× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

তাড়াশের হাট-বাজারে প্রভাবশালীদের ধান্ধাবাঁজির ঘর

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২২ ১৭:৫১ পিএম

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২২ ১৫:১৮ পিএম

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার উলিপুর হাটে ধান্ধাবাঁজীর দোকান ঘর

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার উলিপুর হাটে ধান্ধাবাঁজীর দোকান ঘর

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিভিন্ন হাট-বাজারে সরকারী হাট পেরিফেরির জায়গায় গড়ে উঠছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের ধান্ধাবাঁজির প্রায় তিন শতাধিক দোকান ঘর। তারা হাট-বাজারের মূল্যবান জায়গা দখল করার পর সেখানে ধান্ধাবাঁজির দোকান ঘর নির্মাণ করে সময় সুযোগ মত উচ্চমুল্যে তা বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। 

এ দিকে প্রভাবশালীদের ধান্ধাবাঁজির দোকান ঘরগুলো বিক্রি করে দেওয়ায় প্রকৃত ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করার মত দোকান ঘর নির্মাণ করার জায়গা পাচ্ছেন না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ ।

উপজেলার আটটি ইউনিয়নে অবস্থিত শত বছরের পুরানো বিনসাড়া, গুল্টা, রানীরহাট, নওগাঁ, উলিপুর, রারুহাঁস, গুড়পিপুল, কাটাগাড়ী, ধামাইচহাট, মাধাইনগরসহ ১৫ থেকে ২০টি হাট বাজারের সরকারী জায়গা অবৈধ ভাবে দখল করে হাট পেরিফেরির জায়গায় ব্যবসায়ী নন এমন নিজ নিজ এলাকার প্রভাবশালীরা প্রায় তিন শতাধিক পাকা ও আধাপাকা  ধান্ধাবাঁজির দোকান ঘর নির্মাণ করে রেখেছেন। আর এ সকল ধান্ধাবাঁজীর দোকান ঘর গুলো  নির্মাণের পর তালা লাগিয়ে রাখা হয়। 

আসলাম হোসেন, আব্দুল মান্নান, দিপক সরকার, সোহেল রানাসহ অনেক উপজেলা বাসীর অভিযোগ, যদিও হাট পেরিফেরির জায়গায় স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা অবৈধ তারপর ওই ধান্ধাবাজির স্থায়ী ও অস্থায়ী দোকান ঘর নির্মাণ করার পর সময় সুযোগ বুঝে প্রভাবশালীরা গোপনে হাত বদল করে লাখ লাখ কামিয়ে নিচ্ছেন। অথচ ওই সকল দোকান ঘর নির্মাণকারীরা কোন ব্যবসায়ীও নন বরং তারা এলাকার প্রভাবশালী। তাই তারা এ ধরনের অবৈধ কাজ করে পার পেয়ে যাচ্ছেন। 

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার গুরপিপুল, উলিপুর, রানীর হাট, গুল্টা, বিনসাড়া হাটেই প্রায় ৮০ থেকে ৯০ টির মত ধরনের ধান্ধাবাঁজির দোকান ঘর রয়েছে। যার মালিক প্রায় সবাই স্থানীয় প্রভাবশালী। এদের মধ্যে কেউ কেউ  আবার সরকারী হাটের পেরিফেরির জায়গায় দোকান ঘর নির্মাণের পরপরই লাখ লাখ টাকায় কেনাবেচা করে নতুন করে আবার জায়গা দখলের পায়তারাও করছেন বলে জানান এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ফরহাদ খন্দকার, আলাউল হোসেনসহ অনেকে।

এ দিকে তাড়াশ উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে হাট পেরিফেরির জায়গার যথাযথ ব্যবহার না হওয়ায় সরকার একদিকে যেমন মোটা অংকের রাজস্ব হারাচ্ছেন। অন্যদিকে যত্রতত্র ধান্ধাবাঁজীর ঘরের কারণে হাটের জায়গা সংকুচিত হয়ে আসায় প্রকৃত ব্যবসায়ীরা হাট বারে বা বাজার বেলায় নানা ধরনের অসুবিধার মধ্য দিয়ে অল্প জায়গার মধ্যে গাদাগাদি করে অথবা রাস্তায় বসে ব্যবসা করতে বাধ্য হচ্ছে। এতে সাধারণ ব্যবসায়ীদের স্বার্থক্ষুন্ন হচ্ছে বলে জানান, কাটাগাড়ী বাজারের সাধারন ব্যবসায়ী মিলন প্রমানিক, কাসেম আলীসহ অনেকে। 

তবে একাধিক হাট ও বাজারের ধান্ধাবাঁজরি ঘর নির্মাণকারী প্রভাবশালী আফসার আলী, আদম আলী মনোয়ার হোসেন বলেন, ভবিষ্যতে যদি ছেলে বা নিকট আত্মীয়রা ব্যবসা করতে পারেন। এই চিন্তায় আমরা দোকান ঘর নির্মাণ করে রেখেছি। আর এ দোকান ঘরে তালা লাগানো থাকলেও তা বিক্রি করা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন,  হাটের পেরিফেরির জায়গায় স্থায়ী দোকান ঘর নির্মাণ করা অবৈধ। যে সকল হাটে সরকারী হাট পেরিফেরি জায়গায় অবৈধভাবে দোকান ঘর নির্মাণ করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া  হবে। 



শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা