× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাৎ

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৩ ১৬:৪১ পিএম

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৩ ১৮:০১ পিএম

মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এ্যান্ড কলেজ। প্রবা ফটো

মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এ্যান্ড কলেজ। প্রবা ফটো

বগুড়ার আদমদীঘিতে প্রস্তাবিত মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এ্যান্ড কলেজে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে প্রায় অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি আবির উদ্দিন খান ও অধ্যক্ষ শেখ সাদীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ইউএনওসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই স্কুল এ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষকের অভিভাবক। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে আদমদীঘিতে একটি বাসা ভাড়া করে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবির উদ্দিন সভাপতি ও আদমদীঘি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শেখ সাদী অধ্যক্ষ হয়ে মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। পরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ২৫ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেন। নিয়োগকৃত শিক্ষক-কর্মচারীদের কাছ থেকে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আদায় করেন প্রস্তাবিত কলেজের সভাপতি ও অধ্যক্ষ। অথচ প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছর অতিবাহিত হলেও এখনও প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো জমি কেনা হয়নি। এমনকি পাঠদানের অনুমতিও পায়নি প্রতিষ্ঠানটি। 

মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছালাম অভিযোগে উল্লেখ করেন, তার ছেলে, মেয়ে ও ভাতিজাকে ওই স্কুল এ্যান্ড কলেজে নিয়োগ দিয়ে তাদের কাছ থেকে চাকরি এমপিওভুক্ত করা ও প্রতিষ্ঠানের নামে জমি কেনা বাবদ সভাপতি ও অধ্যক্ষ বিভিন্ন সময় মোট ১৫ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। 

সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হামিদ প্রতিষ্ঠানটির সম্পর্কে বলেন, ‘পাঁচ বছরেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় আমি পরিচালনা কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছি।’ 

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাবিল উদ্দিন জানান, সভাপতি ও অধ্যক্ষ শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন, অথচ কোনো কাজই করেননি। এ কারণে পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষসহ অনেকেই পদত্যাগ করেছেন।

অভিযুক্ত প্রস্তাবিত কলেজের অধ্যক্ষ শেখ সাদীকে মোবাইলে ফোন করা হলে তিনি অধ্যক্ষ পদে থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে সাক্ষাতে কথা বলবেন জানিয়ে ফোনের সংযোগ কেটে দেন।

আদমদীঘি উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মশিউল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমিও শুনেছি। তবে প্রাথমিক সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়ে অন্য স্কুল বা কলেজের অধ্যক্ষ হওয়ার সুযোগ নেই।’ 

প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবির উদ্দিন বলেন, ‘নিয়মনীতি মেনে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ক্ষেত্রে ৩ লাখ ও অমুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে ৫ লাখ টাকা ডোনেশন দেওয়ার কথা। সে ক্ষেত্রে ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা আদায় হতো। কিন্তু আমরা এ যাবৎ ৪০ লাখ ৪২ হাজার টাকা পেয়েছি। সব টাকা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কাজে খরচ হয়েছে। অভিযোগকারী মুক্তিযোদ্ধা ছালামের নিকট থেকে ৩ লাখ টাকা গ্রহণ করা হয়েছে। ১৫ লাখের অভিযোগ সত্য নয়।’ 

আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা টুকটুক তালুকদার বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তৌফিক আজিজকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা