নীলফামারী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০২৩ ২২:২৪ পিএম
আপডেট : ১১ জুলাই ২০২৩ ১২:৪১ পিএম
নীলফামারীর জলঢাকায় সপ্তম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ‘ধর্ষণে ব্যর্থ’ হয়ে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (৯ জুলাই) আনুমানিক রাত সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
জলঢাকা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুল আলম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, কিশোরীর বাবা একজন পান ব্যবসায়ী। তিনি প্রতিদিনের মতো পাশের বাজারে দোকান করতে যান। এই সুযোগে একই এলাকার এক বখাটে বাড়িতে ঢুকে তার মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরে ব্যর্থ হয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তার গলা ও গাল কেটে পালিয়ে যায়।
মেয়েটির চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক কিশোরীর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফা মঞ্জুর ও ওসি মোক্তারুল আলম। পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি বলে জানা গেছে।
ওসি মোক্তারুল আলম জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নীলফামারী পুলিশ সুপার গোলাম সবুর বলেন, ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ছুরি দিয়ে মেয়েটির গালে ও গলায় আঘাত করে। স্থানীয়রা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। বর্তমানে মেয়েটি রংপুরে চিকিৎসাধীন আছে। আসামিকে ধরার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মেয়েটির পরিবারের লোকজন রংপুরে অবস্থান করায় এখনও কোনো মামলা হয়নি।