× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বুদাপেস্টে রবীন্দ্রনাথ ও হারনয়ীর বেঙ্গলী তূর্য

আবদুন নূর

প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৪ ০৯:৪২ এএম

হাঙ্গেরির বুদাপেস্টের বালাতনে রবি ভাস্কর্য ও রবীন্দ্রনাথের লাগানো লাইম গাছ

হাঙ্গেরির বুদাপেস্টের বালাতনে রবি ভাস্কর্য ও রবীন্দ্রনাথের লাগানো লাইম গাছ

গত সংখ্যার পর  

বিশ্বভারতীর শিক্ষাক্রমে জড়িত থাকবে পার্শ্ববর্তী গ্রামের মানুষের জীবন পরিবর্তনের মানসিকতা। অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকবৃন্দ জমিতে চাষ করবে, বীজ বুনবে, গবাদিপশু পালন শিখবে। সংস্কৃতি ও সংসার পালন একই মুদ্রায় এপাশ ওপাশ। এবং বিশ্বভারতীতে মেয়েরাও অধ্যয়ন করবে ছেলেদের পাশাপাশি। থাকবে হোস্টেলে। ওরা আসবে বাংলায় দূরদূরান্ত থেকে শান্তিনিকেতনে শুধু অধ্যয়নের প্রয়াসে।

রাজকীয় আতিথ্য প্রদর্শিত হলো বুদাপেস্টে। তিনি থাকলেন তদানীন্তন রাজকীয় প্রাসাদ হোটেল সেলেন্ট। দানিয়ুব নদীর নেস্ট তীরে। সাতটি রুম দেওয়া হয়েছে তার দলের জন্যে। তিনি পেলেন রুম ১২৩ এবং ১২৫। এক সাংবাদিকের অনুলেখনে তার সঙ্গে ছিল চারটি সুটকেস এবং ২৬টি হাতব্যাগ। অসুস্থতার কারণে রবীন্দ্রনাথ হোটেলের রুমে বদ্ধ রইলেন অক্টোবরের শেষ তিন দিন। দশজন চিকিৎসক পর পর তাকে দেখতে এলো। অবশেষে হাঙ্গেরির সবচেয়ে বড় কার্ডিওলজিস্ট সিদ্ধান্ত নিলেনÑ কবির যথাযথ বিশ্রামের প্রয়োজন। প্রফেসর কোরানি। তাকে যেতে হবে লেকের পাড়ে। বালাটন শহরে আছে প্রথিতযশা হাসপাতাল। হাঙ্গেরি সরকার সেখানে তার অবস্থানের ব্যবস্থা করবেন। 

কবি প্রতিটি দর্শকের ক্রীত বই স্বাক্ষর করতে উদগ্রীব ছিলেন। জার্মান ব্যারোনেস প্রতিদিন সকালে এক গাদা বই কাঁধে নিয়ে বাঁকানো সিঁড়ি দিয়ে নেমে আসলেন প্রসন্ন হাসি মেলে ধরে। সঙ্গে সহযোগী কবির শত শত স্বাক্ষরিত বই নিয়ে। ব্যারোনেস জানালেন কবি ভোর চারটা হতে ঘুম থেকে উঠে প্রতিটি বইতে স্বাক্ষর প্রদান করেছেন।

সেই শত সহস্র স্বাক্ষরিত বইয়ের যদি একটি পেতাম। বালাটোন শহরের পুরোনো বইয়ের দোকানে হয়তো থাকতে পারে। ফেরার পথে খুঁজব।

নয়.

নভেম্বর ১। ১৯২৬ সাল। অবশেষে পদার্পণ করলেন কবি বালাটন ফর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। লেকের তীরে। ট্রেনে এসেছিলেন। ট্রেন থামল রাত আটটায়। তার সঙ্গে তার যথাযথ সফরসঙ্গীগণ। প্রধান ডক্টর রেলওয়ে স্টেশনে অভ্যর্থনা জানালেন স্বয়ং। শহরের উৎসুক শহরবাসীও এসেছিল ফুলের তোড়া নিয়ে সাদর অভ্যর্থনা জানাতে পূর্বদিগন্তের ঋষি কবিকে। কবি থাকবেন পাঁচ দিন। কিন্তু থেকে গেলেন দশ দিনের সমাদৃত আতিথ্য রক্ষা করে। নভেম্বর ১০ পর্যন্ত।

স্যানাটোরায়ামে পুরো একটি অংশ তাকে বরাদ্দ করা হলো। আটটি বিশাল কক্ষ। প্রত্যেকটি লেকমুখী এবং বিশাল বারান্দায় সাজানো কেদারায় শুয়ে লেকের ঢেউ গোনা যায়। অপসৃয়মাণ পাহাড়, গোধূলির আলোয় দেখা যায়। হাসপাতালের চারপাশে জেগে উঠেছে ছন চালা চাদর দেওয়া কিষানের ঘর। আবাদি জমি। পাশে পাশে নাগফুলের রঙময় সমাহার। হেমন্ত এসেছে বালাটনকরের দোরে দোরে। বিশাল ম্যাগনোলিয়া বৃক্ষের শাখাপ্রশাখা সেজে আছে। বড় বড় শুভ ম্যাগনোলিয়া ফুল কবির অন্তর প্রসন্ন হয়ে উঠল। প্রথম দুটো দিন ও সন্ধ্যা তিনি বারান্দায় আরাম কেদারায় শুয়ে শুয়ে প্রকৃতিকে অনুভব করতেন। বেশিরভাগ সময়ে পড়ে থাকতেন তার প্রিয় ড্রেসিং গাউন। অপরাহ্ণে মৃদুগতিতে বাইরের বাগানে পায়চারী করতেন। ক্রমে দুর্বলতা কমে এলো। তিন দিনের শেষে সূর্যাস্তের পরে সানাটরিয়ামে উষ্ণ জলে স্নান করলেন।

সন্ধ্যায় চারপাশের গ্রামের সাধারণ মানুষজনÑ বাবা, মা, ছেলে, মেয়ে পরিবৃত হয়ে এলো খুঁটিতে লণ্ঠন জ্বালিয়ে কবিকে স্বাগত জানাতে। বারান্দায় তারা অপেক্ষা করত। গান গাইত। প্রাচীন পল্লীগীতি। আধুনিকতর জিপসি সংগীত। ওদের পরিধান ঐতিহ্যময় পোশাক। কবি অভিভূত হয়ে বারান্দায় অলিন্দ থেকে একনজরে অপেক্ষারত সাধারণ গ্রামবাসীর দিকে এক পানে চেয়ে থাকতেন।

তিন দিন পর তিনি হাঙ্গেরির জাতীয় কবির ওপরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করলেন। এবং একই সঙ্গে কবির বেদির কাছে পার্কে লিনডেন বৃক্ষ রোপণ করলেন। বৃক্ষরোপণের প্রথা হাঙ্গেরি সংস্কৃতিতে প্রবীণ প্রচলিত রীতি। শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণের কারণে। রবীন্দ্রনাথ মুগ্ধ হলেন। এবং দু বছর পরে ১৯২৮ সালে বৃক্ষরোপণ প্রথা শুরু হলো। রবীন্দ্রনাথের জীবনীকার ক্ষীতিশ রয় লিখেছেন তার সরল গ্রন্থে।

দ্রুতপায়ে এগিয়ে এলাম তার প্রতিকৃতির কাছে। জায়া সামনে দাঁড়িয়ে মুগ্ধ নয়নে নিরীক্ষণ করছেন। তিনি অভিভূত। যার লেখা গান শুনে শুনে সকাল সন্ধ্যা সংসারের নানা কাজে তার বিচরণ, সেই কবি সম্মানিত হলেন বাংলা থেকে দূরে হাঙ্গেরির হ্রদের পাশে স্বল্পপরিচিত একটি অন্বেষিত শহরে। কবি সম্মানের আসনে আসীন। তিনি প্রতিভাত টাগোর প্রসেনডের তোরণ হয়ে। নানা রঙবেরঙের ফুলের গাছে বেদিতে সজ্জিত। রয়েছে নানা স্মৃতিফলক। এবং অপরূপ রূপসী এক অজানা নারীর ভাস্কর্য। তিনি কে? কে তার ভাস্কর্য সৃষ্টি করেছে। কোনো স্মৃতিফলক দেখতে পাইনি। হয়তো ছিল। কিন্তু কবিকে খোঁজার তীব্র তাড়নায় এই অজানা নারীর পরিচিতি খুঁজতে তত আগ্রহী হইনি। চলার পথে পড়েছে অসংখ্য স্মৃতিফলক। প্রসেনেডের পাথর সজ্জিত চলার পথের নানা স্থানে নাান স্মৃতিফলক বা ভাস্কর্য। নোবেল বিজয়ী। অধ্যাপক। লেখক। কবি। শতাব্দী ধরে বরেণ্য গুণীজনকে স্মৃতিতে ধরে রাখার কী মুগ্ধ আয়োজন। হতে কি পারে না বাংলাদেশে? দেশ, জন, ভাষা, সাম্প্রদায়িকতার ঊর্ধ্বে থেকে বিশ্বের বরেণ্য মানুষকে শ্রদ্ধা জানানো। পারবে কি বাংলাদেশের কোনো মফস্বল শহরের উদ্যোগে এমন একটি পার্কের গঠন? বরিশাল বা নোয়াখালীতে বা সন্দ্বীপে। বিভাজন নয়। বরং আন্তরিক প্রথা। কোনো নির্বাচিত মেয়র কি উদ্যোগী হবেন বালাটন শহরের উদাহরণ অনুসরণ করে?

দশ.

আবক্ষ তার প্রতিকৃতি। প্রায় সাত ফুট উঁচু বেদিতে স্থাপিত। বিশাল বৃক্ষের সবুজ প্রসারিত সবুজ প্রশাখায় ছায়াচ্ছন্ন হয়ে অপরূপ প্রসন্নতায় তিনি ঢেউতোলা হৃদয়কে একমনে দেখছেন। অপরূপ শিল্পময় ভাস্কর। কয়েক মিনিট মুগ্ধ তাকিয়ে রইলাম। পরে আমাদের সহযোগীকে অনুরোধ করলাম আমাদের যুগল ছবি তুলে দাও। আমার পরিবারের স্মৃতিকে ধারণ করুক।

ভাস্করটি তৈরি করেছিলেন শান্তিনিকেতনে নিয়োজিত ভাস্কর শিল্পী বাম কিংকর। ১৯৫৬ সালে রবীন্দ্র শতবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল বিশ্বভারতী। সেই সময়ে ভারত সরকারের আগ্রহে ভাস্কর্যটি স্থাপিত হয়। কিন্তু ভাস্করটি কি সত্যি স্থাপিত হয়েছে কবি যে লিনডেন বৃক্ষরোপণ করেছিলেন তার পাশে?

বেদির পাদমূলে বাংলায় লেখা রবীন্দ্রনাথের একটি কবিতার চারটি পয়ারে। কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন মুগল সম্রাট শাহজাহানকে উদ্দেশ করে তার ‘শাজাহান’ কাব্যে। তার নিচে আরেকটি বাংলায় লেখা ছত্র। এবং তার নিচে মাগীয়ার ভাষায় চার ছত্রের অনুবাদ। রোমান হরফে মাগরীয় ভাষায়। পাশে ইংরেজিতে লেখা মাধব মৈত্রীয়ের অর্ঘ। তারিখ ৫/৯/৮৩। 

কেমন যেন গোল পাকিয়ে গেল। ইতিহাস বলে ১৯৫৬ সালে এই বেদি স্থাপিত হয়েছে। তবে কেন লেখা হলো মাধব মৈত্রীয়ের অর্ঘ? এবং তাও দীর্ঘ ২৭ বছর পরে? এবং বছরের মিল নেই। বাংলায় ৫/৯/৮৩। কিন্তু মাগরীয় রোমান হরফে ১৯৮৪। এই গরমিল কি শান্তিনিকেতনের কর্তৃপক্ষের চোখে পড়েছে। রবীন্দ্র বেদির দুই পাশে দুটি স্মৃতিফলক মাটিতে গ্রথিত। বাম দিকের ফলকটি মাগরীয় ভাষায় রোমান হরফে। কবির বৃক্ষরোপণের তারিখ ১৯২৬, নভেম্বর ৮। এই তারিখ নিয়ে দ্বিধা রয়েছে। মহলানবিশের স্মৃতি লেখায় কবি বৃক্ষরোপণ করেছিলে নভেম্বরের ৫ তারিখে। 

ডানদিকের গ্রথিত ফলকে লেখা আছে ইংরেজি ভাষায় অনূদিত কবির লেখার চারটি পয়ার। চারা রোপণ করার সময় তিনি লিখেছিলেন। এবং পাশাপাশি মাগরীয় ভাষায় সেই চার পয়ারের অনুবাদ। তারিখ দেওয়াÑ ৮ নভেম্বর। ১৯২৬। কবিতাটি বাংলায়।

আমার কাছে কয়েকটি প্রশ্ন এই লেখাকালে জেগে উঠেছে। প্রথম প্রশ্ন, কবির বেদিতে সম্রাট শাজাহানের প্রশস্তি লেখা পয়ারটি কোন যৌক্তিকতায় সংযোজিত হয়েছে? 

দ্বিতীয় প্রশ্ন, কবির বেদিতে কবির নিজের লেখা চারটি পয়ার বাংলায় খোদন করলে যুক্তিসংগত হয় কি?

তৃতীয় প্রশ্ন, স্মৃতিফলকে কেন ইংরেজি অনুবাদ দেওয়া হলো? কার জন্যে? বেদির রীতি অনুসরণ করে বাংলায় এবং মাগরীয় ভাষায় দেওয়া যেত।

চতুর্থ প্রশ্ন, মৈত্রিয়ী দেবীর নাম কেন খোদিত হয়েছে আসল বেদিতে। তাও অর্ঘ্য হিসেবে। এবং তাও তারিখে ভুলে। বাংলায় এক তারিখ। এক সাল। মাগরীয় ভাষায় অন্য সাল। 

রবীন্দ্রনাথের নিজ হাতে রোপিত লিনডেন বৃক্ষের চারা গ্রামবাসীর সযত্ন পরিচর্যায় ক্রমে বেড়ে উঠেছে। ১৯৩২ সালে এ কে চন্দ্র বড় হয়ে ওঠা গাছটি দেখেছিলেন। ১৯৫৩ সালে কে এস মেনন শোভিত পেয়েছিলেন লিনডেন বৃক্ষটি। ১৯৫৬ সালে রবীন্দ্র শতবার্ষিকী উপলক্ষে শান্তিনিকেতনের ভাস্কর বাম কিংকরের গঠিত রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি একই লিনডেন বৃক্ষের নিচে স্থাপিত হয়। ভারতের সঙ্গে হাঙ্গেরির জনতার ক্রমবৃদ্ধিমান সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক মৈত্রী প্রসারণের লক্ষ্যে মিউনিসিপ্যাল কর্তৃপক্ষ পথটির নাম নির্ধারণ করেন টাগোর প্রসেনড্। ভারতের ডেপুটি ফরেন মিনিস্টার সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বর মাসেও লিনডেন বৃক্ষটি রয়েছে সবুজ শাখা প্রশাখায়। পাশে অপরূপ ফুল। 

দীর্ঘ চব্বিশ বছর পরে আমরা সেই বৃক্ষের ছায়ায় প্রশান্তিতে অতীতকে স্মরণ করছি। 

এগারো.

ভারতের পক্ষ থেকে কবির প্রতি আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদনের সরকারি প্রথা শুরু হয় ১৯৬৮ সালে প্রেসিডেন্ট জাকির হোসেনের সরকারি সফরকালে। এলেন প্রেসিডেন্ট ভিপিগিরি ১৯৭০ সালে। প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন ১৯৭২ সালে। পরের বছর এলেন এস ডি শর্মা। কংগ্রেস পার্টির তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট। এলেন ফকিরুদ্দীন আহমেদ (১৯৭৫)। কেন্দ্রীয় সংসদ সদস্য লোকেশ শর্মা (১৯৭৯), প্রধানমন্ত্রী নরসিংহ রাও (১৯৪৪)। ওরা প্রত্যেকে ফুলের অর্ঘ্য প্রদানের সঙ্গে সঙ্গে বৃক্ষরোপণও করেছিলেন ভাস্কর্যের কাছে কাছে। সেইসব রোপিত চারার মাঝে হয়তো কিছু কিছু বড় হয়েছে। হয়তো কিছু কিছু সময়ের কালে পরিচর্যার অভাবে হারিয়ে গেছে। কিন্তু নামাঙ্কিত কোনো স্মৃতিফলক চোখে পড়েনি। 

শান্তিনিকেতন স্থাপনের স্বপ্ন রবীন্দ্রনাথ কখন দেখেছিলেন আমার জানা নেই। কিন্তু ইতিহাস বলে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে নোবেল বিজয়ের পরপরই। তিনি আশা করেছিলেন শান্তিনিকেতনে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতীক হবে শান্তির। বিভিন্ন সভ্যতার সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে গঠিত হবে মানবতার বন্ধন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনার সঙ্গে সমৃদ্ধ থাকবে গ্রামবাসী। ওরাও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কৃষিকাজে অংশ নেবে। অংশ নেবে গ্রামবাসীর নানা পার্বণে। জনগণের সুখদুঃখের সাথী হবে। শিক্ষা, শিক্ষার্থী, গ্রামবাসী একযোগে পুজোপার্বণে অংশ নেবে। অভাবনীয়, অপূর্ব সৃষ্টিশীল একটি স্বপ্ন। বিশ্বায়নের পথে পদায়নের প্রথম পদক্ষেপ। সেই প্রথম পদযাত্রায় এলো রজা হারনয়ী। এলো ‘বেঙ্গলী তূর্য।’ কবি কায়সুল হকের উদ্যোগে এবং প্রকাশক মহীউদ্দীনের সদিচ্ছায় প্রকাশিত হলো ইংরেজি অনুবাদ ১৯৯২ সালে। ঢাকায়। বাংলায়। ওদের পথ প্রদর্শনে আমি গর্বিত। আমি ঋণী।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা