× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

নদীর চর দখল করে চলছে মৎস্যঘের নির্মাণ

শ্যামনগরে মাদার নদীর জেগে ওঠা চর দখলে নিয়ে সেখানে বাঁধ নির্মাণ করে মৎস্যঘের তৈরি করছে প্রভাবশালী একটি চক্র । প্রবা ফটো

শ্যামনগরে মাদার নদীর জেগে ওঠা চর দখলে নিয়ে সেখানে বাঁধ নির্মাণ করে মৎস্যঘের তৈরি করছে প্রভাবশালী একটি চক্র । প্রবা ফটো

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মাদার নদীর চর দখল করে মৎস্যঘের নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এজন্য নদীর চরের বিভিন্ন স্থানের গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে বলে স্থানীয়দের দাবি। এতে একদিকে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের পরানপুর গ্রামের (রমজাননগর-কৈখালী ব্রিজ সংলগ্ন) মাদার নদীর চরে প্রভাবশালী একটি চক্র নদীর জেগে ওঠা চর নিজেদের দখলে নিয়ে সেখানে বাঁধ নির্মাণ করে মৎস্যঘের তৈরি করছে। ঘের নির্মাণের সুবিধার্থে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। 

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদীর চর সাধারণ মানুষের চলাচল, গবাদিপশুর চারণ ও প্রাকৃতিক পরিবেশের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। কিন্তু সম্প্রতি কৈখালী ইউনিয়নের পরানপুর গ্রামের রুহুল আমিন গাজী, ইসমাইল সরদার, সামছুর কারিগর, আজগার কারিগর, কওছার আলী, সামছুর মহাজন, সিদ্দিক, রফিকুল ইসলাম, আশরাফ হোসেন, আতিয়ার গাজী, মুনছুর মহাজন, আশরাফ মহাজনসহ কয়েকজন ব্যক্তি অবৈধভাবে চর দখল করে ঘের নির্মাণ শুরু করেছে। তবে তাদের দাবি নদীর চর বন্দোবস্ত নিয়ে মৎস্যঘের করছে। 

লেখক ও গবেষক পরিবেশবিদ পীযূষ বাউলিয়া পিন্টু বলেন, নদীর চর ও তীরবর্তী গাছ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নির্বিচারে গাছ কাটা এবং চর দখল অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে ভাঙন, জলাবদ্ধতা ও জীববৈচিত্র্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।

কৈখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম বলেন, কৈখালী ইউনিয়নটি নদী বিশিষ্ট। নদীর চরে সামাজিক বনায়ন সৃষ্টির জন্য ইউনিয়ন পরিষদ নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। কিন্তু কতিপয় ব্যক্তি নদীর চর দখল করে বনায়ন ধ্বংস করছে। যা পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করছে। এ সময় তিনি উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, নদীর চর দখলকারীদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জেল জরিমানা করা হলে এটা বন্ধ হবে এবং অন্যরা ভয়ে দখল করা থেকে বিরত থাকবে।

এ বিষয়ে কৈখালী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, নদীর চর বন্দোবস্ত দেওয়া হয়নি। কেউ যদি দখল করে থাকে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুজ্জাহান কনক বলেন, নদীর চর দখল বা সরকারি জমিতে অবৈধভাবে ঘের নির্মাণের সুযোগ নেই। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা