রংপুর অফিস
প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০২৩ ২০:৪২ পিএম
আপডেট : ২৯ মার্চ ২০২৩ ২১:০৫ পিএম
প্রতীকী ছবি।
রংপুর নগরীর স্নেহা মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্র ও মানসিক হাসপাতাল থেকে মেহেদী হাসান নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ মার্চ) সকালে সেখান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের স্বজনদের দাবি, মেহেদীকে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। মেহেদী তাজহাট ধর্মদাস এলাকার বাসিন্দা।
মৃতের খালু অভিযোগ করে বলেন, গত ২০ ফেব্রুয়ারি এ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে মেহেদীকে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার মেহেদীর বড় ভাই তার সঙ্গে দেখা করে গেছে। সকালে আমরা জানতে পারি মেহেদী নাকি আত্মহত্যা করেছে। মেহেদী আত্মহত্যা করতে পারে না, তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
মেহেদীর বাবা মশিউর রহমান বলেন, মেহেদীর অবস্থা ভালো ছিল। সকালে মেহেদী মারা গিয়েছে এ খবর আমাদের দেওয়া হয়নি। আমার বড় ছেলে জানতে পেরে আমাদের জানিয়েছে। আমি এসে দেখি মেহেদীর লাশ ফ্লোরে রাখা হয়েছে। আমার ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে না।
স্নেহা মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্র ও মানসিক হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী মনোয়ারুল কাদের মাসুম বলেন, ৩-৪ বছর আগে মেহেদী আমার হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয়ে বাড়ি ফিরেছে। এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসে সে আবারও ভর্তি হয়। গতকাল (মঙ্গলবার) পর্যন্ত সে ভালো ছিল। রাতে সেহরি খেয়েছে, নামাজ পড়েছে। সকালে রোগী গণনার সময় মেহেদীকে না দেখে তার রুমে ঢুকলে রান্না ঘরের বেলকুনিতে লাশ ঝোলানো অবস্থায় পাওয়া যায়। আমরা বিষয়টি তাৎক্ষণিক পুলিশকে জানিয়েছি।
রংপুর কোতোয়ালি থানার এসআই মিঠু আহমেদ বলেন, আমি লাশের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় অপমৃত্য মামলার প্রস্তুতি চলছে।