মেহেরপুর ও নওগাঁ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ ২০:০৪ পিএম
আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ ২০:৩৪ পিএম
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। ছবি : সংগৃহীত
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মেহেরপুর-১
(সদর-মুজিবনগর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ
হোসেনকে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি। রবিবার (১০ ডিসেম্বর) কমিটির চেয়ারম্যান যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ এইচএম কবীর হোসেন চিঠির মাধ্যমে কারণ
দর্শানোর নোটিসটি দেন।
চিঠিতে ১২ ডিসেম্বর দুপুরে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ এইচএম কবীর
হোসেনের আদালতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
লিখিত চিঠিতে কবীর হোসেন বলেন, ৯ ডিসেম্বর ফরহাদ হোসেন সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম রেজার বাসভবনের সামনে জনসভায় অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তিনি সরকারি গাড়ি ব্যবহার ও পুলিশের প্রটোকল গ্রহণ করেন, যা নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালার লঙ্ঘন।
এ বিষয়ে জানতে
ফরহাদ হোসেনের মোবাইল ফোনে বারবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
নওগাঁর দুই প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের জবাব
নওগাঁ আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে নির্বাচনী আচরনবিধি ভঙ্গের কারণ দর্শানো নোটিসের জবাব দিয়েছেন আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্য শহিদুজ্জামান সরকার। একই সময় জবাব দিতে এসেছিলেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী তোফাজ্জাল হোসেন। তারা দুজনই নওগাঁ-২ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আদালত নির্ধারিত সময় দুপুর ১২টায় আসেন দুই প্রার্থী। এ সময় আদালতের কাছে নিজ নিজ অভিযোগের বিষয়ে লিখিত জবাব দেন তারা। এমপি শহিদুজ্জামান সরকার আদালতকে লিখিত বক্তব্যে জানিয়েছেন, আমার অতি উৎসাহী কতক নেতাকর্মী ব্যানার, ফেস্টুনসহ আমার অজ্ঞাতে আবেগের বশবর্তী হয়ে জনগণের চলাচলে সাময়িক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে থাকতে পারেন। উক্তরূপ কার্যের কারণে আমি গভীরভাবে মর্মাহত ও নিঃশর্ত ক্ষমাপ্রার্থী।’ ভবিষ্যতে এমন কিছু যেন না হয় সেদিকে তিনি সতর্ক দৃষ্টি রাখার অঙ্গীকার করেন।
অন্যদিকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তোফাজ্জাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, তার নির্বাচনী এলাকায় বেশ কিছু রঙিন বিলবোর্ডের কারণে তাকে শোকজ করা হয়েছিল। তিনি লিখিত জবাবে আদালতকে জানিয়েছেন, এসব বিলবোর্ড অনেক আগের। এগুলোতে নির্বাচনী কোনো প্রচারনামূলক শব্দ ছিল না। তাই শোকজের সন্তোষজনক জবাব দেওয়ায় আদালত তার ওপর সন্তুষ্ট হয়ে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।
একই সঙ্গে আগামীতে
নির্বাচনী আইনের সকল ধারা কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশও আদালত দিয়েছেন বলে জানান
তিনি। ৫ ডিসেম্বর নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্ঘনের অপরাধে ওই দুই প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর
নির্দেশ দেন নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান আহসান হাবিব।