পলিয়ার ওয়াহিদ
প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৫ ১৪:১৫ পিএম
সে এক রাতের কবিতা। বাংলাদেশের রজনী। সে তো এখনও পোহায়নি!
স্মৃতির মিউজিয়াম ভরা লাশ। বুড়িগঙ্গার মতো লম্বা রাত। যেন রাতের ভেতর
জেগে ওঠা তুরাগ। তাদের পানির মতো ঘোলা ইতিহাস। জাহাঙ্গীরনগর থেকে পলাশীর ত্রাস। এত
এত দীর্ঘ রাত! রাতের গহিন গোঙানিপাত।
সে কত কত দিনের গল্প। তামার রোদের মতো অন্ধকারের গন্ধ। ভয়ে-আতঙ্কে
কেঁপে কেঁপে উঠছিল শহর। সাভার থেকে যাত্রাবাড়ী লাশের বহর। কেউ কোথাও ছিল না নিরাপদ।
শহরজুড়ে শত শত ছাত্রলীগ-পুলিশ শ্বাপদ।
বৃষ্টির মতো ঝরছিল গুলিÑ হেলিকপ্টারের খুলি, উঁচু ভবনের ছাদ। মুহূর্তে
মরে গেছে শিশু, শুয়ে ছিল পিতার কাঁধ, ব্যালকনি ও বারান্দা, তাদের হাতে থাকত রামদা।
কখন যে চলে যেত দিন। গা ঘিনঘিন। আকাশে চাঁদ; যেন মনে হতো মৃত্যুর ফাঁদ!
জোছনার মতো গলে গলে পড়ছিল শহীদের মগজ! হাসপাতালে হাসপাতালে খোঁজ।
এই ছিল যুবলীগের আবহাওয়া, আমরা প্রতিমুহূর্তে ছিলাম আজরাইলের খাওয়া। বেঁচে থেকেও আমরা
ট্রমা শহীদ। তবুও গাইব জীবনের গীত। আর যত জিদ ও জেল্লা, গাজিরা মূলত শহীদদের আলখেল্লা!