× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

অনলাইন জুয়ায় অর্থপাচার বাড়ছে : সিআইডি

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৪ ২৩:০৬ পিএম

সিআইডি সদর দপ্তরে একটি গবেষণা’ বিষয়ে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠান। প্রবা ফটো

সিআইডি সদর দপ্তরে একটি গবেষণা’ বিষয়ে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠান। প্রবা ফটো

নতুন আইন হওয়ার পর অনলাইন গ্যাম্বলিংয়ের (জুয়া) অভিযোগে কোনও মামলা হয়নি জানিয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া বলেছেন, অথচ অনলাইন জুয়ায় অবৈধভাবে অর্থপাচার বাড়ছে। সমন্বিত প্রচেষ্টা ছাড়া অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। তা ছাড়া অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণে আইন হওয়া জরুরি। আগে এই ধরনের অপরাধে সংশ্লিষ্টদে গ্রেপ্তারের সুযোগ ছিল। নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনে অবৈধ অর্থপাচারের ধারায় সেটা সম্ভব হচ্ছে না। 

রবিবার (৩০ জুন) রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে ‘মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে অবৈধ অর্থ স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ: অনলাইন জুয়া নিয়ে একটি গবেষণা’ বিষয়ে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সিআইডি প্রধান বলেন, অনলাইন গ্যাম্বলিং ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিনিয়ত দেশ থেকে ই-মানির মাধ্যমে টাকা পাচার হচ্ছে। কোনও একটি সংস্থার পক্ষে এই অনলাইন গ্যাম্বলিং নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ। অনলাইন জুয়ার ক্ষেত্রে আমরা এখনও পিছিয়ে আছি। আমাদের টুলসের অভাব। আমরা চাই, সবাই তথ্য দেন, সিআইডিকে জানান, আমরা ব্যবস্থা নেব। এখনই ব্যবস্থা না নিলে এ ধরণের অপরাধ থামবে না।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের একটা ট্র্যাডিশনাল আইন আছে। প্রকাশ্যে যারা জুয়া খেলে, এর শাস্তি ছিল ৫০/১০০ টাকা জরিমানা। কিন্তু এখন সেটা অনলাইন জুয়ায় রূপান্তর হয়েছে, যা অনলাইনভিত্তিক অপরাধ। এটা নিয়ন্ত্রণে আলাদা কোনও আইন নেই। যে আইনটা ধরে আমরা কাজ করেছি, সেটা হলো সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট। সেটাতে বলা হয়েছে, অবৈধ ই-মানি ট্রানজেকশন। এই ধারা তখন ছিল আমলযোগ্য অপরাধ (এ ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার করা যায়)। এখন সেটা অআমলযোগ্য করা হয়েছে অর্থাৎ প্রমাণের আগে পুলিশ কাউকে ধরতে না পারায় বিষয়টি এখন আমাদের জন্য অনেক কঠিন।

এই আইনের সংশোধন বা অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণে আলাদা আইন করার বিষয়ে পুলিশের প্রস্তাব রয়েছে কি না– জানতে চাইলে সিআইডি প্রধান বলেন, আমরা চাচ্ছি এটা দ্রুত সংশোধন করা হোক। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রস্তাবনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। যতটুকু জানি, এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে যায়নি। আমরা চাই এটার দ্রুত বাস্তবায়ন ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারি।

বাংলাদেশে কত মানুষ অনলাইন জুয়ায় আসক্ত বা জুয়া খেলছে, দ্বারা কি পরিমাণ টাকা পাচার হচ্ছে– জবাবে মোহাম্মদ আলী বলেন, কত মানুষ জুয়া খেলছে, তারা কারা? যারা জুয়া অর্গানাইজ করছে তারা কারা? বাংলাদেশে এর ওপরে কোনও গবেষণা নেই, তথ-উপাত্ত নেই। এজন্যই চাচ্ছি একটা ডাটা সেন্টার হোক। অনলাইন বেইজ, ট্রেড বেইজে আন্ডার ও ওভার ইনভয়েজের মাধ্যমে যে পরিমাণ টাকা পাচার হচ্ছে, ই-মানির মাধ্যমে টাকা পাচার হচ্ছে– এর কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য আমাদের কারও কাছে নাই। ডাটাবেজ থাকলে এসব জানা সহজ হতো।

যে পরিমাণ অর্থ মানি লন্ডারিং হচ্ছে, কে কত অংশ বা কি পরিমাণ অনলাইন গ্যামব্লিংয়ে হচ্ছে– জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই তথ্য আমাদের কাছে নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকেও নেইই। কারও কাছে নেই। আমরা যখন কাউকে ধরি তখন কিছু তথ্য পাই। তবে এই মুহূর্তে আমরা দেখতে পাচ্ছি সাড়ে ছ হাজারের বেশি অনলাইন জুয়া টিম আছে; যারা বিভিন্ন উপায়ে অপরাধ করে যাচ্ছে। ছয় হাজারের বেশি ক্রিপটো কারেন্সি আছে বাংলাদেশে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা