ভোলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৩ ১৪:৫৫ পিএম
আপডেট : ২৩ জুন ২০২৩ ১৬:১৩ পিএম
কোরবানির গরু বিক্রির জন্য খামারিরা হাটে তুলেছেন। প্রবা ফটো
পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। ইতোমধ্যে ভোলায় ছোট-বড়-মাঝারি গরুর সমাহারের মধ্য দিয়ে জমতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট। শুরু হয়েছে হাটের মধ্যে ব্যবসায়ীদের হাঁকডাক ও সাধারণ ক্রেতাদের গরু পছন্দের প্রতিযোগিতা। তবে গরুর দাম চড়া হওয়ায় ক্রেতা কিছুটা কম।
শুক্রবার (২৩ জুন) ভোলার কয়েকটি পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত গরু থাকলেও ক্রেতার সংখ্যা কিছুটা কম। অনেকে গরু, ছাগল দামদর করে চলে যাচ্ছেন।
ক্রেতারা জানান, আগের চেয়ে দাম বেশি চাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর কোরবানির জন্য জেলার সাত উপজেলায় ৮৪ হাজার ৪০০ পশু প্রয়োজন। এর বিপরীতে মজুদ রয়েছে ৯০ হাজার ৯৬টি পশু। এর মধ্যে ৫৫ হাজার ৫৮টি গরু, ছাগল ২৬ হাজার ২০৫টি, মহিষ ৫ হাজার ৫৬০টি ও ভেড়া রয়েছে ৩ হাজার ২৭৩টি। জেলার ২ হাজার ৮৭৩টি খামারে ৩৭ হাজার পশু প্রস্তুত রয়েছে। বাকিগুলো পারিবারিকভাবে পালন করা হচ্ছে। কোরবানির হাটগুলো মনিটরিং করার জন্য গঠন করা হয়েছে ২১টি মেডিকেল ভেটেরিনারি টিম।
সদরের দক্ষিণ চরপাতা গ্রামের খামারি তছির বলেন, ‘আমার খামারের আটটি গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত। আজ তিনটি গরু ইলিশা হাটে বিক্রি করতে আনছি। এখানে বড় বড় পশুর হাট বসলেও ক্রেতাদের উপস্থিতি কম। ফলে বাধ্য হয়ে গরু ফিরিয়ে আনতে হচ্ছে।’
ক্রেতা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘কোরবানির জন্য মাঝারি গরু খুঁজছি। এ বছর প্রতি গরুতে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা দাম বেশি মনে হচ্ছে। যেহেতু কোরবানি দিতে হবে তাই বেশি দাম দিয়েই গরু কিনতে হবে। তার পরও হাটে এসে দেখছি, একটু কমে পেলে কিনে নেব ‘
রাজাপুর গ্রামের কৃষক লোকমান বলেন, ‘বিক্রির জন্য গরু হাটে নিয়ে যাই। দাম কম হওয়ায় আবার ফিরিয়ে আনি। তিন দিন ধরে এভাবে গরু আনা-নেওয়া করছি।’