প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২০:৩৩ পিএম
আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২১:০০ পিএম
দোহারে নিজ গ্রাম শাইনপুকুরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে। ছবি : সংগৃহীত
সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ও বিএনপির একসময়ের প্রভাবশালী নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার দোহারে নিজ গ্রাম শাইনপুকুরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে রবিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নাজমুল হুদা। তার একান্ত সচিব আক্কাস আলী খান বলেন, ‘রাতেই স্যারের লাশ ধানমন্ডির বাসায় নেওয়া হয়। বেলা ১১টায় ধানমন্ডির বায়তুল আমান জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সাড়ে ১২টার পর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে তার দ্বিতীয় জানাজা হয়। সেখান থেকে মরদেহ নেওয়া হয় দোহারে। স্থানীয় জয়পাড়া স্কুলমাঠে তৃতীয়, পদ্মা কলেজ মাঠে চতুর্থ ও বাড়ির মসজিদ প্রাঙ্গণে শেষ জানাজা হয়। পরে মায়ের কবরের পাশে স্যারকে সমাহিত করা হয়।’
তিনি জানান, জয়পাড়া স্কুলমাঠে তার জানাজায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আক্কাস আলী আরও জানান, বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) গ্রামের বাড়িতে এবং শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ধানমন্ডির বাসায় স্যারের কুলখানি হবে।
নাজমুল হুদার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি লিভার ক্যান্সারে ভুগছিলেন। স্ত্রী ব্যারিস্টার সিগমা হুদা এবং তার দুই মেয়ে অন্তরা সামিলা ও শ্রাবন্তী আমিনাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন তিনি।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে সবশেষ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল তৃণমূল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন নাজমুল হুদা। উচ্চ আদালতের নির্দেশে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি তার দল ইসির নিবন্ধন পায়। এর আগে বিএনপি গঠনের সময়ই তিনি দলটিতে যুক্ত হন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান তাকে দলের নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটিতে নিয়েছিলেন। এরপর খালেদা জিয়াও বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে রেখেছিলেন হুদাকে। ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ সালে পরপর তিনবার ঢাকা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন নাজমুল হুদা। বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের জন্ম ১৯৪৩ সালের ৬ জানুয়ারি।