× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

চট্টগ্রামে দুদকের মামলায় শিল্পপতির যাবজ্জীবন, শত কোটি টাকা জরিমানা

চট্টগ্রাম অফিস

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৪ ২১:২৬ পিএম

আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২৪ ২১:৪০ পিএম

চট্টগ্রামে দুদকের মামলায় শিল্পপতির যাবজ্জীবন, শত কোটি টাকা জরিমানা

স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানির নামে প্রায় ৯২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় মজিবুর রহমান মিলন নামে এক শিল্পপতিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০০ কোটি টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

পৃথক ধারায় তাকে আরও পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২২ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মুন্সী আব্দুল মজিদের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। 

দণ্ডিত মজিবুর চট্টগ্রামের জাহাজ ভাঙা কারখানা মুহিব স্টিল অ্যান্ড শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রির মালিক। তার বাড়ি ফেনী জেলায় হলেও চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহরে থাকেন। বর্তমানে তিনি পলাতক।

দণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের পিপি কাজী ছানোয়ার আহমেদ লাভলু জানান, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৮ সালে দুদকের দায়ের করা একটি মামলায় আদালতে ১০ জনের সাক্ষ্য নেওযা হয়। পরে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় আসামি মজিবুর রহমান মিলনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০০ কোটি টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়াও পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পলাতক মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে সাজামূলে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করেছেন।

মামলার নথিপত্র থেকে জানা যায়, মিলনের নামে স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানির জন্য ২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর অগ্রণী ব্যাংকের লালদিঘীর পাড় শাখা থেকে ৪৫ কোটি টাকার ঋণ মঞ্জুর করা হয়। ২০১০ সালের ২৬ এপ্রিল সেই ঋণসীমা ৮৯ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। ওই বছরের ৭ মে মজিবুর রহমান ৪০ কোটি টাকার ঋণপত্র খোলেন। পরে কোরিয়া থেকে ১২ হাজার ৪৩৩ মেট্রিক টনের একটি স্ক্র্যাপ জাহাজ আমদানি করেন মজিবুর রহমান। যা ২০১১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাস হয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ওই জাহাজের দাম হিসেবে ৪৮ কোটি ৫৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৪ টাকাসহ তিন দফায় ৮২ কোটি ৮৯ লাখ ১২ হাজার ৪৪ টাকা নিট ঋণ মজিবুর রহমানের প্রতিষ্ঠানকে পরিশোধ করে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১৭ সালের ৩০ মে পর্যন্ত কিছু অর্থ পরিশোধের পর মজিবুর রহমানের কাছ থেকে ব্যাংকের পাওনা দাঁড়ায় ৯১ কোটি ৯২ লাখ ৮৪ হাজার ৩৯২ টাকা। পরে মজিবুর রহমান মিলন অর্থ পরিশোধ না করে লাপাত্তা হয়ে যান, এমনকি গা-ঢাকা দেয় তার পরিবারের সদস্যরাও।

এ বিষয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের অভিযোগের পর ২০১৮ সালের ২৪ মে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাফর আহমেদ বাদী হয়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ফখরুল ইসলাম ২০২১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে ২০২২ সালের ২৮ আগস্ট আসামির বিরুদ্ধে দুদক আইনের সিডিউলভুক্ত অপরাধ দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ৪২০ ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা