কবিতা
রায়হান উল্লাহ
প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৪ ০৯:১১ এএম
আমি পথিক, পথ হাঁটি। আনমনে একাকী। ছায়া হয়ে আসে কেউ। মায়া হাত বাড়িয়ে। আমিও হাত বাড়াই, হাত সরে যায়। তবু হাঁটি মেঠো পথ, বিস্তীর্ণ প্রান্তর, পিচঢালা রোদ্দুর, গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুর। দেখি নগর, বিমূর্ত নাগর। দেখি পথ, পথের ভিন্নমত। দেখি ছায়া, সুরলিত মায়া। দেখি পাতা, বাতাসের কাঁপন। দেখি নারী, মোহন প্যাঁচের শাড়ি, রহস্য বাড়ি। দেখি আকাশ, অদ্ভুত হা-হুতাশ। দেখি মানুষ, নানা খেদ। দেখি রাত, রাতের বাড়ি। ধাতুর চোখ, দীর্ঘশ্বাস; অর্থের কড়াকড়ি। দেখি ছায়া, দূরের মায়া। যেন ডাকেÑ আয় আয়। দেখি মৃত্যু, স্মৃতির মুখ, গুমোট কান্না। সময়ের দীর্ঘশ্বাস। দেখি নিজেকে, কতই না বাহার। পেটে-মগজে কামজ শীৎকার। ভুলের মিছিলে বোবার চিৎকার। এভাবেই হাঁটি। হাঁটতে গিয়ে হোঁচট খাই। হুমড়ি খেয়ে পড়েও যাই। আবার ঠিক উঠেও দাঁড়াই। ফের হাঁটি। পথ অজানা। আগামী কোথায় তা-ও জানি না। এটুকু জানি হাঁটতে হবে। হাঁটতে হাঁটতেই স্মৃতি হব। সবাই খুঁজবে কই সে পথিক? তাই হাঁটি। পথকে নদী ভেবে, নদীকে পথ। জীবনের প্রয়োজনে, সময়ের আয়োজনে, মায়ার সৃজনে। আমি মায়াপথিক।