চমেক ছাত্রাবাসে নির্যাতন
চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২২:১০ পিএম
আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২২:৩৩ পিএম
নির্যাতনের শিকার দুই শিক্ষার্থী চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি রয়েছেন। প্রবা ফটো
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের চার শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত পর্যন্ত নেওয়া হয়নি কোনো আইনি ব্যবস্থা। ঘটনার দুদিন পার হলেও গঠিত হয়নি তদন্ত কমিটি। দায়ের করা হয়নি কোনো মামলাও। পরিবারের পক্ষ থেকে বিচারের ভার কলেজের অধ্যক্ষের ওপর ছেড়ে দিলেও কলেজ প্রশাসন জানিয়েছেন, শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক করে নেওয়া হবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত।
আহত জাহিদ হাসান ওয়াকিলের বাবা ফরহাদ হোসাইন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমি কিছুই জানি না। ছেলের অবস্থা দেখে কষ্ট পাচ্ছি। তার সঙ্গে এসব বিষয়ে এখনও কথা বলার আগ্রহ পাচ্ছি না। সে সুস্থ হোক। আর এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব আমরা কলেজের প্রিন্সিপাল ম্যাডামের ওপর ছেড়ে দিয়েছি। তিনি বিষয়টি দেখবেন। আমরা উনার সঙ্গে কথা বলেছি।’
জানতে চাইলে অধ্যক্ষ ডা. সাহেনা আক্তার বলেন, ‘আহত শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা এসেছেন। ছাত্ররা হামলার বিষয়ে কোনো কথা বলছে না। আমরা আগামীকাল (শনিবার) শিক্ষকরা সবাই বসব। এ বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করব।’
আহত শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দুজন চমেকে আইসিইউ ওয়ার্ডে ভর্তি আছে। আল্লাহর রহমতে তারা আশঙ্কামুক্ত।’
গত বুধবার দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) ছাত্রাবাসে ৪ শিক্ষার্থীকে ২ ঘণ্টা ধরে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাদের মধ্যে দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কলেজ প্রশাসন। পরে তাদের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীরা হলেন—৬২তম ব্যাচের এম এ রায়হান, মোবাশ্বির হোসেন শুভ্র, জাহিদ হোসাইন ওয়াকিল এবং সাকিব হোসেন। এর মধ্যে ওয়াকিল ও সাকিব চমেক হাসপাতালের আইসিইউ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছে। পরে বাকি দুজনকে কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জ পাওয়া গেছে বলে জানান কলেজের অধ্যক্ষ ডা. সাহেনা আক্তার।