× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বগুড়ায় জমতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট

বগুড়া অফিস

প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৩ ১৭:২১ পিএম

আপডেট : ১৬ জুন ২০২৩ ১৯:৪৯ পিএম

বগুড়ায় জমতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে বগুড়ায় জমতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট। কিন্তু বেচাকেনা এখনও সেভাবে জমে ওঠেনি। খামারি ও কৃষকরা বিভিন্ন পশুর হাটে যাচ্ছেন। চাহিদা বেশি থাকায় এবার বড় গরুর চেয়ে মাঝারি আকারের গরুর আমদানি চোখে পড়ার মতো। তবে ক্রেতারা বলছেন, গতবারের তুলনায় এবার দাম অনেক বেশি। অন্যদিকে গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় পশুপালনে খরচ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। হাটে পশুর যে দাম উঠেছে, তাতে লোকসানের শঙ্কা দেখছেন তারা। বুধবার (১৪ জুন) বগুড়ার  শিবগঞ্জের মহাস্থান ও বৃহস্পতিবার দুপচাঁচিয়ার ধাপসুলতানগঞ্জ হাট ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, কোরবানি ঘিরে হাটে গরুর আমদানি এখনও সেভাবে বাড়েনি। হাটে আসা বেশিরভাগ ক্রেতার চাহিদার শীর্ষে রয়েছে মাঝারি আকারের গরু। বড় ও বেশি দামের গরু কেনার মতো ক্রেতার সংখ্যা তেমন চোখে না পড়লেও মাঝারি ও ছোট সাইজের গরুর ক্রেতা বেশি ছিল। 

দেশি জাতের দুটি বড় ষাঁড় এনেছেন শিবগঞ্জের রহবল এলাকার আব্দুর রশিদ। তিনি জানান, দুটি গরুর দাম চেয়েছেন চার লাখ টাকা। তবে দাম উঠেছে সাড়ে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত। জানালেন, ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা হলে গরু দুটি ছেড়ে দেবেন তিনি।   

বগুড়া সদরের পলাশবাড়ী এলাকার আশরাফুল ইসলাম তিনটি ছোট সাইজের গরু এনেছেন। বেশি দাম চাওয়ার কারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,  ‘গো-খাদ্যের দাম বাড়তি। এ ছাড়া বাড়তি দামে গৃহস্থের কাছ থেকে গরু কিনেছি। তাই বাধ্য হয়ে দাম বেশি চাইতে হচ্ছে। নইলে লাভ হবে না।’

নারায়ণগঞ্জের গরু বেপারি ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘এবার গরুর দাম অনেক বেশি। গতবার যে গরুর দাম ৭০ থেকে ৯০ হাজার ছিল, সেই গরু এবার ১ লাখ ১০ থেকে ২০ হাজার চাওয়া হচ্ছে।’ 

সোনাতলা থেকে গরু কিনতে আসা রাসেল আহমেদ বলেন, ‘গত বছর থেকে গরুর দাম বাড়তি। বাজেটের সঙ্গে গরুর আকার মিলছে না। ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা বাড়তি হলে মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বাড়তি দাম হলে মেনে নেওয়া কঠিন।’ 

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার কোরবানির জন্য জেলার মোট ৪৪ হাজার ৩২৯ জন খামারি তাদের পশু প্রস্তুত করেছেন। গত বছর কোরবানির জন্য পশু প্রস্তুত ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার ২৯৫টি। এবার এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ২৬ হাজার ৫৯৭টি। 

গত বছর জেলায় খামারের সংখ্যা ছিল ৪৬ হাজার ১৫টি, এবার এ সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৪৪ হাজার ৩২৯টি। গত বছরের তুলনায় প্রায় তিন লাখ বেশি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এর পরিমাণ ৭ লাখ ২৬ হাজার ৫৯৭টি। 

জেলা অতিরিক্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাসরিন পারভিন বলেন, ‘গত বছরের চেয়ে বগুড়ায় পশুর সংখ্যা বেড়েছে। এ বছর জেলায় যে পরিমাণ কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে, তার চেয়ে ২২ হাজার ১৩৭টি বেশি রয়েছে। আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বগুড়ায় পশু প্রতিপালনের হার বেড়েছে। চাহিদার চেয়ে বেশি সরবরাহ থাকায় পশুর কোনো সংকট হবে না।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা