কক্সবাজার সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২২ ১৭:০১ পিএম
আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০২২ ২০:৪৯ পিএম
কক্সবাজারের কলাতলীর কটেজ জোনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। ছবি : প্রবা
কক্সবাজারের কলাতলীর কটেজ জোনে ফের উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে কক্সবাজার উন্নয়ন কৃর্তপক্ষ। মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় অবৈধভাবে নির্মাণাধীন চারটি দোতলা ভবন ও দুটি একতলা ভবন ভেঙে দেওয়া হয়।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু জাফর রাশেদের নেতৃত্বে কক্সবাজার জেলা পুলিশ, আনসার ব্যাটালিয়ন এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় তারা কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের বিপরীত পাশে গণপূর্তের সৈকত সমবায় সমিতির প্লটগুলোতে অভিযান চালান।
কউকের একটি সূত্র জানিয়েছে, ১৯৯৬ সালে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সৈকত সমবায় সমিতির নামে ৭ দশমিক ৫০ একর জমি বরাদ্দ দেয়। ১৯৯৭ সালে এসে মন্ত্রণালয় ৭ দশমিক ৫০ একরের পরিবর্তে পাঁচ একর জমি বরাদ্দ দিয়ে সংশোধিত বরাদ্দপত্র জারি করে। ওই সময় সৈকত সমবায় সমিতি সংশোধিত বরাদ্দপত্র মেনে নিলেও পরে ২ দশমিক ৫০ একর জমি পাওয়ার জন্য হাইকোর্টে রিট করে।
সূত্রটি আরও জানিয়েছে, পরে সৈকত সমবায় সমিতি সিভিল রিভিউ পিটিশন করলেও সেটি খারিজ করা হয়। ফলে বিতর্কিত ২ দশমিক ৫০ একর জায়গার ওপর সমিতির অধিকার না থাকায় আদালত উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে অভিযান চালায় কউক।
কউক চেয়ারম্যান কমোডর মোহাম্মদ নুরুল আবছার বলেন, ‘পরিকল্পিত পর্যটন নগরী বাস্তবায়ন করা আমাদের সবার দায়িত্ব। তাই ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুসরণ করে ও অনুমোদন নিয়ে ভবন নির্মাণের জন্য সবার প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারকে একটি পরিকল্পিত পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অবৈধ ও অনুমোদন ছাড়া স্থাপনার বিরুদ্ধে অভিযান চলবে তারা।’
প্রবা/এনএস/এমআর