লক্ষ্মীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৩ ১৫:০৭ পিএম
আপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০২৩ ১৬:৩৪ পিএম
ফয়েজ ইসলাম আবেদদের কাছে ইজারা দেওয়া জলাশয়। প্রবা ফটো
লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলায় ইজারাদারদের মারধরের ভয়ে জমির প্রকৃত মালিক জমিতে যেতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে ভুক্তভোগী আবদুল্লাহ আল মামুন শিমুল পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। জেলা পুলিশ সুপার অভিযোগটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গোয়েন্দা শাখাকে দায়িত্ব দেন।
জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জালাল উদ্দিন এই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমাকে ঘটনাটি তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষকে ডাকা হয়েছে। তাদের সঙ্গে বসে ঘটনাটি শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগে জানান, সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের শহর কসবা গ্রামে আমাদের মালিকানাধীন দুই একর জমিতে দুটি জলাশয় রয়েছে। জলাশয়গুলো ২০২০ সালের ৯ জুলাই দুই লাখ ৫০ হাজার টাকায় পাঁচ বছরের জন্য পাশের গ্রামের ফয়েজ ইসলাম আবেদ, নাজিম রহমান ও মো. রাজুর কাছে ইজারা দেওয়া হয়। তখন তারা এক লাখ টাকা দেন। দুই বছর পার হলেও তারা বাকি এক লাখ ৫০ হাজার টাকা দেননি। ইজারাদাররা ওই জমিতে থাকা গাছপালা ও জলাশয়ের মাটি কেটে বিক্রি করে দিয়েছেন। এসবের কারণ জানতে ও বাকি টাকা চাইলে ইজারাদাররা আমাদের মারধরের হুমকি দেয়। এতে পাশের অন্য জমি দেখতেও যেতে পারছি না।
অভিযুক্তদের মধ্যে ফয়েজ ইসলাম আবেদ বলেন, মাছ চাষের জন্য শিমুলদের কাছ থেকে আমরা জলাশয় ইজারা নেই। তখন তিন ভাগে শিমুলদেরকে এক লাখ ৬০ হাজার দেওয়া হয়েছে। টাকা দেওয়ার কিছুদিন পর তারা স্ট্যাম্প দেয়। এতে দুটি স্ট্যাম্পে এক লাখ ২০ হাজার টাকার কথা উল্লেখ করা হয়। বাকি টাকার কথা তারা উল্লেখ করেননি। ইজারার মেয়াদ শেষ না হতেই শিমুলরা অন্যের কাছে জমি বিক্রি করে দিয়েছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘মালিক জলাশয় থেকে মাছ ধরতে দিচ্ছে না। দুই বছর আগে জমির পাশের আবদুল হামিদরা মাটি নিয়ে গেছে। বিষয়টি শিমুলকে তখনই জানানো হয়েছে। এখন মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে। শিমুলদেরকে মারধরের হুমকির অভিযোগ সত্য নয়।’