× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

প্রবহমান সংস্কৃতির আলোকিত ধারা জারি ও জারিনৃত্য

বঙ্গ রাখাল

প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৫ ১৪:২৭ পিএম

আপডেট : ২২ আগস্ট ২০২৫ ১৫:৩০ পিএম

নেত্রকোণার হেলাল বয়াতি ও তার দল

নেত্রকোণার হেলাল বয়াতি ও তার দল

লোকমানসের এক ঐতিহ্যবাহী মাধ্যম জারিগান। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন লোকসংগীতের চল লক্ষ করা যায়। এসব লোকসংগীতের মধ্যে জারি এমন একটি মাধ্যম যা নারী-পুরুষ, শিশু-বৃদ্ধ, হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এক বাক্যে স্বীকার করবে জারিগানের আবেদনের কথা। হিজরি ৩৫২ সালে বাদশাহ্ খইজ উদ্দিনের রাজত্বকালে প্রথম ইমাম হোসেনের বিয়োগান্ত কাহিনী নিয়ে বাগদাদে মহরমের দশম দিবস নিয়ে শোক, তাপ, বিরহ গাথায় আনুষ্ঠানিক উদযাপন ঘটে। এদেশে জারিগানের উদ্ভব বা বিকাশ নিয়ে বিভিন্ন গবেষকের বিভিন্ন মত রয়েছে, কিন্তু ‘জারি’ যে মুসলমানদের একান্ত সম্পদ, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

গবেষক ড. এনামুল হক বলেন, বাংলা সাহিত্যে শোকাত্মক কোনো ঘটনাকে কেন্দ্র করিয়া গান বা কাব্য রচনা করার রীতি ষোড়শ (ইং) পর্যন্ত প্রবর্তিত হয়নি। কিন্তু সৈয়দ জামিল আহমেদ প্রণিত ‘হাজার বছর : বাংলাদেশের নাটক ও নাট্যকলা’ গ্রন্থে দাবি তুলেছেন জারিগান পরিবেশনার উদ্ভবসূত্র আবিষ্কার করা যায় আনুমানিক পঞ্চদশ শতকের বৈঠকি রীতির ‘জঙ্গনামা’ পরিবেশনায়। ‘জঙ্গনামা’ বৈঠকি রীতির পরিবেশনা থেকে বিবর্তনের পথ ধরে অবশেষে ‘জারিগান’ (শোক সংগীত) নামে বাংলাদেশের স্থানীয় জনসমাজে প্রভূত খ্যাতি লাভ করে। আবার মুহাম্মদ আবদুল সাত্তার তার ‘বৃহত্তম ময়মনসিংহের লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি’ গ্রন্থে উল্লেখ করেনÑ ষোড়শ শতাব্দীর প্রথম দিকেই জারিগানের প্রচলন হয়েছে। তবে গবেষণায় জানা যায়, ষোড়শ শতাব্দীতে শেখ ফয়জুল্লাহ রচিত ‘জয়নবের চৌতিশা’ নামে যে একটি বাংলা কাব্য রচনা করেন এটাই জারিগানের প্রাচীনতম নিদর্শন। ‘জয়নবের চৌতিশা’ ছাড়াও অজ্ঞাত কবিগণ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পুঁথি রচনা করেছেন। যেগুলো বিভিন্ন আসরে নাচ এবং সুরসহ গাওয়া হতো। যেমনÑ সখিনার চৌতিশা, সখিনার বিলাপ ইত্যাদি। এরই পথ ধরে কবি মুহম্মদ খান রচনা করেন ‘মোক্তার হোসেন’। কবি হামিদ রচনা করেন ‘সংগ্রাম হমন’ ও হেয়াত মামুদ রচিত ‘জঙ্গনামা’ পাঁচালি আঙ্গিকে রচিত হয়েও জারিগান হিসেবে বিভিন্ন আসরে পরিবেশিত হতো। নওরোজ কিতাবিস্তান ও গ্রিন বুক হাউস লিমিটেড, ঢাকার যৌথ প্রযোজনায় প্রকাশিত ‘বাংলা বিশ্বকোষে’ জারিগান বিষয়ে লেখা হয়েছেÑ মুসলমানগণ মহরম মাসের ১০ তারিখে দেশব্যাপী শোকসভা পালন করিয়া থাকেন। সাধারণত এই মহরম মাসে কারবালায় করুণ কাহিনীকে অবলম্বন করিয়া যেসব গান করা হয়, তাহা ‘জারিগান’ নামে পরিচিত। ‘জারি’ শব্দটির অর্থ শোক শব্দ হইতে আসিয়াছে। ‘বাংলাদেশের লৌকিক ঐতিহ্য’ গ্রন্থে বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক আবদুর হাফিজ ‘জারিগান’ সম্পর্কে বলেছেনÑ ‘মুসলিমদের জারিগান সমগ্র বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ ব্যাপ্তি প্রচলিত। ময়মনসিংহ জেলা বোর্ড প্রকাশিত ‘ময়মনসিংহের সাহিত্য ও সংস্কৃতি’ গ্রন্থে আবদুর রাজ্জাক উল্লেখ করেন জারিগানের বিষয়বস্তুতে রয়েছে কারবালার নির্মম কাহিনী। বীরত্ব সেখানে ষড়যন্ত্রের শিকার অমানবিকতার হিংস্র থাবায় সেখানে শিশু, নর-নারীর জীবন বিপন্ন। সেই আর্তির সঙ্গে ঐক্যবোধ, সেই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঘৃণার জাগরণ। সিরাজুদ্দীন কাসিমপুরী ‘বাংলাদেশের লোকসংগীত পরিচিত’ গ্রন্থে ‘জারিগান’ সম্পর্কে উল্লেখ করেছেনÑ ইহার (জারিগান) মানবীয় আবেদন একান্তভাবেই করুণ রসাত্মক। ‘জারি’ শুধূ দুঃখের গান আর বেদনার সুর নহে, ইহা বীরের গান, বীরত্বের ঝংকার, সবল, সমুন্নত ইহার পাখা। ইহাতে আছে সত্য, ন্যায়, ধর্ম প্রভৃতি উচ্চতর মানবীয় গুণের সংরক্ষণ ও স্থায়িত্ব আনয়নের জন্য স্বভাব দত্ত বীররসের সংযত প্লাবন, আত্মবিসর্জনের উদাত্ত আহ্বান। 

লোকসংগীত সাধনায় বিশেষ করে বলা যায় ধুয়া জারির জন্য যশোর, ঝিনাইদহ জেলা বিশেষ গৌরবময় ঐতিহ্যের অধিকারী। সতীশচন্দ্র মিত্র (১৮৭১-১৯৩১) প্রণিত ‘যশোর-খুলনার ইতিহাস’ গ্রন্থে আমরা দেখতে পাইÑ প্রায় ১৫০ বছর ধরিয়া যশোর জেলায় জারি চলিতেছে। এই গানের উৎপত্তিস্থান বলিয়া যশোহর যশস্বী। যদিও সনাতন ও রামচাঁদ প্রভৃতি দুই চারজন হিন্দু বয়াতির নাম শুনতে পারি। তবু বলিতে পারি, সাধারণ মুসলমানগণই এই গীতের পালক, গায়ক, রচক ও প্রচারক। জারি গীতের প্রধান প্রবর্তক দিগের মধ্যে পাগলা কানাই প্রথম ও ইঁদু বিশ্বাস দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী। যশোরের উত্তরাংশ অর্থাৎ ঝিনাইদহ ও মাগুরা মহকুমা জারিগানের পীঠস্থান। ষোড়শ শতকে জারিগান শুরু হলেও কিন্তু বিকাশ লাভ করে ঊনবিংশ শতকের মধ্যপদ থেকে বিংশ শতকের ষাটের দশকে। যশোর-ঝিনাইদহ-মাগুরা ছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জারিগানের প্রচলন ছিল। বর্তমানেও এর ধারা কিছুটা হলেও বিদ্যমান। যেমনÑ বৃহত্তম ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, চব্বিশপরগনা, মুর্শিদাবাদ জেলায় অনেক জারিগানের  দল ছিল। প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করা যায় যে, ধুয়া জারিগানের জন্য একসময় বৃহত্তম যশোর (বর্তমান ঝিনাইদহের) পাগলা কানাই সারা বাংলাদেশসহ পশ্চিমবঙ্গে সুপরিচিত লাভ করে। জারিগান মূল শোকাত্ম গান। এ গান বিষাদময় মহরম মাসকে কেন্দ্র করেই পরিবেশিত হয়। এ মহরম মাসে এখনও বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কমবেশি জারি পরিবেশিত হয় যা চোখে পড়ে। সাধারণত মহরম মাসের প্রথম দিন কিংবা দুয়েক দিন পর থেকেই এ গানের চল শুরু হয়। বর্তমানও বৃহত্তম ময়মনসিংহ জেলার নেত্রকোণা ও কিশোরগঞ্জে নিয়মিত জারিগানের আসর বসে। এ গান পরিবেশনার জন্য রাত কী দিন এর কোণ নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। রাতে বা দিনে এ গান অনুষ্ঠিত হতে পারে। জারিগানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক গ্রামের মানুষ। তাদের সহযোগিতায়ই গ্রামে জারিগান পরিবেশিত হয়। তবে মানুষ মানতের জন্য গাজীগানের মতো জারিগানও মানত করে থাকে। জারিগানের জন্য ১২-১৭ জনের একটা দল থাকে। তারা জারিগানের আসরে জারি পালা পরিবেশন করে থাকেন। এ জারি পরিবেশনের জন্য তারা সর্বনিম্ন ১ হাজার থেকে ১০ হাজার পর্যন্ত টাকা নিয়ে থাকেন। জারিগানের জন্য সাধারণত বাড়ির উঠান বা ফাঁকা জায়গায় আসর নির্মাণ করা হয়। উঠান ব্যতীত খোলা মাঠ, শহরের উন্মুক্ত মঞ্চ বা একাডেমিক মঞ্চগুলোতেও জারিগান পরিবেশিত হতে পারে। উঠান বা ফাঁকা জায়গা কাঁঠের চৌকি, বাঁশ, ছামিয়া দিয়ে এর আসর নির্মাণ করা হয়। এ আসরে রাতের জন্য বিদ্যুতের বাতি ও হ্যাজাক ব্যবহার করা হয়। আর দিনে সূর্যের আলোই প্রধান আলো হিসেবে পরিগণিত হয়। মঞ্চনাট্যকর্মী বা গাজীর শিল্পীদের মতো এদের জন্য আলাদা কোনো সাজঘরের প্রয়োজন হয় না। এরা খোলা স্থানেই এদের প্রয়োজনীয় পোশাক-আশাক পরিধান করতে পারে। জারিগান পরিবেশনার জন্য পোশাক হিসেবে সাদা ধূতি বা পাজামা, স্যান্ড গেঞ্জি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এ জারিগানের কুশলীবগণ মাথায় লাল ফ্যাটা, বাম হাতে কব্জি বন্ধনি, কোমরে কোমর বন্ধনি ব্যবহার করে থাকে এবং অভিনয় উপকরণ হিসেবে হাতে রুমাল থাকে। এটা লাল, সাদা বা সবুজ যেকোনো রঙের হতে পারে। এ ধরনের আসরে বাদ্যযন্ত্র হিসেবে হারমোনিয়াম, করতাল, দোতারা, সারিন্দা, বেহালা বা ডুগডুগি, ঢোল, একতারা, দোতারা, বাঁশি, জুড়ি, খঞ্জনি, কাঁসা ইত্যাদি ব্যবহার লক্ষ করা যায়।

সাধারণত জারিগানের আসরে গায়েনবৃন্দ নৃত্যের তালে তালে বৃত্তাকায় ঘুরতে ঘুরতে এই শোকসংগীত পরিবেশন করে থাকে। দলপতি দলের অন্য সবাইকে একটি দিশা বা ধুয়া ধরিয়ে দেয়। এ ধুয়া বা দিশা ধরিয়ে দেওয়ার আগে তিনি একটি কাহিনী বর্ণনা করে নেন। দোহাররা যখন দিশা বা ধুয়া ধরে, তখন দলপতি বিশ্রামে যান এরপর আবার গান শুরু করেন এভাবেই গান পর্যায়ক্রমে এগিয়ে যায়। জারিগান পরিবেশনার সময় দোহার বা নৃত্যকারদের হাতে লাল রুমাল বা গামছার দেখা মেলে। এভাবেই অঙ্গভঙ্গি, হাততালি বা রুমালের সঞ্চালনার মধ্য দিয়েই জারিগান পরিবেশিত হয়। বন্দনার মধ্যে যে জারিগান শুরু হয়, এ বন্দনা স্বল্প বা দীর্ঘ উভয়ই হতে পারে। সাধারণত নবীনরাই জারিগানের দোহার বা নাচনেওয়ালা হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। জারিগানের দলপতি কোথাও ‘বয়াতী’, ‘হাদি’, ‘ওস্তাদ’, ‘সরকার’ নামে পরিচিত। আবার দলে যারা নাচে বা গানে অংশ নেন তাদের ময়মনসিংহে ‘দোহার’ ও উত্তরবঙ্গে ‘পাইল’ বলা হয়। দলের দলপতি ব্যতীত অন্য সদস্যদের ময়মনসিংহে ‘পাইল’; কিশোরগঞ্জ, ঝিনাইদহ, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনায় ‘দোহার’; নেত্রকোণায় ‘জোগালী’ ও টাঙ্গাইলে ‘বাহারী’ বলা হয়। যিনি সর্বপ্রথম গানে সুর তোলেন তিনিই প্রধান দোহার। কোথাও কোথাও এ দোহারকে খেলোয়াড় বলা হয়। কোনো কোনো দরে বয়াতি একজন, খেলোয়াড় একজন এবং দোহারের সংখ্যা দশ-বারোজন হতে পারে। যারা জারি পরিবেশন করেন তারা সাদা ধূতি, পাজামা, সাদা গেঞ্জি পরে। এ দোহারদের পায়ে নূপুর ও হাতের রুমাল ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে নাচন দেয়। দোহাররা হাতে তালির মধ্য দিয়েÑ আহা, বেশ বেশ... বলে বাহার দেয়। মুর্শিদাবাদে সরু বাঁশ থেকে তৈরি দুটি ঝারন ব্যবহার প্রত্যেক জারিয়াল। পুরুষদের মতো মহিলাদের জারি পরিবেশনও চোখে পড়ার মতো। কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রামে মহরমের একাদশ ও দ্বাদশ দিবসে মেয়েরা জারিগান পরিবেশন করেন।

মহরম উপলক্ষে মুসলমান গ্রামবাসী যেসব নৃত্য পরিবেশন করে থাকে, সে নৃত্যই জারিনৃত্য নামে পরিচিত। জারি নাচের মৌলিক আবেদন রস এবং এটি বৃত্তাকারভাবে দলবদ্ধ নৃত্য। মূল গায়েন বা ওস্তাদ বৃত্তের মাঝখানে দাঁড়িয়ে গান গায় আর দোহাররা নেচে নেচে ধুয়া গায়। এ জারি নৃত্যের সঙ্গে জারিগানের কোনো সামঞ্জস্যতা নেই। শুধুমাত্র গানের ছন্দে হাততালি দিয়ে মাথা দুলিয়ে শোক বা মাতম করা হয়। আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জারির উদ্ভব দেখতে পাই যেমনÑ ইমাম চুরি, শহীদ কারবালা, সখিনার বিবাহ। শুধুমাত্র মহরমকে কেন্দ্র করেই জারি রচিত হয়, তা নয়। বিভিন্ন বিষয় নিয়েও জারিগান রচিত হয়েছে। গোবীনামা, গাভীনামা, তিলেকনামা। সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সচেতনমূলক জারিও রচিত হয়েছে। এসব জারি আধুনিক জারি। যেমনÑ স্বাধীনতা দিবসের জারি, নিরক্ষতা দূরীকরণ বিষয়ে জারি, ধূমপানবিরোধী জারি, নজরুল ইসলামের জীবনভিত্তিক জারিও রচিত হয়েছে। জারিগানের সুরগুলো সব সময় একই রকম থাকে। এর কোনো পরিবর্তন হয় না। মাঝে মাঝে এর বিষয় বৈচিত্র্যে পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। কিন্তু সুরে কোনো পরিবর্তন হয় না। 

বন্ধনা সংগীত গেয়ে এ গান শুরু হয়। বন্দনাসংগীত সংক্ষিপ্ত বা দীর্ঘ হতে পারে। বয়াতি আসরে উঠে বন্দনা শুরু করেন। বন্দনা পর্বে প্রশ্নোত্তর বন্দনাও হতে পারে। জারিগানের ধারা মুসলমান ও কবিগানের ধারা হিন্দুদের দ্বারা রক্ষিত হয়ে আসছে বহুকাল ধরে। তবে শ্রোতারা কবিগান ও জারিগানকে সমান চোখেই দেখে আসছে। কিন্তু কবিয়াল বিজয় সরকারের আগে জারিকে কবিগান এবং কবিগানকে জারিগানের আসরে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়নি। নড়াইল জেলায় তারপুর গ্রামের জারিয়াল মসলেম বয়াতির সহযোগিতায় বিজয় সরকার কবিগান ও জারিগান একই আসরে পরিবেশন করেন। জারিগান পরিবেশনার দিক থেকে ঝিনাইদহের পাগলা কানাই ছিলেন প্রবাদতুল্য। পরবর্তীকালে তার পথই অনুসরণ করে ইদু বিশ্বাস, ফজর বিশ্বাস, হাকিম চান, কালাচান, ছায়েদউদ্দিন, তোরা বয়াতি, আবদুল মালেক দেওয়ান, আবদুল খালেক দেওয়ান, আবদুল গণি বয়াতি, দারোগা আলি বয়াতি, শাই আলী বয়াতি, আব্বাস আলী ভাসান, মোহাম্মদ আলী, আকবর মিয়া, কাদের বয়াতি, শের আলী বয়াতি প্রমুখ জারিগানের ধারা অব্যাহত রেখেছেন।


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা