভারতীয় আর্থসামাজিক পরিবেশ, মোগল সাম্রাজ্যের পতন ও উপনিবেশবাদীর আগ্রাসন সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টির এক সমৃদ্ধ উৎস হিসেবে আজও প্রাসঙ্গিক। এ ছাড়া পাঠকের কাছে চিঠিগুলো মির্জা গালিবকে একজন আধ্যাত্মিক বা দার্শনিক সাহিত্যিক হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয় না, বরং একই সঙ্গে একজন চিন্তাবিদ হিসেবেও বোঝার সুযোগ করে দেয়। 

একদিকে মির্জা গালিবের কবিতা ও গজল যেমন দুঃখজনক এবং আধ্যাত্মিক ঘরানার, অন্যদিকে তার গদ্য সাহিত্য, বিশেষ করে চিঠি, বুদ্ধি ও মেধা, ব্যঙ্গ-কৌতুক এবং জীবনের আনন্দে পরিপূর্ণ। অনেকেই মনে করেন যে, কেবল চিঠির ভিত্তিতেই উর্দু সাহিত্যে মির্জা গালিবের স্থান কবি পরিচিতির সঙ্গে একই জায়গায় অর্থাৎ উচ্চ স্থানে থাকবে। এ ছাড়া মির্জা গালিবের চিঠি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও জীবনীমূলক উত্স, যার সাহিত্যিক মূল্য অপরিসীম।

মির্জা গালিবের চিঠি উর্দু গদ্য সাহিত্যের এক উজ্জ্বল উদাহরণ, অনন্য রত্নভান্ডার। বলা হয়, কেউ যদি উর্দুতে ভালো গদ্য লেখা শিখতে চায়, তাহলে তাকে রাতের পর রাত মির্জা গালিবের চিঠি পড়ার জন্য উৎসর্গ করতে হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা