কক্সবাজার অফিস
প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৩ ২০:৫৫ পিএম
আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২৩ ২১:০৭ পিএম
আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ার। প্রবা ফটো
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে একটি অরাজকতার দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ার।
তিনি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা কোনো ব্যক্তিকে হত্যা নয়, তাকে হত্যা মানেই বাংলাদেশকে হত্যা। তাকে হত্যা করা মানেই বাংলাদেশের মূল চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধকে হত্যা করা। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের অর্জন নষ্ট করতে জাতির পিতাকে হত্যা। যে হত্যাকাণ্ডটির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছিল ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র। আর এই ষড়যন্ত্রের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মেজর জিয়া। বাংলাদেশের রাজনীতি কলঙ্কিত করতে অস্ত্র, কালো টাকা, মাদকের অভয়ারণ্য করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময়ের মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত চিহ্নিত মানুষকে একে একে দেশে ফেরত এনে প্রতিষ্ঠা শুরু করেছিলেন এই মেজর জিয়া।’
মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতীয় নির্বাচনের স্মার্ট প্রচারণা শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী ও আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে স্মার্ট কর্নার উদ্বোধন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরির শহীদ সুভাষ হলে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কবির বিন আনোয়ার বলেন, ‘বিএনপিকে কোনোভাবেই রাজনৈতিক সংগঠন মনে হয় না। একটি সংগঠনের জন্য একটি গঠনতন্ত্র থাকবে। যে গঠনতন্ত্র দেশের আইন ও সংবিধান মেনেই তৈরি করা হয়। বাংলাদেশের কোনো ক্লাব বা সামাজিক সংগঠনের দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীরা নেতৃত্ব দিতে পারেন না। অথচ বিএনপি তার উল্টো। যার দুজন শীর্ষ নেতাই দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী। যে দলের শীর্ষ দুই নেতা দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী, সেটি রাজনৈতিক দল হতে পারে না।’
শেখ হাসিনার হাত ধরেই আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে যাত্রা করেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ’এই ডিজিটাল মাধ্যমকে ব্যবহার করে স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী চক্র নানা অপপ্রচার ও গুজব রটিয়ে যাচ্ছে। তা মোকাবিলায় এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা। এই কর্মশালার মধ্য দিয়ে আগামী নির্বাচনের প্রচার, জনগণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছানোর কাজ করা হবে।’
অনুষ্ঠান শেষে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের স্মার্ট কর্নার উদ্বোধন করেন তিনি।