× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মাছ, মাছ

সিরাজুল ইসলাম

প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৩:১৪ পিএম

মাছ, মাছ

আমাদের গ্রামে একটা জেলেপাড়া ছিল। আমার তখন ৬ বছর বয়স। ১৯৫৭ সাল। বিকালবেলা হাফ-প্যান্ট হাফ-শার্ট পরে খালি পায়ে বন্ধুদের সঙ্গে খেলা ছেড়ে খুব তাড়াতাড়ি পা ফেলে জেলেপাড়ার এক মাথায় এসে পৌঁছাতম। তাড়াতাড়ি পা ফেলার কারণ আমার যাওয়াটা যাতে কেউ দেখতে না পায়। জেলে পাড়ার এই মাথা দয়াগঞ্জ বাজার, দোলাই খাল পাড়ের গুদামঘরগুলো পেরিয়ে। দোলাইখাল বুড়িগঙ্গা নদী থেকে এসে তার মতো চলে গেছে শীতলক্ষ্যা নদীর টানে। এই জায়গাটায় কেউ যেন ডানদিকে খালের একটা মুখ খুলে দিয়েছে। এটা নালা, এই মুখে কোনো নৌকা ঢুকতে পারবে না। নালা যায় এগোয়, আটকে পড়ে যাত্রাবাড়ীতে গিয়ে, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রাস্তায়।

নালার ওপারে আমাদের সেই জেলেপাড়া। কিছুটা দূরত্ব রেখে নালা পাড় হওয়ার একেকটা বাঁশের সাঁকো। নালায় এই সাঁকো হবে মোট পাঁচটা। জেলেপাড়ার পুরুষরা এই সাঁকোতে পারাপার করে। সাঁতার জানি না, আমার মোটেই সাহস নেই এই এক বাঁশের সাঁকোতে চড়ে বসা। তবে আরও বড় বাধা যেটা, ওপারের জেলাপাড়া আমার কাছে রহস্য দ্বীপ। একটা জমির টুকরা যেন আমাদের কাছ থেকে বেরিয়ে গেছে। সেই জমি জেলে পরিবারের অধিবাসীদের ঠাঁই হয়েছে।

বললাম যে, দোলাইখালের মুখ থেকে জেলেদের নালা, সেখান থেকে নালার এপার ওপার জাল ফেলা। কিছুটা দূরে গিয়ে আরেকটা জাল, এরকম মোট আট-দশটা। আরও ছিল এক পার ধরে ছোট জাল পাতা। তারপর ছিল ঝাঁকি জাল, পলো, ট্যাঁটা। নালাতে এসে জড়ো হতো মাছ। মাছ আসে সাগর থেকে, নদী পেরিয়ে, ঝাঁকে ঝাঁকে, খালে ঢোকে, তারপর নালা, পুকুর, ডোবা। একেক মাছের জীবনধারা, খাবার, সয়ে নেওয়ার পানির তাপ, আরামের পানির গভীরতা আলাদা। এই নালা মনে হয় পছন্দ ঠান্ডা স্বভাবের মাছেদের।

জেলেদের মাছ ধরতে দেখি। ধুতি পরা, খালি গা। দূর থেকে বুঝতাম ওদের গায়ে আলাদা সাদাটে ভাব, মনে হয় পানির গন্ধও লেগে থাকে।

এই নালার পাড় থেকে কিছুটা ভেতরে দেখতাম-শাড়ি পরা মেয়েরা ঘর সংসারের কাজ করছে। বাচ্চাদের দল দৌড়াদৌড়ি করছে। ওদের ধাওয়া করছে কুকুরের দল। আবার কখনও উল্টোটা। ওদের খেলার আর কিছু নেই? আমাদের ফুটবল আছে, রাবারের বল, মার্বেল, ডাংগুলি। ওদের কুকুর নিয়ে কুকুরের মতো খেলতে হচ্ছে কেন? আমার মায়া হয়। আমি যখন সাহস করতে পারব আমার খেলার জিনিসগুলো নিয়ে জেলেপাড়ায় যাব। আমাকে খেলতে নিলে খেলব। না-হয় এমনিতে বল, মার্বেল ওদের দিয়ে আসব।

ছোট ছেলেদের কোমরে কিছু একটা জড়ানো। আধুল গা। মেয়েদের কাপড়চোপড়ের পরিমাণও ততো বেশি না। মাথার বড় চুল থেকে ধরা যায় মেয়ে। চুলে দেওয়ার তেলটাও মনে হয় ওদের জোগাড় হয় না। আমার সুন্দর থাকতে ভালো লাগে। মাকে দিয়ে জামা প্যান্ট কাচাই, মাথায় জবজবে নারকেল তেল লাগাই। আমার বয়সি জেলেপাড়ার ছেলেমেয়েগুলোর জন্য আমার মায়া হয়। ওদের মায়েদের এই এতটুকু যত্ন করতেও সময় হয় না। এই মায়েদের দেখি মাছ ধরার কাজেও জড়িত। জাল শুকাচ্ছে হাঁটুপানিতে নেমে পলো দিয়ে মাছ ধরছে।

বেড়ার, পাতার ঘর। আমাদের ঘরবাড়ির মতো না।

আমার কেন মনে হতো, জেলেপাড়ার মেয়েরা, বাচ্চারা কখনও নালার এপারে আসে না। নিষেধের বেড়া দেয়া আছে।

ঠান্ডা স্বভাবে মাছের ঠাঁই গাড়তে দেওয়ার জন্য নালার দুই পাড়ের গাছগাছালি নালার পানিকে ছায়া দিয়ে রেখেছে। নালার পাড় যাতে ভেঙে ভেঙে না পড়ে তাই এই গাছগাছালি দাঁড়িয়ে ওদের ছড়ানো শিকড়ের জাল নিয়ে।

আমি ধরে নিয়েছি জেলেপাড়ার মানুষের দুঃখ-কষ্ট বেশি। তাই ওদের উৎসব দেখলে ভালো লাগত। উৎসব হতোও প্রতি মাসে, না-হয় দুই মাসে। উৎসব যে ওদের চলাফেরায় বুঝতাম। হয়তো ওদের কোনো পূজা, বিবাহ। নতুন শিশুর জন্যও উৎসব হয় বা কেউ মরে গেলেও। আমি রঙ নিয়ে খেলা দেখেছি। ঢোল, অন্যকোনো বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজ। পুরুষ, নারীর গলায় গান।

মনে হয় রাতের উৎসব বেশি হতো। কিন্তু আমার তো সন্ধ্যার অন্ধকার হওয়া ধরলেই ফিরে আসতে হতো।

নানা রকমের মাছ এই নালার পানির ভিতরে খেলে। মাছ চলাচলের শব্দ আমি শুনতে পাই। টুপ করে উঠে মাছ মাথা দেখায় আবার হাওয়া।

মাছ খেলে, কিন্তু এটা মাছের খেলার জায়গা না। ওরা জেলেদের কোনো একটা জালে ধরা পড়ে বা জেলেরা ধরে ফেলে।

মাছ নিয়ে ধুতি পরা জেলেরা ভোরে ভোরে দয়াগঞ্জ বাজারে আসে। দোলাই খালের পারে খোলা জায়গায় বাজার। যে যেখানে পারে এসে বসে। মাছ বিক্রেতারা এক পাশে। সবজি বিক্রেতারা কোনো একটা জায়গা নিয়ে।

সবজি বেচার খুপরি দোকান আছে কয়েকটা। মাছ নিয়ে তা করার উপায় নেই। মাছের গায়ে পানি ছিটাতে হয়। মাছি ভনভন করে। মাছ কাটাকুটির বড় বটি, রক্তারক্তি।

বাবা রোজ সকালে আমাদের বাজার করতে নিয়ে যায়। কিন্তু কোনোদিন বাবার শরীর খারাপ থাকে বা অন্যকোনো কাজ পড়ে যায় বাজারের সময়টায়। তখন ছোট একটা বেতের খালুই নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে আমি দয়াগঞ্জ বাজারে আসি। আট আনার বাজার। একটা আধুলি বা দুটা সিকি। পয়সাগুলো গোল খেলনা গাড়ির চাকার মতো। হাত থেকে পড়লে তাড়াতাড়ি গড়িয়ে রাস্তার পাশের নর্দমার ময়লার তলায় ডুবে যাবে বা গড়িয়ে গড়িয়ে এমন কোনো জায়গায় লুকাবে তা কেউ কোনোদিনও খুঁজে পাবে না। আমার হাফ-প্যান্টের পকেটে পয়সা ঢুকিয়ে চেপে রাখি, পিচ্চি একটা ইঁদুরের মতো লাফিয়ে যাতে বেরিয়ে আসতে না পারে।

যারা যারা মাছের ডালা নিয়ে বসেছে ওদের আমি চিনি। এই মাছ এসেছে জেলেপাড়ার নালা থেকে। এই মাছও আমি চিনি। তবে এই মাছের এখন মায়া দেখালে হবে না। আমাদের খেয়ে বাঁচতে হবে তো। এই মাছও বেঁচে থাকার জন্য খাবার খায়। উদ্ভিদ, শ্যাওলা, কচুরিপানা, পোকামাকড়। বড় মাছ ছোট মাছও খায়।

কত রকমের মাছ এখন আমার চোখের সামনে, দেখতে ভালো লাগে। বেলে মাছ, টাকি মাছ, বোয়াল, রুই, পুঁটি, চাপিলা, কৈ, শিং। কাঁচকি, ইচা মাছ।

আমি দরাদরি করি, মনে মনে হিসাব মিলাই। আট আনায় আমাকে মাছ, সবজি কিনতে হবে, দাদি পানের কথা বলে দিয়েছে।

এসব কোনো মাছ কেনা যাবে না। এরকম সুন্দর দামি মাছ আমি কিনলে, আমার সঙ্গে যেতে পারলে ওরা কি খুশি হত? আমি অনেক তৃপ্তি করে খাচ্ছি এটাও হয়তো কোনো মাছের ভালো লাগতে পারে, আমাদের আগে থেকে জানাশোনা ছিল তো।

সবচেয়ে সস্তা ইচা মাছ আর নলা মাছ, তাই কিনি।

লম্বা বেগুন, পটল, আলু এসব কিনি। দয়াগঞ্জ বাজারের শোভা হলো বাজারের মুখের পানের বড় দোকান। দেশে যেখানে যত রকমের পানের চাষ হয়, সব পানের আড়ত এই দোকান। একেক খাঁচিতে একেক পান সাজানো। কত আকারের, পানের সবুজও কত রকমের।

আমি পান কিনি। পানের দোকানের পাশের জায়গাটা থেকে সুপারি আর কত। পান দাদি, বাবা-মা সবাই খায়। ওরা যখন পান খায় পানের লাল রসে ওদের মুখ আলো হয়ে যায়। বড়রা খুশি কম হয়। কিন্তু পান খেলে সবার মন খুশ, মন খুলে তখন কথা বলে। আমি খেয়ে দেখেছি। তিতা ও ঝাল। পানের কুঁচি দাঁতে আটকে থাকে। জিভ ভোতা হয়ে যায়, লজেন্স মুখে দিলেও মিষ্টি লাগে না।

বুঝি যে, এই পৃথিবীর বেশিরভাগ আনন্দ নিতে বয়সে বড় হয়ে উঠতে হয়।

কিন্তু কীভাবে তাড়াতাড়ি বড় হবোÑ তা জানি না, আমি এমন কাউকে চিনি না, যিনি বড় হওয়ার রাস্তা আমাকে চিনিয়ে দেবেন।

আমার বাবা বাড়িতে বসে কাঠমিস্ত্রির কাজ করে। তবে আসবাবপত্র না। ছোট ছোট কাঠের বাক্স তৈরি করে। কয়েক রকম সাইজের। শিমুল কাঠের বাক্স। বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে ফরাশগঞ্জ হচ্ছে কাঠের আড়ত। নদীতে ভাসিয়ে গাছের গুঁড়ি এনে এখানে জড়ো করা হয়। কাঠ চেড়াইয়ের বড় করাতের মিল, এই গুঁড়ি দরকার মতো কেটে নিয়ে যাওয়ার জন্য। আমার বাবার দরকার গুঁড়ি কেটে বড় তক্তা। বেশ কয়টা তক্তা কিনে ঠেলাগাড়িতে তুলে দেয় বাবা। এই তক্তা বাড়িতে হাত করাতে বাবা কেটে ছোট ছোট টুকরো করে। এই টুকরো তারকাটা লাগিয়ে চার কোনা বাক্স বানাতে হয়। যে কয়টা যে রকম সাইজের অর্ডার পায় বাবা। আমি বাক্স বানিয়েছি। কাজটা কষ্টের। তারকাটা লাগানোর সময় হাতুড়ি পিছলে কখনও আঙুল থ্যাঁতলে দেয়। বাবা দিনে কাজ করে, রাতেও। আমার বাবার জন্য মায়া হয়।

এসব বাক্স বাবা দিয়ে আসে বসু বাজার, তাঁতীবাজার, ভজহরি সাহা স্ট্রিট, লালমোহন সাহা স্ট্রিট। ওই বাড়িগুলোতে আয়ুর্বেদিক, কবিরাজি শিশির ওষুধ তৈরি করে। বাবার তৈরি কাঠের বাক্স হলো ওইসব ওষুধ পাঠানোর প্যাকিং বাক্স। এই ওষুধ আবিষ্কার, তৈরি, বিক্রির ব্যবসা যারা করেন তারা হিন্দু সম্প্রদায়ের।

বাবার সঙ্গে আমি গেছি কয়েকবার। বাবা বাড়ির ভিতরে বাক্স রাখার জায়গায় বাক্স দিয়ে আসে। বাবা আর আমি অফিসে অপেক্ষা করি। ওরা হিসাব মিলিয়ে বাবাকে বাক্সের দাম দিয়ে দেয় বা পরে আরেক দিন দেবে বলে।

বাবা ওষুধ কোম্পানির লোকদের সঙ্গে কথা বলে। আমি বোকা বোকা চোখে অফিস দেখি, দেয়ালে ঘড়ি, ঘরভর্তি আলমারি, আলমারিতে অনেক মোটা বই, নানা রকমের ওষুধের শিশি। বাড়ির ভেতর থেকে ওষুধের গন্ধ এসে নাকে লাগে। উঁকি মেরে দেখেছি, নানা রকমের কাজ হচ্ছে। শিশিতে ওষুধ ঢালা হচ্ছে। শিশির গায়ে ওষুধের নামের লেবেল। বাবার তৈরি ছোট বাক্সে প্রথমে ঢোকানো হচ্ছে শিশি। তারপর অনেক রকমের ওষুধ একটা বড় বাক্সে ঢুকিয়ে শক্ত করে আটকে দেয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে। এসব বাক্স যাবে সদরঘাটে নৌকা, লঞ্চে তুলে দেয়ার জন্য। আবার কিছু ফুলবাড়িয়া রেলস্টেশনে পাঠায় সেগুলো রেলগাড়ির বগিতে যাবে। বাবা বলেছে, এসব ওষুধ কত গ্রাম, গঞ্জ, শহরে চলে যায়। মানুষের অসুখ হয়। মানুষের জন্য মানুষের মায়া। সেই অসুখের ওষুধ বের করা হয়। ওষুধ তৈরি হয়ে রোগীর হাতে চলে যায়। রোগী ওষুধ খেয়ে সেরে ওঠে।

এই একটা অনেক বড় মায়ার কাজের মধ্যে বাবা কিছুটা আছে ভাবতে ভালো লাগে।

ওষুধ নিয়ে অনেক পড়াশোনা করতে হয়, পড়াশোনাওয়ালা অফিসে এরকম মালিকদের কেউ বাবাকে বলেছিল, ছেলেকে পড়াও। আমাকে দেখে তার মায়া হয়েছিল হয়তো।

আমাদের বেগমগঞ্জ লেনে তেমন পড়াশোনার চল হয়নি। সবে গলির মুখে একটা স্কুল চালু হয়েছে। অনিল স্যার হেডমাস্টার।

বাবা আমাকে নিয়ে একদিন অনিল স্যারের কাছে দিয়ে আসলেন।

বাবা যে তক্তা দিয়ে কাজ করেন ওরকম কয়েক সারি তক্তা ইটের ওপর বসানো।

তার একটায় গিয়ে আমি বসি।

রহমান স্যার পড়ায়। তার আওয়াজ থেকে ছাত্রদের গলার আওয়াজ বেশি। মুখ বন্ধ রাখা আসলে কঠিন কাজ।

কয়দিন পরে খেয়াল করে দেখলাম, আমাদের সঙ্গে একটা কালোকুলো মেয়ে। আমি ঘাড় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ওকে দেখি। নাম জানলাম, দুর্গা। আমার পাশের ছেলেটা বলল, দুর্গারা হিন্দু। ওর কাছ থেকে অন্য ছেলেরা সরে বসে। ওকে একলা দেখে আমার মায়া লাগে। আমি ওর পাশে গিয়ে বসি। আমাদের দুটা পেয়ারা গাছ। একটায় কলসের মতো পেয়ারা হয়। ভেতরটা লাল। অনেক মিষ্টি। ভোরবেলা গাছে ওঠে আমি তিনটা পেয়ারা পেড়েছি। দুটা এনে দুর্গাকে দিয়েছি।

খুব গরমে থাকতে না পেরে আগের রাতে বাবা, মা, ভাই-বোন আমরা সবাই টিনের ছাদে পাটি বিছিয়ে শুয়েছিলাম। চিত হয়ে শুয়ে আমার আকাশ দেখতে ভালো লাগছিল। আমি না ঘুমিয়ে আকাশের ভোর হওয়া দেখি।

স্কুলে এসে তক্তায় বসেই আমি ঢুলছি, ঘুমিয়ে যাচ্ছি। স্বপ্ন দেখি জেলেদের নালাটা আমাদের এই স্কুল পর্যন্ত চলে এসেছে। আমি একটা মাছ। মাছ হয়ে পানির তলায় ঘুরে বেড়াতে আমার ভালো লাগছে। আমি বুঝে ওঠার চেষ্টা করছি আমি কী মাছ। বেলে মাছের গায়ে রক্ত নেই। তবে এই মাছের গায়ের রঙ সুন্দর, হালকা সোনালি। আমি দরাদরি করেছিলাম তিনটা বেলে মাছ কেনার জন্য। পোষাবে না বলে জেলেপাড়ার জেলে আমাকে দিল না।

আমি তাকে চিনি। কিন্তু সে আমাকে চিনতে পারেনি। আমি এখন একটা বেলে মাছ হয়ে তার কাছে যাব। ঠিক ঠিক সে আমাকে চিনে নেবে। আমি জেলেপাড়াটা আরেকটু কাছ থেকে দেখে আসব।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা