× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সকাতরে ওই কাঁদিছে সকলে

দিলারা হাফিজ

প্রকাশ : ১৭ অক্টোবর ২০২৫ ১৮:৪৫ পিএম

সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। প্রতিকৃতি : জয়ন্ত সরকার

সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। প্রতিকৃতি : জয়ন্ত সরকার

অহরহ আমরা মানুষ হারাই, ১০ অক্টোবরে হারালাম মানবিকতার এক বিজয় কেতন। চিরকালের মহান শিক্ষক তিনি। জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষা ও গবেষণায় এক অধরা মনস্বিতা! ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে নিজে পড়েছেন, পড়িয়েছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অগণিত শিক্ষার্থীকে। তিনি ইমেরিটাস অধ্যাপক, কথাসাহিত্যিক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম।

তার শিক্ষার্থী কেবল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমাবদ্ধ নেই, সারা দেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গেই ছিল তার আত্মিক যোগাযোগ।

২০২০ সালে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন বক্তৃতার অনেক কথা আজ তার বাণীতে পরিণত হয়েছে। এমনকি শ্রেণিকক্ষের বাইরে যারা তার আলাপচারিতা শুনেছেনÑ তারাও মনজুর ভাইয়ের শিক্ষার্থীদের মতোই ভক্তি ও ভালোবাসায় স্নাত হয়ে উঠেছেন। ব্যক্তি মানুষ, একজন মহান শিক্ষক হিসেবে নয়, শুধু বাংলা সাহিত্যেও তার অবদান অবিস্মরণীয়।

লিখেছেন শিশুদের জন্য গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও গবেষণা গ্রন্থ।

গল্পগ্রন্থ

থাক না-ঠকার গল্প, কাচ ভাঙ্গা রাতের গল্প, আলো ও অন্ধকার দেখার গল্প, প্রেম ও প্রার্থনার গল্প, সুখদুখের গল্প, বেলা অবেলার গল্প, মারম্যানের প্রার্থনা এবং অন্যান্য গল্প (ইংরেজিতে) উপন্যাস

আধখানা মানুষ, টিন পার্বের জীবন, কানাগলির মানুষেরা, আজগুবি ইঁদুর, দিনরাত্রিগুলি 

প্রবন্ধ

নন্দনতত্ত্ব, একুশে প্রবন্ধ : ভাষা আন্দোলন। ঢাকা : বাংলা একাডেমি, রবীন্দ্র জ্যামিতি ও অন্যান্য শিল্পপ্রসঙ্গ, অলস দিনের হাওয়া ইত্যাদি।

কেবল সাহিত্য ক্ষেত্রে নয়, তার বক্তৃতা ও কথাসম্পদসহ ব্যক্তি মানুষটিও ছিলেন অসম্ভব জনপ্রিয়।

১৯৮৭-৮৮ সালের দিকে আমেরিকান কবি ক্যারোলাইন রাইট এলেন ঢাকায়, এশিয়ার নারী কবিদের কবিতা অনুবাদ করে আমেরিকায় প্রকাশের কর্মসূচি হাতে নিয়ে। ইতঃপূর্বে কলকাতার নারী কবিদের কবিতা অনুবাদ শেষ করেছেন। 

ঢাকায় এসে ক্যারোলাইন রাইট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাহিত্যের শিক্ষকদের শরণাপন্ন হলেন। আমার এবং শামীম আজাদের কবিতার প্রাথমিক বাছাই ও অনুবাদ করে দিতেন মনজুর ভাই।

অনুবাদের এই প্রাথমিক কাজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে অনেক দিন বসেছি মনজুর ভাইয়ের কক্ষে। দুপুরের পর পর আমি চলে আসতাম, ক্যারোলাইন আসত গুলশান থেকে। মনজুর ভাই ক্লাস শেষে তার কক্ষেই অপেক্ষা করতেন। কাজের ফাঁকে চলত আমাদের আডডাও, কখনও তা জমে উঠত শত শত ডালপালা নিয়ে।

একদিন বসেছি মনজুর ভাইয়ের কক্ষে। পরেরদিন ছিল পয়লা বসন্ত। কবি রফিক আজাদের জন্মদিন। ফলে আমার বাসায় ছোটখাটো অনুষ্ঠান মতন হয়।

ক্যারোলাইন ও আসবে হলুদ শাড়ি পরে।

বসন্তে হলুদ শাড়ি পরার বাঙালি কালচার নিয়ে ক্যারোলাইন রাইটের সঙ্গে কথা হলো। 

শামীম আপা জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি হলুদ শাড়ি আছে?

ক্যারোলাইন বলল, আছে বোধহয়। তবে আমার শাড়ির সংকলনে খুঁজে দেখতে হবে।

ওর আদুরে ও ভাঙা বাংলায় ‘শাড়ির সংকলন’ বাক্যবন্ধটি শুনতে বেশ লাগছিল।

তেমনি শব্দের প্রচলিত ব্যবহারের বাইরে যে তাকে যুক্ত করা যায় এবং ভাষাও নতুন মাত্রা পায়, সেদিন শব্দ ব্যবহারের নিয়ম অনিয়ম নিয়ে আড্ডা বেশ জমেছিল।

আমরা সাধারণত, বইয়ের সংকলন বলি, কিন্তু ক্যারোলাইন যখন শাড়ির সংকলন বলল, তখন ওর বাংলা শব্দ ব্যবহারের দক্ষতা ও রিদম দেখে অবাক হলাম আমরা বাংলাভাষাভাষী তিনজনেই।

মিষ্টি হাসি দিয়ে মনজুর ভাই শাড়ির সংকলনকে সেদিন স্বীকৃতি দিলেন বলেই মনে হলো। দীর্ঘ যোগাযোগের হৃদস্পন্দনও জীবনের প্রয়োজনে এদিক-ওদিক হয়ে একটুবা দূরে সরে যায়।

মনজুর ভাই কখনও দূরে সরে যাননি। দেখা হয়েছে কম, কিন্তু ভালো মানুষের সঙ্গে আত্মিক যোগাযোগ কখনও বিচ্ছিন্ন হয় না।

এজন্য অসুস্থতার দিনগুলোতে ফেসবুকে তাকে নিয়ে যে পরিমাণ লেখা প্রকাশিত হলোÑ এতেই বোঝা যায় বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের সঙ্গে সুদূরপ্রসারী গভীর ভালোবাসা ও মমত্বের সম্পর্কগুলো যে তিনিও লালন করেছেন বুকের গভীরে তা বলাই বাহুল্য।

যে যেভাবে কাছে পেয়েছেন মনজুর ভাইকে, সেভাবেই তার ছবি এঁকেছেন শব্দবন্ধে, অতীতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনা করেছেন বিয়োগবিধুর উচ্ছ্বাসে। এর মধ্যে দিয়ে উঠে এসেছে মানুষের সঙ্গে মানুষের নিঃস্বার্থ ভালোবাসার নির্জলা এক নির্যাস।

সম্পর্কের গভীরতা তথা ভালোবাসার কথাটি যেন পুনরপি বলা, নিজেকে ও অপরকেও শোনানো, মানুষটি খুব খাঁটি, প্রাণখোলা দেশপ্রেমিক ছিলেন।

বড্ড অকালে হারালাম আমরা তাকে।

এ রকম প্রাণময় স্মিতহাস্যে সদাস্নাত এবং গভীর ব্যঞ্জনাময় মানুষটিকে আমি প্রথম দেখি কবি রফিক আজাদের সঙ্গে সহাস্য ভঙ্গিতে, বাংলা একাডেমিতে।

রফিক আজাদ আমার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বললেন, ইনি শুধু সাহিত্যিক নন, একজন মহান শিক্ষকও বটে।

যদিও তুমি একই পেশার মানুষ, তুমি কুমুদিনী কলেজে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির অধ্যাপক, স্যার!

সেদিনই লক্ষ্য করলাম কবিও তাকে খুব ভালোবাসেন এবং সম্মানের চোখে চোখে রাখেন।

মনজুর ভাইয়ের বাসায় নিমন্ত্রণ খেতে গিয়ে প্রথম সানজিদা ভাবিকে দেখি। আভিজাত্যে ও আন্তরিকতার মিশেলে অসামান্য ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন লাবণ্যময় এক নারী।

তার সঙ্গে পরিচয় এবং পরবর্তী সময়ে ঘনিষ্ঠতা। মনজুর ভাই ভাবির নাম সংক্ষিপ্ত করে ‘সঞ্জু’ বলে ডাকতেন। 

প্রথম দিনেই ভাবির নিপুণ গৃহিণীপনার গল্প শুনে আমি প্রায় হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম।

অত বছর আগে ভাবির কিচেন ছিল সব আধুনিক সরঞ্জাম তথা যন্ত্র-মেশিনারি দিয়ে সাজানো-গোছানো। 

তিনি বাইরের কোনো কাজের লোক ঘরে ঢুকতে দেন না, শুনে তো আমি চমকে গেলাম। 

ওমা! কীভাবে এত কাজ এক হাতে করা সম্ভব?

রান্নাবান্না, ধোয়ামোছাসহ সব কাজ!

ভাবি বললেন, আমরা দুজনে মিলে নিজের হাতে কাজগুলো শেষ করি, দিলারা ভাবি।

তাদের বাসার ফ্লোরসহ প্রতিটি আসবাবপত্রের দিকে তাকিয়ে দেখি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন।

ভাবির হাতের স্পর্শে প্রায় নতুনের মতো ছিল ঝকঝকে-তকতকে।

ওদের পুত্র সাফাকাত আমাদের প্রথম সন্তান অভিন্ন একই বয়সি প্রায়। সাফাকাত ভর্তি হলো ইংরেজি মিডিয়াম স্কুল সাউথব্রিজে, অভিন্নকে ভর্তি করেছিলাম স্কলাসটিকায়। দেখা হলেই আমরা পরস্পরের সন্তানের খোঁজখবর করতাম আগে।

এভাবে মনজুর ও সানজিদা দম্পতি আমাদের নিমন্ত্রণে ধানমণ্ডির বাসায় এসেছেন বেশ ক’বার।

আমরাও মাঝেমধ্যে যেতাম ভাবিকে দেখতে। নিজ হাতে ঘর-সংসার এবং চাকরি-বাকরির কাজ নিয়ে বেশ ব্যস্ত থাকতেন দুজনেই।

সানজিদা ভাবি একটা আমেরিকান কোম্পানির কলসালট্যান্সি করতেন প্রথম থেকেই। এজন্য বছরে তিনি ২-৩ মাস আমেরিকায় যেতেন কাজের জন্যই।

মনজুর ভাই যেদিন কার্ডিও অ্যারেস্ট হলেন, সে সময়ে ভাবি কার্যোপলক্ষে ওয়াশিংটন ডিসিতে ছিলেন। একমাত্র সন্তান সাফাকাত বহু বছর থেকেই আমেরিকা প্রবাসী। আমেরিকান স্ত্রী এবং সেখানে তাদের দুজন সন্তান বেড়ে উঠছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক হিসেবে।

ল্যাবএইড হাসপাতালে বরেণ চক্রবর্তীসহ বড় বড় কার্ডিওলোজিস্ট মনজুর ভাইয়ের চিকিৎসক ছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে দুটো রিং পরালেন। এর পরের দুদিন বেশ ভালো। তৃতীয় দিনে হঠাৎ করে অক্সিজেন লেভেল কমে গেলে লাইফ সাপোর্টে দিলেন ডাক্তারেরা।

মনজুর ভাইয়ের ছোট বোন বেবী তার সর্বক্ষণের সঙ্গী।

প্রকাশক মাজহার এবং তার বহুকালের বিশ্বস্ত সহকর্মী তথা বন্ধু এবং অগণিত শিক্ষার্থী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে ঘিরে রেখেছিল।

যখনই দাদার খোঁজ নিতে বেবীকে ফোন করতাম, ল্যাবএইডেই পাওয়া যেত তাকে।

দাদাইর সারাক্ষণের সঙ্গী হয়ে বেবী বসে থাকত ওয়েটিং রুমে। বেবীর বন্ধু আমরাও ওর পাশে মঙ্গল কামনায় থাকতাম আর ভাবতাম কখন দাদাই ভালো হয়ে ফিরবেন!

লাইফ সাপোর্টর তৃতীয় দিনে রোগীর জ্ঞান ফেরার সংবাদটি আত্মীয়স্বজনকে নাচতে নাচতে প্রথম জানিয়েছিলেন আমাদের সবার প্রিয় লেখক এবং কার্ডিওলোজিস্ট ডাক্তার বরেণ চক্রবর্তী।

আহা, কী অদ্ভুত ছিল সেই বিজয়ের মুহূর্তটি।

ঘটনাও অদ্ভুত, আমেরিকা থেকে সঞ্জু ভাবি আর পুত্র যেদিন ফিরল, মিরাকেলি সেদিন দাদাই কথা বললেন কাগজে লিখে জানালেন তার তেষ্টা পাওয়ার কথা। 

ওয়ার্ডবয় জিজ্ঞেস করল লেবুর শরবত খাবেন কি?

ইংরেজির অধ্যাপকের জ্ঞান ফিরেছে, কাজেই ‘লেবু শরবত’ কথাটি পছন্দ হলো না তার!

কারেকশন করে তখন পাশে থাকা ইংরেজি বিভাগের এক ছাত্রীকে নরম স্বরে ডেকে বলেছিলেন, ‘ওকে লেমোনেট বলতে বলো।’

এ কথা মুহূর্তেই গল্প হয়ে রটে গেল যখন উপস্থিত দর্শনার্থীদের মধ্যে।

সানজিদা ভাবি, কৃত্রিম অভিমানের সুরে বললেন, দেখো তো দেখি, এখানেও তিনি মাস্টারি করছেন।

ভাবি যখন ভেতরে গেলেন, তাকে চিনতে পারেন কি না এজন্য ডাক্তার জিজ্ঞেস করলেন, একে চেনেন আপনি?

কে বলুন তো?

মুখপানে তাকিয়ে বললেন আমার স্ত্রী সঞ্জু। সানজিদা ইসলাম। সন্তানের মুখপানে চেয়ে বলেছিলেন, আমার ছেলে সাফাকাত।

আবেগে থরথর বেবী আমার হাত ধরে বলল, দিলু জানিস, দাদাই যখন কথা বলল আমার সঙ্গেÑ মনে হলো আমি চাঁদের মাটিতে হাঁটছি এতটাই আনন্দময় উৎসব হয়ে উঠেছিল সেদিন ল্যাবএইডের তৃতীয় তলার গেস্টরুম।

বন্ধু বেবীর সঙ্গেও কতকাল পরে দেখা হলো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে আমরা দুজনেই ছিলাম শামসুন্নাহার হলের আবাসিক। সেই সূত্রেই বন্ধুত্ব বহুকালের। কিন্তু ছাত্রাবস্থায় জানতাম না ভাই-বোনের সম্পর্কের এই বিন্দুবিসর্গও।

আসলে বিশ্ববিদ্যালয় পাস দেওয়ার পরে যার যার মতো ফিরে গেছি নিজস্ব জীবনের ঘাটে। শামসুন্নাহার হলবন্ধুদের অনেকেই দেশে থাকলেও বেবী ইংল্যান্ড, পরাগ টরন্টো প্রবাসী ছিল।

ফলে নতুন করে পরস্পর পরস্পরকে জানবার বা জানাবার সুযোগ হয়নি এই পর্বে।

আমি ছেলেদের দেখতে টরন্টো গেলে সেখানেই পরাগের সঙ্গে নতুন করে পরিচয় ও বন্ধুত্ব বাড়ে।

সেবছর পরাগ তার ছেলের বিয়েতে ঘনিষ্ঠ হলবন্ধুদের ডেকে পাঠাল তার টরন্টোর বাড়িতে। এই সময় বেবীর স্বামী এলো লন্ডন থেকে। ৪০ চল্লিশ বছর পরে ওদের সঙ্গে দেখা হলো আমার এবং জানা গেলো বেবী আমাদের খ্যাতিমান সুসাহিত্যিক ও ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর ভাইয়ের সবচেয়ে আদরের ছোট বোন।

ইতোমধ্যে বেবীও আমার মতো স্বামীকে হারিয়েছে। একমাত্র কন্যাকে লন্ডন রেখে নিজে ফিরে এসেছে একলা নিকেতনে।

সুখে-দুঃখে মনজুর ভাই ছিল বেবীর একমাত্র প্রশান্তির ছায়াঘন ঠিকানা। মনজুর ভাইকে বেবী ডাকত দাদাই, আমরা অপরাপর বন্ধু দাদাই বলে ডাকতাম।

দাদাই আমাদের সবাইকে একলা পথে রেখে চলে গেলেন দ্রুত। এ যেন ‘প্রদীপ নিভিবার আগে জ্বলিয়া উঠিলো’Ñ কপালকুণ্ডলা উপন্যাসে বঙ্কিমচন্দ্রের এই উক্তিটি খুব বেশি মনে পড়ছে আজ।

সন্তান ও ভাবির সঙ্গে দেখাটি বাকি ছিল বলেই হয়তো স্বল্প সময়ের এই জাগরণ দুদিনের জন্যে পুরো জাতিকে উদ্ভাসিত করেছিল। 

অতঃপর ফিরে গেলেন নিজস্ব গন্তব্যে।

আমাদের গন্তব্যহীন সম্মিলিত এই দীর্ঘশ্বাস আর কোনো ঠিকানা খুঁজে পেল না।

মনজুর ভাইয়ের আদরের নিঃসঙ্গ একলা ছোটবোন বেবী, স্ত্রী সন্তান ও স্বজনেরা দুচোখের জলে ভেসে যাবে, তবু আর কোনো ভরসা ও ছায়াশীতল প্রশান্তির হাত উঠে আসবে না মাথার ওপর।

প্রিয়জনদের বুকে এই শোকধ্বনি, হাহাকার নিরন্তর বেজে যাবে মরমের অগ্নি দহনে।  

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা