বৈরী আবহাওয়া
কক্সবাজার অফিস
প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৩ ১৯:৫৪ পিএম
আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২৩ ২০:৪৬ পিএম
টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে চলাচল করা পর্যটকবাহী জাহাজ। ফাইল ছবি
বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাগর উত্তাল থাকায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল আবারও বন্ধ হয়ে গেছে। এতে সেন্টমার্টিন দ্বীপে আটকা পড়েছেন তিন শতাধিক পর্যটক।
মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ’দ্বীপে আটকা পড়া পর্যটকের যাতে কোনো ধরনের অসুবিধা না হয় সে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ’মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে কক্সবাজারে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। এতে সাগর উত্তাল থাকায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি আবহাওয়া অধিদপ্তর কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে উপকূলের নৌযানসমূহকে সাবধানে চলাচল করতে নির্দেশ দিয়েছে।’
মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী বলেন, ’বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে প্রতিবন্ধকতা যাচাই করতে পরীক্ষামূলকভাবে এমভি বারো আউলিয়া নামের পর্যটকবাহী একটি জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। সাত দিনের জন্য জাহাজটিকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। গত ৭ দিনে জাহাজটি চলাচলে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়নি। তাই চলতি মৌসুমে আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলে কোনো বাধা থাকবে না। তবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ছাড়পত্র পাওয়া সাপেক্ষে চলতি মৌসুমে ওই জাহাজসহ অন্যগুলোকেও চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ’মঙ্গলবার সকালে টেকনাফ থেকে এমভি বারো আউলিয়া জাহাজে সেন্টমার্টিনে তিন শতাধিক পর্যটক বেড়াতে যান। দুপুরের পর থেকে আবহাওয়া খারাপ হয়। জাহাজটি টেকনাফ ফিরে এলেও দ্বীপে অবস্থান নেওয়া পর্যটকরা ফেরেননি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আটকে পড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে আনা হবে।’
এর আগে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে সাগর উত্তাল থাকায় গত শনি ও রবিবার দুদিন এই নৌরুটে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ছিল। এতে গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছিলেন। সোমবার এসব পর্যটক ফিরে আসেন।