নোয়াখালী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৪ ১৪:৩১ পিএম
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় দিঘিতে জাল ফেলে এক মণ ওজনের তিনটি বিশাল আকৃতির কোরাল মাছ পাওয়া গেছে। প্রবা ফটো
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় দিঘিতে জাল ফেলে এক মণ ওজনের তিনটি বিশাল আকৃতির কোরাল মাছ পাওয়া গেছে। মাছগুলো তাৎক্ষণিক ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
শুক্রবার (১৭ মে) সকালে চরঈশ্বর ইউনিয়নের কমলার দিঘিতে জাল ফেলে এ মাছগুলো ধরা হয়।
জানা যায়, কমলার দিঘিটি চরঈশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের নিয়ন্ত্রণে। চরঈশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলা উদ্দিন আজাদ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে জাল ফেলেন। জাল ফেলার খবরে ছুটে আসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শুভাশিষ চাকমা। প্রথমবার জাল ফেললে মাছগুলো জাল কেটে বের হয়ে যায়। ফের জাল ফেললে একসঙ্গে তিনটি বিশাল আকৃতির কোরাল মাছ ধরা পড়ে। মাছগুলো রিপন বেপারী এক হাজার টাকা কেজি দরে ৪০ হাজার টাকায় কিনে নেন। মাছগুলো দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় জমায়।
চরঈশ্বর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. কামরুল ইসলাম মহব্বত বলেন, কমলার দিঘিটি ইউনিয়ন পরিষদের অধিনে আছে। আজ সকালে দুইবার জাল ফেলে তিনটা এক মণ ওজনের তিনটা কোরাল মাছ পাওয়া যায়। মাছগুলো অন্যান্য মাছের সঙ্গে এক হাজার টাকা কেজি দরে ৪০ হাজার টাকায় কিনে নেন রিপন বেপারী।
চরঈশ্বর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আলা উদ্দিন আজাদ বলেন, দিঘির পানি কমে আসলে প্রতিবছর এভাবে জাল ফেলে মাছ ধরা হয়। মাছ বিক্রি করে সেই টাকা ইউনিয়ন পরিষদের কোষাগারে জমা রাখা হয়। বিশাল আকৃতির মাছ হওয়ায় ভালো দাম পাওয়া গেছে। বড় মাছটি ২০ কেজি আর বাকি দুইটা মাছ ২০ কেজি করে মোট ৪০ কেজি মাছ হয়েছে।
হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শুভাশিষ চাকমা প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আমরা জানি সাগরে বড় বড় কোরাল পাওয়া যায়। পুকুরে যে বিশাল কোরাল মাছ হয় তা আমি আজকেই প্রথম দেখলাম। মাছগুলো দেখলে যে কারো মন ভরে যাবে।